×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

শেষের পাতা

ওবায়দুল কাদের

দুর্নীতিবাজদের লুটপাট বন্ধেই এ বাজেট

Icon

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

দুর্নীতিবাজদের  লুটপাট বন্ধেই  এ বাজেট

কাগজ প্রতিবেদক : লুটপাট করতে নয়, লুটপাট বন্ধ করতেই এ বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজদের ধরতে নতুন করে আইন করার দরকার নেই। যে আইন আছে সেটা দিয়েই ধরা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমিও বলব- আদার দিয়েছি, রুই কাতলা ধরা পড়বে।

গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

কালো টাকা সাদা করার সমালোচনা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কালো টাকা সাদা তো সাইফুর রহমান করেছেন, খালেদা জিয়াও করেছেন। খালেদা জিয়া এখন বৃদ্ধ মানুষ। আমি বলতে চাই না, তারাও তাহলে দুর্বৃত্ত। এই বাজেট করা হয়েছে রাঘব বোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য।

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যে লুটপাটের রাজত্ব সৃষ্টি করেছিল, দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, অন্ধকার পথ থেকে শেখ হাসিনা এই দেশকে উদ্ধার করেছেন। লুটপাট আমরা বন্ধ করেছি। দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। তবে লুটপাট করে কেউ পার পেয়ে যেতে পারবে না। এদের বিচার করার সাহস বিএনপির ছিল না, শেখ হাসিনা সরকারের আছে।

বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস ও হুমকি মোকাবিলা করার জন্য ভবিষ্যতে অবশ্যই শান্তি সমাবেশ করতে হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীতেও এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী আমরা সবাই প্রস্তুত। সীমান্ত এলাকায় মানুষ হত্যার মহোৎসব চলছে, বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় এই ধরনের ঘটনা মাঝেমধ্যে ঘটে। বিএনপির আমলে এটি আরো বেশি হয়েছিল। কিন্তু এটা যে মহোৎসব বা উৎসব, এটা তো বলা যায় না। কোনো ঘটনা ঘটলেই দুই দেশ এক সঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনা করছে, পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থাও নিচ্ছে। হত্যার উৎসব বা মহোৎসব শব্দ বিএনপির আবিষ্কার করা। তারা নিজেরা যা চর্চা করে, এখনো তাই মনে করে।

তিনি বলেন, বুয়েটে সনি হত্যার বিচার কে করেছে? আর আবরার হত্যায় যে কয়েকজন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছে, সবাই ছাত্রলীগ বলে পরিচিত। বিশ্বজিৎ হত্যার বিচার কি হয়নি? ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা (বিএনপি) কী তাদের কোনো একজন নেতার বিচার করেছে? আশরাফুল হুদা, রকিবুল হুদা, এসপি কোহিনূর- এদের বিচার কে করেছে? বেনজির, আজিজও দুর্নীতি করে ছাড় পাবেন না। তারা আওয়ামী লীগের লোক নন। একজন পুলিশ অফিসার, আরেকজন সেনা অফিসার। কথা হচ্ছে, দুর্নীতি করে সব ছাড় পেয়েছে, যেটা বিএনপি করেছে। আমরা ইম্পিউনিটি কালচার গড়ে তুলিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সবাই চোখেও দেখি না, কানেও শুনি না। আমরা সবাই যেন বধির হয়ে গেছি। ৯ মাস পর চারজন হোস্টেসকে উদ্ধার করল, তাতে মনে হচ্ছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীই যেন বিশ্বনেতা। আন্তর্জাতিক সব মিডিয়া তাকে মহামানব বানিয়েছে। আর বাইডেন সাহেব ফ্রান্সে বসে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। নেতানিয়াহু প্রশংসাজনক কাজ করেছেন, সে জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পৃথিবীর মানুষ সাক্ষী, শেখ হাসিনা ছাড়া একজন রাষ্ট্রনেতাও বললেন না যে, ২১৩ জন সাধারণ নারী-শিশুসহ হত্যা করে চারজনকে উদ্ধার করেছে। এই ২১৩ জনের কথা বলার কি কেউ নেই? এই শিশুদের কী অপরাধ? এরা কি হামাস? এই সিভিলিয়ান হত্যার বিচার কি হবে না? একটা কথাও বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর আমাদের আরব বিশ্ব মনে হচ্ছে ঘুমাচ্ছে।

যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App