×

শেষের পাতা

ঢাকার দুই সিটিতে বসবে ২০ অস্থায়ী পশুর হাট

Icon

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার দুই সিটিতে বসবে ২০ অস্থায়ী পশুর হাট
কাগজ প্রতিবেদক : আসন্ন কুরবানির ঈদে ঢাকার দুই সিটিতে ২০টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১১টি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ৯টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। এর বাইরে উত্তর সিটির গাবতলী এবং দক্ষিণ সিটির সারুলিয়ার স্থায়ী দুটি হাটেও পশু কেনাবেচা চলবে। তবে এর মধ্যে যে কোনো হাট বাতিল বা সংযোজন করা হতে পারে। সব প্রক্রিয়া শেষে সর্বোচ্চ দরদাতাকেই হাট ইজারা দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১১টি অস্থায়ী হাট বসাতে ইজারা বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এ স্থানগুলো হলো- উত্তর শাহজানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজার মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, পোস্তাগোলা শ্মশানঘাটসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, মেরাদিয়া বাজারসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাবসংলগ্ন খালি জায়গাসহ কমলাপুর স্টেডিয়ামসংলগ্ন বিশ্বরোডের আশপাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনালসংলগ্ন উন্মুক্ত এলাকা, আফতাব নগর (ইস্টার্ন হাউজিং) ব্লক ই, এফ, জি, এইচ, সেকশন ১ ও ২ এর খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউনের আশপাশের খালি জায়গা, রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা এবং শ্যামপুর কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডসংলগ্ন খালি জায়গা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯টি অস্থায়ী হাটের জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই হাটগুলো জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো হলো- ভাটারা সুতিভোলা খালসংলগ্ন খালি জায়গা (ভাটারা সুতিভোলা), কাওলা শিয়ালডাঙ্গাসংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর বউ বাজার এলাকার খালি জায়গা, বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং আফতাবনগর ব্লক ই, এফ, জি, এইচ, এল, এম, এন এবং আশপাশের জায়গা, মিরপুর সেকশন ৬ ওয়ার্ড নম্বর ৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এর খালি জায়গা, মোহাম্মাদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউউটসংলগ্ন খালি জায়গা, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচকুড়া বেপারীপাড়া রাহমান নগর আবাসিক প্রকল্পের জায়গা এবং খিলক্ষেত থানার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্টসংলগ্ন পাড়ার খালি জায়গা। সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, কুরবানির পশুরহাট ইজারা দেয়া হয় প্রতি বছর। হাট ইজারা থেকে করপোরেশন ভালো অংশের টাকা আয়ের প্রত্যাশা করে থাকে। কিন্তু কোনো বারই প্রত্যাশা অনুযায়ী আয় হয় না। ইজারাদাররা সব সময় নিজেদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে দরপত্রে অংশ নেয়। যারা সিন্ডিকেট করে তারা আর্থিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ প্রভাবশালী। সাধারণ ইজারাদাররা এদের সঙ্গে টিকতে পারে না। সিটি করপোরেশনের কিছু করার থাকে না। সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেয়া হয় না। সিন্ডিকেটের ভেতর থেকে যিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হন তাকেই ইজারা দিতে হয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App