×

শেষের পাতা

লুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাবের হোসেন চৌধুরী

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে

Icon

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে
কাগজ প্রতিবেদক : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপের ভিত্তিতে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার একই জায়গায়। সেটি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। এ বিষয়ে কীভাবে কাজ করা হবে, কৌশল কী হবে- তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবমিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমাদের সহযোগিতা করতে চায়, আমরাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরো গভীর করতে আগ্রহী। গতকাল বুধবার নিজ মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পরিবেশমন্ত্রী। অন্যদিকে পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে তার চমৎকার আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বলেছেন, ভবিষ্যতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে যা-ই বিনিয়োগ হোক, তা যেন প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছায়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর সঙ্গে অতীত নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যে যে সম্পর্ক আছে, সেটাকে কীভাবে আরো এগিয়ে নিতে পারি, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই যে বিষয়গুলোতে আমাদের অবস্থান অভিন্ন যেমন- জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশ এবং আমেরিকা আরো কীভাবে কাজ করতে পারে, সেটা বিয়ে আলাপ করেছি। জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এডিবি আগামী দিনে কীভাবে অর্থায়ন করবে, সে বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এসব বিষয় নিয়ে ভবিষ্যতে আবার আলোচনা হবে। তখন সবকিছু সুনির্দিষ্ট হবে। কোন কোন খাতে সহযোগিতা হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিনামূল্যে রিয়াল টাইম স্যাটেলাইট ডেটা অফার করার পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা, দূষণ, এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো পর্যবেক্ষণ করা যাবে। বাংলাদেশ প্রযুক্তি হস্থান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার এবং সবুজ ও জলবায়ু প্রযুক্তির অগ্রগতি, অর্থায়নে সহায়তা কামনা করছে। এসব লক্ষ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হবে। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো আলোচনা করা হবে। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে তারা কীভাবে আমাদের সহযোগিতা করবে সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। আমি আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় তারা আমাদের চাহিদার কথা মাথায় রাখবে। তিনি বলেন, আলোচনায় পরিবেশগত ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর চিফ অব স্টাফ নাথানিয়েল হাফ্ট, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরো অফিসের রাজনৈতিক ইউনিট প্রধান সারাহ অলড্রিচ, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কাউন্সেলর আর্র্তুরো হাইন্স, পলিটিক্যাল ইউনিট চিফ শেরিন ফিটজেরাল্ড ও পলিটিক্যাল অফিসার ম্যাথু বেহ।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App