×

শেষের পাতা

আবারো বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা

Icon

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস মতোই আবার বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। ঢাকাসহ দেশের যেসব অঞ্চলে এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, সেসব অঞ্চলেই তাপমাত্রা বাড়ছে বেশি। ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়া তাপমাত্রা গতকাল সোমবার উঠেছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বৃষ্টির প্রবণতাও কমে গেছে। ঢাকা ও পটুয়াখালীসহ তিন-চারটি অঞ্চলে এদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এতে তাপ অনুভূত হচ্ছে বেশি। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামীকালও (আজ) সামান্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তবে বৃষ্টির প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। বৃষ্টি প্রলম্বিত না হলেও আবার তাপপ্রবাহ হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল সোমবার সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীতে ২০ মিলিমিটার। এছাড়া সারাদেশের মধ্যে ঢাকায় ৫ এবং হাতিয়ায় ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের প্রায় সব অঞ্চলে সোমবার তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে উঠেছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি। এছাড়া টাঙ্গাইলে ৩৬ দশমিক ৫, নিকলীতে ৩৫ দশমিক ৫, চট্টগ্রামে ৩৫, খুলনা ও মোংলায় ৩৫ দশমিক ২, চুয়াডাঙ্গা ও কুমারখারী ৩৫ দশমিক ৫, যশোরে ৩৬ দশমিক ২, বরশিালে ৩৪ দশমিক ২, খেপুপাড়ায় ৩৪ দশমিক ৯, সিলেটে ৩৫ দশমিক ২, শ্রীমঙ্গলে ৩৫ দশমিক ৬, রংপুরে ৩৪ দশমিক ৫, দিনাজপুরে ৩৫ দশমিক ২, ময়মনসিংহে ৩৫ দশমিক ৩ এবং রাজশাহীতে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছে তাপমাত্রা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেতুলিয়ায়, ২১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, টাঙ্গাইল, রাজশাহী, পাবনা, যশোর, নীলফামারী, রাঙামাটি ও ফেনী জেলার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। প্রসঙ্গত, এপ্রিল মাসজুড়ে সারাদেশে টানা তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল যশোরে ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল জনজীবন। অসহনীয় তাপে প্রাণিকুলসহ পরিবেশে দেখা দেয় বিপর্যয়। এরপর ২ মে থেকে সামান্য বৃষ্টি এবং ৬ মে থেকে প্রায় সারাদেশে কালবৈশাখী শুরু হয়। এ ঝড়-বৃষ্টি ১১ মে থেকে কমতে থাকে, সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে তাপমাত্রা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App