×

শেষের পাতা

পৈতৃক সম্পদে নারীর সমঅধিকার নিয়ে সমাজ বিভক্ত, সরকার নীরব

Icon

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পৈতৃক সম্পদে নারীর সমঅধিকার নিয়ে সমাজ বিভক্ত, সরকার নীরব
সেবিকা দেবনাথ : সংবিধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন আইন ও নীতিমালায় খুব জোরেশোরেই নারী-পুরুষের সমতার কথা বলা আছে। সমতা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সনদ, আইনেও স্বাক্ষর করেছে সরকার। কিন্তু সম্পদ-সম্পত্তিতে সমঅধিকারের ক্ষেত্রে সমাজ বিভক্ত। সরকারও এক্ষেত্রে পালন করছে নীরব ভূমিকা। ১৯৯৭ সালে নারী উন্নয়ন নীতিতে সম্পত্তির অধিকারের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমঅধিকারের কথা বলা হলেও পরে তা স্পষ্টাক্ষরে সংযুক্ত হয়নি; এমনকি নতুন আইনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি ২৫ বছরেও। ফলে যুগের পর যুগ নারীরা নির্ভরশীল এবং সীমিত একটা গণ্ডির বাইরে তাদের এখতিয়ার নেই। বিশ্বব্যাংকের ‘নারী, ব্যবসা এবং আইন-২০২২’ শিরোনামের রিপোর্টের তথ্য মতে, পৃথিবীর যেসব দেশে পুরুষের তুলনায় নারীর অর্থনৈতিক সুযোগ কম, বাংলাদেশ তার অন্যতম। বিভিন্ন আইনি বাধা এবং আইন না থাকাই এর কারণ। বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর একেবারেই পেছনের দিকে। বাংলাদেশের স্কোর একশর মধ্যে মাত্র ৪৯ দশমিক ৪ এবং দেশগুলোর মধ্যে অবস্থান ১৭৩তম। যে ৮টি নির্দেশকের ওপর এ বিষয়ে স্কোর নির্ণয় করা হয়েছে- এর মধ্যে অন্যতম একটি ছিল সম্পত্তিতে অধিকারের বিষয়টি। বাবা বা মায়ের সম্পত্তিতে পুরুষের সমান অধিকার নারীর নেই। এদিকে সরকার ২০১৩ সালে হিজড়াদের ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২২ সালে সম্পত্তিতে তাদের উত্তরাধিকার দেয়ার উদ্যোগ নেয়। এ সম্পর্কিত একটি খসড়া প্রস্তাবনা আইন ও বিচার বিভাগে রয়েছে বলে জানা যায়। এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেছিলেন, আমাদের ইসলাম ধর্ম বা মুসলিম আইন (শরিয়া আইন) মানতে হবে, এটা ঠিক। কিন্তু কেবল শরিয়া আইনের দোহাই দিয়ে মা-মেয়েকে বঞ্চিত করে বাবার সম্পদ যে তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়, তার কোনো সুরাহা করা যায় কিনা- সেই বিষয়টি দেখা দরকার। নারীরা কেন তাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হচ্ছেন তার কয়েকটি প্রেক্ষাপট রয়েছে বলে মনে করেন নারী ও মানবাধিকারকর্মীরা। তারা বলছেন, উত্তরাধিকার সম্পত্তির বিষয়ে নারীদের ক্ষেত্রে একেক ধর্মে একেকভাবে বলা আছে। যার কারণে বিভিন্ন ধর্মালম্বীদের কাছে এই উত্তরাধিকার আইন ভিন্ন। নারীদের সম্পত্তিতে সবঅধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আইন যতটা না প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে, এর চেয়ে বেশি বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সামাজিক নিয়ম; ধর্মান্ধতা। সেই ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীর চাপে পড়ে এক্ষেত্রে নীরব রয়েছে সরকারও। সম্পত্তিতে নারীর অধিকার নিয়ে কোন ধর্মে কী বলা আছে : হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা আদিবাসী নারীদের সম্পত্তির অধিকারের তুলনায় মুসলিম পারিবারিক আইন কিছুটা কম বৈষম্যমূলক। মুসলিম নারীদের ক্ষেত্রে শরিয়া আইনে তাদের ভাগ পুরুষের অর্ধেক। ১৯৩৭ সালের হিন্দু আইন অনুযায়ী, মেয়েরা কোনো সম্পত্তির উত্তরাধিকারী নন। অন্যদিকে বৌদ্ধদের জন্য আলাদা পারিবারিক আইন নেই। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বৌদ্ধ পারিবারিক আইনের খসড়া তৈরি করেছিলেন। কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরোধিতার কারণে আইনটি আলোর মুখ দেখেনি। হিন্দু পারিবারিক আইন দিয়েই বৌদ্ধসমাজ পরিচালিত। ফলে সম্পত্তিতে বৌদ্ধ নারীরও কোনো অধিকার নেই। মারমা নারীদের এখনো সম্পত্তিতে কোনো অধিকার নেই। বান্দরবান জেলার নারীরা সম্পদের ৪ ভাগের ১ ভাগ পান। আর খ্রিস্টান ধর্মে বলা আছে, অর্ধেক-অর্ধেক পাবে। তবে বাস্তব চিত্র এখানেও আলাদা। কেউ ক্যাথলিক, কেউ ব্যাপ্টিস্ট- এই ঘরানা অনুযায়ী সম্পত্তির অধিকারে নারীদের জন্য কিছু কিছু জায়গায় ব্যত্যয় দেখা যায়। এভাবে যুগ যুগ ধরে ভূমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন বাংলাদেশের নারীরা। হিন্দু পারিবারিক আইন সংস্কার ও বিতর্ক : হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ‘যুগোপযোগী’ করতে ২০১২ সালে একটি নতুন আইনের সুপারিশ করে আইন কমিশন। সেখানে সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারসহ ৯ দফা সুপারিশ করা হয়। তবে এ বিষয়ে পরে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এরপর ২০১৮ সালে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন সংস্কারের প্রস্তাব তৈরির কাজ শুরু করে ‘হিন্দু আইন প্রণয়নে নাগরিক উদ্যোগ জাতীয় কোয়ালিশন’। