×

শেষের পাতা

ভুটানে সাকেপের বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী

দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশগত সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

Icon

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশগত  সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

কাগজ প্রতিবেদক : দক্ষিণ এশিয়া পরিবেশ সহযোগিতা সংগঠনের (সাকেপ) বিদায়ী চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক সহযোগিতা, সমন্বয় ও সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের আন্তঃসীমান্ত সমস্যা সমাধানে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশ দূষণ, জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন মন্ত্রী।

গত বুধবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত সাকেপের ১৬তম গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে বিদায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী সাকেপের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, সাকেপের চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক দূষণ রোধে ১২টি আঞ্চলিক অনুদান প্রকল্প এবং বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কায় ১৮টি উদ্ভাবন অনুদান প্রকল্প। এসব উদ্যোগ বেসরকারি খাত, উদ্যোক্তা, একাডেমিয়া এবং নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। সেসঙ্গে সাকেপ জাতীয় নীতি, কৌশল এবং সক্ষমতা বাড়াতে কারিগরি সহায়তা দিয়ে সরকারি খাতকে সাহায্য করে।

পরিবেশমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনে বাংলাদেশের অবদান মাত্র শূন্য দশমিক ৪৮ শতাংশ হওয়া সত্ত্বেও, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তিনি হিন্দুকুশ হিমালয়ের হিমবাহ গলে যাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জীবজন্তুর অস্তিত্বের হুমকির কথা তুলে ধরেন। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আহ্বান জানান। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা এবং স¤প্রতি বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারত্ব গঠন জাতির সক্রিয় পদক্ষেপেরই উদাহরণ।

সাকেপের বিদায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে সাবের হোসেন চৌধুরী ভুটানের জ¦ালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী জেম শেরিংকে চেয়ারম্যানশিপ হস্তান্তর করেন ও অভিনন্দন জানান। নতুন নেতৃত্বে সাকেপ পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক প্রচেষ্টা এবং কৌশল উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পরিবেশমন্ত্রী সাবের চৌধুরী।

দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, আদর্শগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরে মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী আশা প্রকাশ করেন, সাকেপ পরিবেশগত সমস্যাগুলোর সমাধানের অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং এই অঞ্চলের সব পরিবেশগত দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App