×

প্রথম পাতা

প্রশ্নফাঁসের মাস্টারমাইন্ড নোমান

Icon

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

প্রশ্নফাঁসের মাস্টারমাইন্ড নোমান

ইমরান রহমান : বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নেয়া বিসিএসের ক্যাডার এবং ননক্যাডার পদের ৩০টি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কেঁচো খুঁড়তেই বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে সাপ। শুধু পিএসসি নয়; এই চক্র বেসরকারি ব্যাংক ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে আসছিল। প্রশ্নফাঁস করে চাকরি প্রার্থীদের হাতে দেয়া হত না এটি। পরীক্ষার আগের রাতে ঢাকা ও এর আশপাশ এলাকায় নিরাপদ জায়গায় (চক্রের সদস্যদের ভাষায় বুথ) রাখা হতো। সারারাত প্রশ্নের উত্তর মুখস্ত করিয়ে সকালে পরীক্ষা দিতে পাঠানো হতো। সবশেষ রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার ৪৬ জন প্রার্থীকে রাজধানীর পল্টনের একটি পানির ফিল্টারের গুদামে রাখা হয়েছিল।

শুধু প্রশ্নফাঁসই নয়- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের চাকরির ভাইভা পরীক্ষার তদবিরও করত চক্রটি। এই চক্রের প্রধান মাস্টারমাইন্ড মো. নোমান সিদ্দিক। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে একযুগেরও বেশি সময় ধরে প্রশ্নফাঁস করে আসছেন তিনি। এই চক্রের অন্যতম হোতা পিএসসির অফিস সহায়ক মো. সাজেদুল ইসলাম ও পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী। নামে বেনামে অঢেল সম্পদ গড়েছেন তারা। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আসামিদের দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানা গেছে। ইতোমধ্যে এই ১৭ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনায় নোমান সিদ্দিক ও আবেদ আলীসহ গ্রেপ্তার ১৭ আসামিকে গতকাল কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি দিয়ে কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- সৈয়দ আবেদ আলী, মো. খলিলুর রহমান, সাজেদুল ইসলাম, মো. সাখাওয়াত হোসেন, সায়েম হোসেন ও বেকার যুবক লিটন সরকার। কারাগারে

যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- পিএসসির উপপরিচালক মো. আবু জাফর ও মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক মো. আলমগীর কবির, ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে মিরপুরের ব্যবসায়ী আবু সোলেমান মো. সোহেল, সাবেক সেনা সদস্য নোমান সিদ্দিক, অডিটর প্রিয়নাথ রায়, ব্যবসায়ী মো. জাহিদুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী শাহাদাত হোসেন, ঢাকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত মো. মামুনুর রশীদ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান মো. নিয়ামুন হাসান ও আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। এর আগে, ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে সরকারি কর্ম কমিশন আইনে ডিএমপির পল্টন থানায় মামলা দায়ের করে সিআইডি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ল²ীপুরের রামগতি থানার চরআলগী গ্রামের মো. আবু তাহেরের ছেলে মো. নোমান সিদ্দিক একসময় সেনা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে পোশাক কারখানা দিয়েছেন। থাকেন মিরপুর ১০ নম্বরের সেনপাড়া পর্বতার ৪৫৮/৪ নম্বর ফ্ল্যাটে। ফ্ল্যাটের মালিক তিনি নিজেই। ডিজিএফআইতে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রশ্নফাঁস করা শুরু করেন। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন চাকরির তদবির করতেন। তখন এক বন্ধুর মাধ্যমে নোমানের সঙ্গে পরিচয় হয় গাজীপুর সেনানিবাসের অর্থ ও প্রতিরক্ষা বিভাগের অডিটর প্রিয়নাথ রায়ের। জিজ্ঞাসাবাদে প্রিয়নাথ রায় বলেছেন, যখন তিনি নোমান সিদ্দিকের সঙ্গে পরিচিত হন; তখন নোমান ডিজিএফআইয়ে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালে দুইজনকে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পাইয়ে দিতে নোমানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তাদের মধ্যে একজন ভর্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য হন। এরপর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নিয়োগে ভাইভার তদবির করেন। নোমান সিদ্দিক বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের প্রশ্নও ফাঁস করেছেন বেশ কয়েক বছর ধরে।

সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, পল্টনের কার্লভাট রোডের ১৪১/২ নম্বর বাড়ির ২য় তলায় তার পানির ফিল্টারের গুদাম রয়েছে। ব্যবসায় সহযোগিতা করেন তারই আপন ভাই সিদ্ধেশ্বরী কলেজের ছাত্র সাইম হোসেন। পিএসসির অফিস সহায়ক মো. সাজেদুল ইসলাম তার বন্ধু। এই সূত্রে দামি গাড়ি নিয়ে সাজেদুল প্রায়ই তার সঙ্গে দেখা করে এবং চাকরিপ্রত্যাশী কেউ থাকলে জানাতে বলে। সাজেদুলের আফতাবনগরে নিজের ফ্ল্যাট রয়েছে। সবশেষ গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার ৪৬ জন প্রার্থীকে তার ওই গুদামে রাখা হয়। রাতভর ওই চাকরি প্রার্থীরা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মুখস্ত করে পরদিন পরীক্ষা দিতে যান। সাখাওয়াতের ভাই সাইম তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, সাজেদুল তাকে ফোন করে পল্টন থেকে দুজন চাকরিপ্রত্যাশীকে রিসিভ করে গুদামে নিয়ে রাখতে বলেন। তখন তিনি তাদের আনতে গেলে দেখেন একটি মাইক্রো থেকে ৮ জন চাকরিপ্রত্যাশী নেমেছেন। এভাবে ধাপে ধাপে ৪৬ জন চাকরিপ্রত্যাশীকে ওই গুদামে নিয়ে যান তিনি।

এদিকে মাত্র ৮ম শ্রেণি পাস করা পানির ফিল্টারের ব্যবসায়ী সাখাওয়াতের কানাডা ও লন্ডনের ভিসা দেখে অনেকটাই হতবম্ব তদন্তকারীরা। সাখাওয়াত জানিয়েছেন, টুরিস্ট ভিসায় কানাডা ঘুরে এসেছেন একবার। লন্ডনের ভিসা পেলেও যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো না। দ্রুতই স্থায়ীভাবে কানাডা থিতু হতে চেয়েছিলেন। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার লিটন সরকার জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার জাহিদুল বৃহস্পতিবার দুজন চাকরিপ্রত্যাশীকে শ্যামলী থেকে রিসিভ করতে বলেন। এরপর গভীর রাত হলেও জাহিদ কোনো যোগাযোগ করছিলেন না। একপর্যায়ে তাদের একটি আবাসিক হোটেলে রাখতে বলেন। পরে জাহিদ এসে ওই চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দেখা করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশ্নফাঁসের এই চক্রের মূল মাস্টারমাইন্ড নোমান। অন্যতম হোতা আবেদ আলী ও সাজেদুল। আবেদ আলী ২০১৩ সালে চাকরি ছেড়ে দিলেও চক্রে তৎপর থাকেন। ২০১৫ সালে মেডিকেলের প্রশ্ন বিক্রি করে এই চক্রের সদস্যদের ৫ কোটি টাকা লাভ হয়। এরপর তারা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। আবেদ আলী ২০১৩ সালে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে যে টাকা উপার্জন করতেন- তা বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করে ফেলতেন। তার কমপক্ষে ৮০ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে ধারণা তদন্ত সংশ্লিষ্টদের। টাকার পাহাড় গড়েছেন নোমান ও সাজেদুলও। কিন্তু তারা জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের সম্পদের পূর্ণাঙ্গ হিসাব দেননি। মূলতো পিএসসির উপপরিচালক মো. আবু জাফর ও জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক আলমগীর কবীরকে ব্যবহার করতেন নোমান, অফিস সহায়ক সাজেদুল ও সৈয়দ আবেদ আলী। পিএসসির অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের কোটি কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হতো। ওই কর্মকর্তারাই প্রশ্নের ব্যবস্থা করে দিতেন। পরে এরা চক্রের অন্য সদস্যের মাধ্যমে চাকরি প্রার্থী জোগাড় করে বিভিন্ন জায়গার ‘বুথে’ নিয়ে উত্তর মুখস্থ করাতেন। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন কিনেও নিতেন চক্রেরই কয়েকজন সদস্য। তারা সেটি নিজস্বভাবে চাকরি প্রার্থীদের কাছে বিক্রিও করতেন। মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় এখনো পলাতক রয়েছেন পিএসপির একজন প্রাক্তন সহকারী পরিচালকসহ ১৪ এজহারনামীয় আসামি। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আবেদের রয়েছে ৮০ কোটির সম্পত্তি : কুয়াকাটার হোটেল সান মেরিনাকে নিজের বলে দাবি করলেও সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী সেটির প্রকৃত মালিক নন। তিনি নিজের ফেসবুকে এটি নিয়ে পোস্ট করলেও হোটেল কর্তৃপক্ষ বলছে, আবেদ আলী নামে কাউকে তারা চেনেন না। এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে আবেদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদে অঢেল সম্পদের তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। গ্রামে আলিশান বাড়ির পাশাপাশি ঢাকার পাইকপাড়ায় ছয়তলা বাড়ি, শেওড়াপাড়ার ওয়াসা রোডে একটি ৯ তলা ভবনে রয়েছে তিনটি ফ্ল্যাট। এই ভবনেরই পঞ্চম তলায় নিজের ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন আবেদ আলী। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের টাকা রয়েছে। এছাড়া তার একটি গাড়ি রয়েছে। বিভিন্ন সময় সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে এসব অর্থ উপার্জন করেছেন আবেদ আলী। এসব অর্থ দিয়ে তিনি যেমন একদিকে বিলাসী জীবনযাপন করতেন, পরিবার নিয়ে তেমনি সামাজিক কাজেও এসব অর্থ ব্যয় করতেন। এছাড়া আবেদ আলী নিজ এলাকায় সরকারি জমি দখল করে ডেইরি ফার্ম নির্মাণ করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ করে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বললেও তা শোনেননি তিনি।