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত নিয়ে ‘হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ২০২০’ এর খসড়া তৈরি শেষ হয় ২০২১ সালে। এতে রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়। এ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। ২০২২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে প্রয়াত বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়াসংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন বেসরকারি একটি ব্যাংকের পরিচালক অনন্যা দাশগুপ্ত। ২০২১ সালে অক্টোবর মাসে হিন্দু উইমেন্স রাইটস টু প্রপার্টি অ্যাক্ট (১৯৩৭ সালের) অনুযায়ী হিন্দু বিধবা নারীর কৃষি-অকৃষি উভয় ধরনের সম্পত্তিতে অধিকার থাকবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। কিন্তু হিন্দু পারিবারিক আইন সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি মহলের ঘোর আপত্তি। অথচ এই আইনটি সংস্কার হলে হিন্দু এবং বৌদ্ধ উভয় ধর্মের নারীরাই উপকৃত হবে। অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রটিও সহজ হতো। ৩১ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি অভিন্ন পারিবারিক আইন : অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নে ১৯৮৫ সাল থেকে কাজ কছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। ১৯৯৩ সাল থেকে দেশের বিজ্ঞ আইনজীবী, বুদ্ধিজীবীরা সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মী সংগঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে আইনটির প্রস্তাবনা পূর্ণাঙ্গ করে প্রকাশ করে। এই প্রস্তাবনা বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রীসহ আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইন কমিশনে জমা দিয়ে এই প্রস্তাবনা আইনে পরিণত করার জন্য অ্যাডভোকেসি ও লবিং করে যাচ্ছে। তবে কাঠামোগত বাধার কারণে সরকার এই আইন প্রণয়নে অগ্রসর হতে পারছে না। এদিকে উত্তারাধিকারসহ পারিবারিক সম্পত্তিতে নারীর সমানাধিকারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন নারী সংগঠনের সহায়তায় ২০২২ সালে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ দেশব্যাপী ক্যাম্পেন পরিচালনা ও স্বাক্ষর সংগ্রহ করে আইন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। সমঅধিকার না থাকা সংবিধান ও আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সব নাগরিকের অধিকার রক্ষা এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে বাংলাদেশের সব আইনই প্রণীত হয়েছে সংবিধানের আলোকে ইউরোপীয় সিভিল আইনের আদলে। শুধু নারী অধিকার খর্বকারী ব্যক্তিগত বা পারিবারিক আইনটিই ধর্মভিত্তিক বা ধমীয় বিধান অনুসরণ করে প্রণীত। একটি স্বাধীন দেশে এমন দ্বৈত ব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবেই সংবিধান লঙ্ঘন। তাছাড়া, এর মাধ্যমে ‘জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে’ ‘প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন’ ৭ (২) হিসেবে সংবিধানের প্রাধান্য খর্ব হয়। কাজেই এ আইন সংবিধানবিরোধী। এদিকে রাষ্ট্র জাতিসংঘ কর্তৃক প্রণীত নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ (সিডও) সনদের ধারা ২ এবং ধারা ১৬.