×

শেষের পাতা

দেশে য²া রোগী প্রায় ৪ লাখ

Icon

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : দেশে গত তিন বছরে নতুন করে আরো প্রায় ১ লাখ য²া রোগী বেড়েছে। সব মিলিয়ে সারাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪ লাখের মতো য²া রোগী আছে এবং তাদের মধ্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজারের মতো রোগীর মৃত্যু হয়। এছাড়া

দেশে এখনো ৩১ শতাংশ য²া রোগী শনাক্তের বাইরে।

‘স্ট্রেন্দেনিং টিউবারকিউলোসিস পাবলিক-প্রাইভেট মিক্স ফর অ্যানহ্যান্সড পলিসি অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড প্রাইভেট সেক্টর এনগেজমেন্ট’ বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সাসাকাওয়া অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, ইউএসএইডের উপ-অফিস পরিচালক মিরান্ডা ব্যাকমেন এবং য²া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ড. মো. মাহফুজুর রহমান সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন- আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর,বির কারিগরি উপদেষ্টা মো. নাদিম রেজা ও স্টপ টিবি পার্টনারশিপের ড. রাজমোহন সিং।

সভায় আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ জানান, সব মিলিয়ে সারাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪ লাখের মতো য²া রোগী আছে। তাদের মধ্য থেকে প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজারের মতো রোগীর মৃত্যু হয়। ৪ লাখ য²া রোগীর মধ্যে ১০ হাজারের মতো রোগী আছে যাদের ড্রাগ র‌্যাজিস্টেন্স। তাদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, ২০২২ সালে ৬৯ শতাংশ য²া রোগী শনাক্ত করা সম্ভব হলেও আরো প্রায় ৩১ শতাংশ রোগী শনাক্তের বাইরে থেকে যায়, যা অন্য সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, য²া সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সঠিক পরিকল্পনামাফিক কাজ করে যেতে পারলে দ্রুতই এ রোগ নির্মূল হবে।

অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, এখনো ৩১ শতাংশের বেশি য²া রোগী শনাক্তের বাইরে, এটি খুবই আশঙ্কাজনক। উচ্চবিত্ত শ্রেণি সর্দিকাশিতে হাসপাতালে যায়, কিন্তু নি¤œবিত্ত শ্রেণি কাশি হলেই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খায়। অথচ ওইসব রোগীদের য²া হওয়ারও ঝুঁকি থাকে। কিন্তু ফার্মেসিগুলোতে এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয় না। এজন্য ফার্মেসিগুলোকে কীভাবে আওতায় আনা যায়, সেটা আমাদের ভাবতে হবে। এই সেক্টরটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

###

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App