জানা যায়, সৈয়দ আবেদ আলী ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে কয়েক বছর আগে এলাকায় এসে মসজিদ নির্মাণসহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান শুরু করেন। এসব কাজ করে তিনি বেশ পরিচিতি অর্জন করেন। এরপর এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে একটি ডেইরি ফার্ম করতে ডাসার ইউনিয়নের কমলাপুর বাজারসংলগ্ন বড় ব্রিজের কাছে সরকারি খাল এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জমি দখল করেন। ওই জমিতে শতাধিক গরু পালন করা যায় এমন একটি স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি টের পেলে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি জমির ওপর নির্মিত স্থাপনা সরিয়ে নিতে বললেও আবেদ আলী তা সরিয়ে নেননি। বর্তমানে নির্মাণাধীন ওই স্থাপনাগুলো পতিত অবস্থায় রয়েছে।

যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন : হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক (সুমন) বলেছেন, বিসিএসের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হলে হাইকোর্টে যাব। কার কার আমলে প্রশ্নফাঁস হয়েছে সেটা বের করতে হবে। প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে কারা কারা প্রশাসনে ঢুকেছেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। গতকাল সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ছাত্ররা সারাদেশে কোটার জন্য আন্দোলন করছে। কিন্তু এরা কি জানে, সবচেয়ে বড় কোটা ‘চোর কোটা’, ‘দুর্নীতিবাজ কোটা’। এসব কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করলে আমরা সব সুবিধা পেতাম।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, একজন এমপি হিসেবে, একজন ব্যারিস্টার হিসেবে আমি মনে করি, এটা জাতির সামনে নিয়ে আসা আমার দায়িত্ব। আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে এটা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমি দেখতে চাই কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। না হলে প্রধানমন্ত্রী ও চিফ জাস্টিসের কাছে যাব। কেননা এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। প্রশ্নফাঁস তদন্তে কমিটি গঠনের সমালোচনা করে সুমন বলেন, যারা চোর, পুলিশ তাদের ধরবে। কমিটি করার দরকার কী। কমিটি করা মানে ঘটনা হজম করার জন্য সময় নেয়া।

প্রসঙ্গত, সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে গত সোমবার পিএসসির দুজন উপপরিচালক, একজন সহকারী পরিচালকসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী এবং তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম ফেসবুকে ভাইরাল হন। তাদের বাড়ি মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App