×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

শেষের পাতা

তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা

রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে সুন্দরবন

Icon

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে সুন্দরবন

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বণ্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় গতকাল শনিবার থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সুন্দরবন। এই তিন মাস সুন্দরবনে পর্যটক, জেলা-বাওয়ালীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সময়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে সুন্দরবন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে বন বিভাগের দাবি।

সুন্দরবনের উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব বয়ে যাওয়ায়, ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অনেক। এর বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে হরিণসহ শতাধিক বণ্যপ্রাণীর মরদেহ। নষ্ট হয়ে গেছে এর মিঠাপানির উৎস।

ইতোমধ্যে সুন্দরবনের বণ্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বনবিভাগ।

বন বিভাগের দাবি নিষেধাজ্ঞার এ সময় কোলাহল-মুক্ত সুন্দরবনে বন্যপ্রাণীরা অবাধ বিচরণের পাশাপাশি নির্বিঘেœ প্রজনন করতে পারবে। এতে এর বন্যপ্রাণী ও মৎস্য সম্পদসহ জীববৈচিত্র্য আরো সমৃদ্ধ হবে।

সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার (আইআরএমপি) সুপারিশে ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দুই মাস সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ ধরা বন্ধ থাকত। ২০২২ সময় আরো একমাস বাড়িয়ে ১ জুন থেকে করা হয়। সেই থেকে সুন্দরবনে প্রত্যেক বছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস নদী ও খালে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়।

তবে এ সময় বিপাকে পড়েন সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী ও পর্যাটন খাতের সঙ্গে জড়িতরা। নিষেধাজ্ঞাকালীন সরকারি সহায়তার দাবি তাদের।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে বলেন, তিন মাস সুন্দরবনের নদী ও খালের মাছ বেশি ডিম ছাড়ে। এছাড়া বন্যপ্রাণীরও প্রজনন মৌসুম এই সময়টিতে। নিষেধাজ্ঞাকালীন পর্যটক ও জেলেরা সুন্দরবনে না গেলে বনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী নিরুপদ্রব থাকবে। পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজননকেন্দ্র ও পর্যটনকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, সরকার সুন্দরবনে বিচরণকারী প্রাণী ও বিভিন্ন খালের মাছ রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে।

মোংলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোংলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ৮ হাজার ৪০০ জন। স্থানীয় বনজীবীরা বলছেন, মোংলায় জেলেদের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। তারা সারা বছর সুন্দরবন-সংলগ্ন নদ-নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App