×

শেষের পাতা

১০ গ্রাম পানিবন্দি

ছাতকের নিম্নাঞ্চল বৃষ্টি-পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত

Icon

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : গত ৩ দিনের টানা ভারি বর্ষণ এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বেড়েছে সুনামগঞ্জের প্রধান নদী সুরমাসহ বিভিন্ন উপজেলার নদীর পানি। গতকাল শনিবার জেলার ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ফলে ছাতক উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীর পানি। বর্তমানে এসব নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপৎসীমার উপর দিয়ে। ক্রমাগত পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলসহ গ্রামগঞ্জ ও শহরের মানুষের মধ্যে বন্যার আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধনীটিলা-ছনবাড়ী বাজার সড়কের উপর দিয়ে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে গেছে এ সড়কের বিভিন্ন অংশ। উপজেলার নোয়কুট, রহমতপুর, বনগাঁও, দারোগাখালী, বৈশাকান্দি, ছনবাড়ীসহ ৮-১০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। এতে আউশ-আমন ধানের বেশ কিছু বীজতলা ও শাক-সবজির বাগান ঢলের পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কোথায় কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। পানি বৃদ্ধির কারণে উপজেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুতসহ আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না বলেন, পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত ইসলামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চল পরিদর্শন করেছি। বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি। তিনি কোনো ধরনের গুজবে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য উপজেলার মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।

সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, গত তিনদিনে বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুরমা নদীর পানি বাড়ছে। উজানের ঢল নামা অব্যাহত থাকলে পানি বাড়া অব্যাহত থাকবে। এতে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তবে সুনামগঞ্জে এখনো বন্যার কোনো আশঙ্কা করছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা, পাটলাই, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার রক্তি, বৌলাই, ছাতকের চেলা, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার চলতি, জগন্নাথপুর উপজেলার কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে। তবে হাওরে এখনো পানি কম আছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App