×

শেষের পাতা

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তামাক মুক্ত দেশ গড়তে পারব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Icon

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তামাক মুক্ত  দেশ গড়তে পারব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কাগজ প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, তামাক উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সেবন- প্রতিটি ক্ষেত্রেই পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ক্ষতি করে। তামাক নিয়ন্ত্রণে সব মন্ত্রণালয় ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা দরকার। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা তামাক মুক্ত দেশ গড়তে পারব। এ জন্য সচেতনতা দরকার। সব সমস্যা সমাধানে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল শুক্রবার সকালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন হলে এ সভার আয়োজন করে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. জিয়াউদ্দীন, সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. বর্ধন জং রানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,

২০৪০ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার যে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন তা বাস্তবায়নে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রণয়ন, জাতীয় তামাক করনীতি প্রণয়ন ও বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন এবং বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দুর্বলতা দূর করে বিভিন্ন অংশীদারদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, সিনেমায় তামাকের দৃশ্য দেখানো বন্ধ করতে হবে। নেশা হয় এমন ফ্লেভার ও রং তামাকে ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। সামনের বাজেটে তামাকজাত পণ্যের দাম ৫০ থেকে ৯০ শতাংশে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তামাক নিয়ন্ত্রণে যে গতিতে এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো তা হয়নি। নানা কারণেই তা হয়নি। আইন করে বিড়ি সিগারেট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর তামাক পণ্যের ওপর সারচার্জ বাড়ানো এবং সব ধরনের তামাক পণ্যের দাম বাড়ানোর পক্ষে মত দেন। আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সম্মাননা ২০২৪ তুলে দেন। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী তামাকবিরোধী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং তার সুচিন্তিত মতামত দেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App