×

শেষের পাতা

ডিবিপ্রধান হারুন

কিশোর গ্যাং ধরলে ফোন আসে

Icon

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : কিশোর গ্যাংয়ের আটককৃত সদস্যদের মধ্যে কাউকে কাউকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফোনে ছেড়ে দিতে হয় বা ছাড়ার তদবির আসে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কিশোর অপরাধের ধরন ও কারণ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, পারিবারিক শিক্ষাটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তা সঠিকভাবে হচ্ছে না বলে অপরাধ বাড়ছে। আমরা যখন কিশোর গ্যাংয়ের কাউকে আটক করি, তখন কেউ ফোন করে বলে, ও তো আমার লোক, সে মাদক ব্যবসা করে না। আবার তারা অনেক সময় এমনভাবে তদবির করে, দলের সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রীদের মতো প্রভাবশালীদের গিয়ে বলে, ডিবি তো আমাদের লোকদের ধরে নিয়ে গেছে। তারা যখন আমাদের ফোনটা করেন, তখন আমরা ভাবি এখন কথা না রাখলে তো পরে মাইন্ড করবেন। অনেক সময় আমরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হই। সবসময় যে ছাড়ি তাও নয়। তিনি বলেন, একসময় আমরা দেখতাম রাজনৈতিক নেতারা বস্তির ছেলেদের সস্তায় মিছিলে নিতেন, তাদের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতেন। এখন কিন্তু পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়েছে, কারণ বস্তির সংখ্যা কমে গেছে। আমরা সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে যাওয়ার চেষ্টা করছি। তবে কিশোর গ্যাংয়ের জন্য যে শুধু তারা দায়ী তা নয়, একটি ‘বড় ভাই গ্রুপ’ তাদের নিয়ন্ত্রণ করে। হারুন অর রশীদ বলেন, কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন বিষয়ের তাৎপর্য বিবেচনা করছি। বিভিন্ন সমাবেশে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের কারণে আমরা পুলিশের সদস্যরা উঠেপড়ে লেগেছি। কিশোরদের বিষয়টি নিয়ে অনেক সময় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ইউনিসেফ বলছে, ১০-১৯ বছরের মধ্যে ছেলেমেয়েরা এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আবার আমাদের সংবিধানে ১৬ বছর বলা আছে। সবকিছু বিবেচনা করে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন বাচ্চারা ৭ বছর বয়সেই ম্যাচিউরিটি অর্জন করে ফেলছে। কিশোর গ্যাং বিভিন্ন নাম দিয়ে সমাজের বিভিন্ন জায়গায় আধিপত্য বিস্তার করছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App