×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

মৌলভীবাজার

হাকালুকি হাওরে জলাবদ্ধতা দীর্ঘ রূপ নিচ্ছে

Icon

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) থেকে : জেলার সাত উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও হাওরের রূপ ভিন্ন। বিশেষ করে হাকালুকি হাওর তীরবর্তী এলাকায় পানি না কমায় দীর্ঘ জলাবদ্ধতায় রূপ নিচ্ছে। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে হাকালুকি হাওর তীরবর্তী তিন উপজেলার বানভাসিদের। এদিকে গত দ্ইু দিনের বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের মনু ও কুশিয়ারা নদীর পানি আবারো বিপৎসীমার উপরে উঠে এসেছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানান, মৌলভীবাজারের চাঁদনীঘাট পয়েন্টে গতকাল মনুনদীর পানি বিপৎসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে এবং কুশিয়ারা নদী শেরপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। একই সঙ্গে জেলার জুড়ি নদী বিপৎসীমার ১৮৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে ধলই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

এদিকে মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওর তীরের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা এই তিনটি উপজেলার প্রায় ২ লাখ বন্যাকবলিত মানুষ এখনো চরম দুর্দশায় রয়েছেন। এর মধ্যে কুলাউড়া উপজেলার প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পানিবন্দি রয়েছে।

কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র শিপার ?উদ্দিন আহমদ জানান, অন্য বছরের মতো মানুষের জীবনরক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ মুখে রাস্তায় দুই-তিন ফুট পানি। এই দুর্ভোগ লাঘবে নির্মাণ করা হয়েছে ৩০০ ফুট লম্বা ভাসমান সেতু। তিনি জানান, হাকালুকি হাওরের পানি কুশিয়ারা নদী হয়ে নামে। কিন্তু কুশিয়ারায় নতুন করে আবারো বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুলাউড়া জুড়ি ও বড়লেখার নিম্নাঞ্চলে বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

এদিকে উজানের ঢলে আবারো শ্রীমঙ্গল উপজেলার সবুজবাগ, লালবাগ, রূপসপুর, সুরভীপাড়া, আশিদ্রোনসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ি ছড়ার পাড় ডুবে রাস্তাঘাটে পানি উঠেছে। এতে ভুগান্তিতে পড়েন এই উপজেলার মানুষ। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু তালেব জানান, এখানে ফ্লাস ফ্লাড হয়। হঠাৎ করে পানি এসে বেশ কিছু এলাকা ডুবিয়ে দেয় আবার ৩-৪ ঘণ্টা পর তা চলে যায়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App