১ (গ)-এর ওপর আজো সংরক্ষণ আরোপ করে রেখেছে, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০, ১৯, ২৬, ২৭ ও ২৮-এর মূল নির্যাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। স্বাধীন-সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চার মূলনীতির সঙ্গেও যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংবিধানের ২৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘এই ভাগের (তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকার) বিধানাবলির সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে’। অর্থাৎ, সংবিধানের অঙ্গীকার অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের অন্যতম ভিত্তি ‘বৈষম্যহীনতা’র সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বৈষম্যমূলক উত্তরাধিকার আইন বহাল থাকার যৌক্তিক ও আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা : নারী প্রগতি সংঘের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর বলেন, সম্পত্তিতে সমঅধিকার না থাকা নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমরা দেখেছি, সম্প্রতি দুজন নারীর নিজস্ব ঠিকানা না থাকায় তারা সমস্ত পরীক্ষায় পাস করেও পুলিশের চাকরিতে নিয়োগ পাচ্ছিলেন না, যেজন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়েছিল। আমাদের দেশের নারীরা সব ধরনের কৃষিকাজ করলেও জমির মালিকানা না থাকায় সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। এমনকি ভূমিহীন নারীরা স্বামী বা সক্ষম পুত্র না থাকলে খাস জমির মালিকানা পান না। উত্তরাধিকারে সমান অধিকার না থাকায় বাল্যবিয়েসহ নানা ধরনের বৈষম্য-নির্যাতন যেমন বাড়ায়; তেমনি জীবনভর নারীদের পরজীবী হিসেবে গণ্য হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে হলে উত্তরাধিকারে নারীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়া অপরিহার্য। অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ভোরের কাগজকে বলেন, নারীর ব্যক্তি অধিকার ধর্মীয় আচার-আচরণ দ্বারা নির্ধারিত। ধর্মের ভিত্তিতে নারীর অধিকার নির্ধারিত হলে নারীসমাজ বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কাজেই সাংবিধানিক ধারার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী নারীদের অধিকারসহ সব নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি, সরকার নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করার জন্য সিডওসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সনদ স্বাক্ষর ও অনুমোদন করেছে। এসব সনদ বাস্তবায়ন করতে হলেও অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়ন জরুরি। আইন থাকলেই সমস্যার সমাধান হবে- এমনটা মনে করেন না মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির। তিনি ভোরের কাগজকে বলেন, আইন থাকলেই যেসব হয় তেমনটা কিন্তু নয়। কারণ খ্রিস্টান পারিবারিক আইনে সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হলেও সামাজিকতা হলো এমন যে তারাও নারীকে সমান ভাগ দিতে চায় না। তবে আইন থাকলে যেটি হয় সেটি হলো, নিজের অধিকার সম্পর্কে যিনি সচেতন তিনি ওই আইনের সাহায্য নিতে পারবেন। আর যারা ধর্মীয় আইন মানতে চায় তিনি সেটিই মেনে চলবেন। অভিন্ন পারিবারিক আইনটি হবে অভিন্ন এবং অসাম্প্রদায়িক। এটি কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের জন্য হবে না। সংবিধান ও মানবাধিকার মিলে একবারই সমান অধিকার নিশ্চিতের জন্য সবার। আমাদের সিভিল আইন, ব্যবসাবাণিজ্য, ফৌজদারি আইন ইত্যাদি ধর্ম দ্বারা পরিচালিত নয়। কিন্তু পারিবারিক আইন ধর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ধর্মের নামে অসাম্য ও বঞ্চনার সম্পর্কগুলো জিইয়ে রাখা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ সিরাজী ভোরের কাগজকে বলেন, ভারত ও নেপালে উত্তরাধিকারে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে নারীর প্রবেশগম্যতা ও অধিকার ভোগ অনেক এগিয়েছে। আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কঠিন সিদ্ধান্ত না থাকলে সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত এবং অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়ন সম্ভব নয়। তবে এটিও আমাদের মনে রাখতে হবে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি বেশির ভাগ নারীই কিন্তু নিতে পারেন না। পেলেও সেই সম্পত্তি ভোগের ক্ষেত্রে নারীর স্বাধীনতা নেই। যেমন- সম্পত্তি বিক্রি, বণ্টনসহ নানা ক্ষেত্রে এখনো বৈষম্য আছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App