×

শেষের পাতা

একসঙ্গে শিক্ষক ও ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত

Icon

প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালী প্রতিনিধি : আইনকে তোয়াক্কা না করে সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একাধিকবার চেয়ারম্যান হয়েছেন। বিদ্যমান আইনে সরকারি চাকরিরত অবস্থায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যেমন জড়াতে পারেন না। অন্যদিকে ইউপি নির্বাচেনও অংশ নিতে পারেন না। পারেন শুধু চাকরি ছেড়ে দিয়ে। কিন্তু নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সৈকত সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন আইনকে পাত্তা না নিয়ে একদিকে যেমন হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি কলেজ নিজে ক্লাস না নিয়ে ভাড়াটিয়া এক ব্যক্তিকে দিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে সমালোচনার ঝড় বইছে। কলেজটির শিক্ষকরা এ নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। বেলায়েত নিজেকে অধ্যাপক বলে দাবি করেন। অথচ অধ্যাপক পদটি সহকারী অধ্যাপকের দুই ধাপ উপরে। চেয়ারম্যান হওয়ায় তাকে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। ফলে ক্লাস নেয়ার সময় পান না। অথচ কলেজের বেতন ভাতাসহ যাবতীয় সুবিধা নিয়মিত তুলে নিচ্ছেন। জানা গেছে, শিক্ষক বেলায়েত হোসেন চাকরিতে যোগ দিয়ে কয়েক বছর কলেজে নিয়মিত ক্লাস নিতেন। তবে ২০০৩ সালে প্রথমবার সুবর্ণচরের চরআমান উল্যাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। পরপর দুইবার জয়ী হয়ে ২০১১ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। সর্বশেষ ২০২১ সালে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, সৈকত কলেজটি ২০১৮ সালে সরকারি হয়। সরকরি এ কলেজের শিক্ষক থাকা অবস্থায় ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছেন বেলায়েত। নিয়মিত কলেজে না এলেও হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতির স্বাক্ষর ঠিকই রয়েছে। নিজে ক্লাসে না গিয়ে নিজাম উদ্দিন নামে একজনকে দিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। নিজামকে মাসচুক্তি টাকা দেন বেলায়েত। কলেজের একাধিক শিক্ষক বলেন, বেলায়েত হোসেন চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে কলেজে নিয়মিত আসেন না। এলেও তিনি ক্লাস নেন না। এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি সরকারি কলেজের শিক্ষক হলেও নিয়ম মেনেই চেয়ারম্যান পদে আছি। নিয়মটি সরকারি চাকরি আইনের কোথায় আছে ? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি সেটি সময় হলে বলব বলে জানান।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App