×

খবর

শ্রীমঙ্গলে কৃষিমন্ত্রী

২ কোটি ২২ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

Icon

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিকুল চক্রবর্তী, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) থেকে : কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুস শহীদ জানান, এবার ২ কোটি ২২ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমাদের সারা বছরের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি জোগান দেয় বোরো ধান। সেজন্য এ বছরও বোরোর আবাদ ও ফলন বাড়াতে ২১৫ কোটি টাকারও বেশি প্রণোদনা কৃষকদের দেয়া হয়েছে। এর ফলে এ বছর সারাদেশে ৫০ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুস শহীদ। তিনি বলেন, আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত। বর্তমানে আমাদের জনসংখ্যা ১৭ কোটি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মিটাতে হলে চালের উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে। নতুন উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে চাল রপ্তানি করাও সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। গতকাল সোমবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরে বিলাশের পাড় এলাকায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আয়োজিত বোরো ধান কর্তন উৎসব অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুস শহীদ। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক উর্মি বিনতে সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. হেলাল উদ্দীন, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মতিউজ্জামান, পুলিশ সুপার মনজুর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার অতিরিক্ত উপপরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন মুনালিসা সুইটি ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মধ্যে ভর্তুকিমূল্যে ৫টি কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করেন কৃষিমন্ত্রী। পরে কৃষদের বিনোদন দিতে আয়োজন করা হয় সিলেটি ধামাইল, চা শ্রমিকদের ঝুমুর নৃৃত্যসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর আগে কৃষিমন্ত্রী মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিমবিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও পেনশন মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদেন। এ সময় তিনি বলেন, সব মানুষের কল্যাণের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনকল্যাণে এটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অনন্য উদ্যোগ। কেউ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে দুশ্চিন্তায় থাকতে হবে না। এই পেনশন ব্যবস্থা অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করবে এবং শেষ বয়সে কারো কাছে হাত পাততে হবে না। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে গেলে পেনশন পান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত এবং দেশের অন্য মানুষ পেনশনের সুবিধা পান না। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা বয়স্কদের ঠিকমতো দেখভাল করেন না, অনেক সময় বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্কদের রেখে আসেন। শেষ বয়সে অনেকেই একটা ট্যাবলেট কিনতে পারেন না। এক্ষেত্রে পেনশন স্কিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পেনশনে যুক্ত হলে শেষ বয়সে টেনশনে থাকতে হবে না। ছেলেমেয়ে দেখছে না বলেও অভিযোগ করতে হবে না। তখন এই পেনসনই তাদের সুরক্ষা দেবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App