×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

ইসলামী ব্যাংকের ৩৩০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি

তথ্য চেয়ে দুদকের চিঠি

Icon

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : ইসলামী ব্যাংকের তিন হাজার ৩০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও নাবিল গ্রুপের ১১ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চিঠিতে ২০২২ সালের ২২ ডিসেম্বর ইসলামী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে। গত রবিবার দুদকের উপপরিচালক ইয়াসির আরাফাতের সই করা পাঠানো চিঠিতে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে বিস্তারিত রেকর্ডপত্র দুদকে সরবরাহ করার অনুরোধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুদকের জনসংযোগ শাখা এ বিষয়টি নিশ্চিত করে।

ওই চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জের ইউনাইটেড সুপার ট্রেডার্সের মালিক মো. গোলাম কিবরিয়া চৌধুরীসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ঋণের নামে ইসলামী ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বর্ণিত ঋণগুলো সম্পর্কে রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এতে আরো বলা হয়, চট্টগ্রামের চাকতাই ইসলামী ব্যাংক শাখার গ্রাহক মেসার্স মুরাদ এন্টারপ্রাইজ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখার গ্রাহক ইউনাইটেড সুপার ট্রেডার্স ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ব্যাংক খাতুনগঞ্জ করপোরেট শাখার গ্রাহক সেঞ্চুরি ফুড প্রোডাক্টস লি. ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ব্যাংকের রাজধানীর গুলশান করপোরেট শাখা, রাজশাহী ও নিউমার্কেট শাখা, রাজশাহী এবং পাবনা শাখা, পাবনার গ্রাহক নাবিল গ্রুপের ১১টি প্রতিষ্ঠানের ঋণ জালিয়াতির অনুসন্ধানকালে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়াও ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

দুদক সূত্র জানায়, ২০২২ সালে ইসলামী ব্যাংকের এ বেনামি ঋণের খোঁজ পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব ঋণের নথিপত্রে যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সে সময় এ সব ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া এসব ঋণ ফেরত অথবা খেলাপি করতেও বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগের অর্থের যথাযথ ব্যবহার না হওয়ার দায়-দায়িত্ব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং শাখা ব্যবস্থাপনার ওপর বর্তায়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App