×

খবর

জাতির সব প্রাপ্তির দ্বার খুলে দিয়েছে মুজিবনগর সরকার

ধর্মমন্ত্রী

Icon

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্মমন্ত্রী
কাগজ প্রতিবেদক : ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, পৃথিবীতে জাতি হিসেবে আমাদের সব প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচন করে গেছে মুজিবনগর সরকার। সফলতার মানদণ্ডে কিংবা বাঙালি জাতির প্রাপ্তি বিবেচনায় মুজিবনগর সরকার জাতিকে দিয়ে গেছে সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ- স্বাধীনতা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিবনগর সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের সফলতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিল মুজিবনগর সরকারের কার্যকাল। এই সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। সফলতার মানদণ্ডে কিংবা বাঙালি জাতির প্রাপ্তি বিবেচনায় মুজিবনগর সরকার জাতিকে দিয়ে গেছে সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ- স্বাধীনতা। একটি জাতির জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে। মুজিবনগর সরকারের সফলতাই আমাদের আজকের এই বাস্তবতায় নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অনন্য দলিল। এই ঘোষণাপত্রে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়েছে। এই সরকার সম্পূর্ণরূপে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠন করা হয়। এই সরকার ছিল সুসংগঠিত এবং নিয়মতান্ত্রিক। সেসময় এই সরকার গঠিত না হলে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অথবা বিদ্রোহী হয়ে পড়তাম। এমনকি স্বাধীনতাও আমাদের কাছে অধরা থেকে যেতে পারত। ধর্মমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে মধ্যআয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্র্যের হার কমেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বের প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল নির্মাণ করা হয়েছে। আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ-সদস্য এস এম শাহজাদা। অন্যদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট ড. মশিউর মালেক, সহসভাপতি কাজী মফিজুল হক ও আবদুর সালাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App