×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করেছে টাইগাররা

Icon

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এবার বিশ্বকাপে টাইগার বোলাররা অসাধারণ বোলিং করেছে। এমন বোলিং অন্য কোনো দল করলে সেই দল চ্যাম্পিয়ন হতো। গতকাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের অনেক কিছু পাওয়ার ম্যাচ ছিল। সেমিফাইনালে যাওয়ার মোক্ষম সুযোগটি হাতছাড়া করেছে হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। এমন সুযোগ বারবার আসে না। আবার কত বছর পর সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ আসবে তা বলা মুশকিল। ব্যাটাররা একটু আন্তরিক এবং দলের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকলে আফগানদের চ্যালেঞ্জের জবাব দেয়া কঠিন ছিল না।

টাইগার ব্যাটারদের মধ্যে ভালো কিছু করার প্রেরণার অভাব চিরাচরিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এবং আফগান খেলোয়াড়দের মধ্যে ভালো কিছু করার যে জেদ বা আকাক্সক্ষা রয়েছে, তা টাইগার ব্যাটারদের মধ্যে নেই। তাদের খেলা দেখে মনে হয় তারা দলের জন্য খেলে না, তারা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য খেলে। তাদের লক্ষ্য থাকে ব্যাট করতে নেমে কিছু রান করা। আর এ রান করতে পারলে পরের সিরিজের জন্য দলে জায়গায় নিশ্চিত। টি-টোয়েন্টি রানের খেলা। এখানে মেরে খেলতে হয়। এখানে ডট বল দেয়ার সুযোগ নেই। আপনি প্রতি বলে বলে চার-ছয় মারবেন তাও নয়। ৬ বলের মধ্যে আপনি ৪টি সিঙ্গেল নেন তার পর মারার বল পেলে বাউন্ডারি হাঁকান।

শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলার পরিকল্পনা করতে হবে। দলের প্রয়োজনে মেরে খেলতে হবে আউট হওয়ার ভয় পেলে চলবে না। মোদ্দা কথা মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। ভেতরে ভেতরে জিদ রাখতে হবে। আমিও পারব। আমাদের জিততে হবে। আগে হাল ছাড়লে চলবে না। অমুকে পারে আমি কেন পারব না। এ জেদ থাকতে হবে। আমরা ইংল্যান্ড-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচে দেখেছি ইংলিশরা ৯.৪ ওভারে ১১৭ রান করেছিল। আমরা মিরপুরের উইকেটে জিতব। এমন ধারণা পরিহার করতে হবে। যখন যেখানে খেলব সেখানেই জয়ের জন্য মাঠে নামব।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সামনে আরো কঠিন সময় আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নেপাল, ডাচরা ভালো ক্রিকেট খেলছে। আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। আমাদের ব্যাটারদের নেগেটিভ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করতে হবে। বাউন্ডারি হাঁকানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। শান্ত, হৃদয়, রিয়াদ ও রিশাদ দারুণ ছক্কা হাঁকাতে পারেন। আফগান ব্যাটাররা দিনে দিনে উন্নতি করছে আর আমাদের ব্যাটাররা ছন্দই খোঁজে পাচ্ছেন না। আমাদের খেলোয়াড়দের মানসিকতার সঙ্গে সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনা দরকার। ইনজুরির ভয়ে আমরা তাসকিন-শরিফুলদের আইপিএলে খেলতে দেই না। ইনজুরি হলে সব জায়গাই ইনজুরি হতে পারে। বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়েছেন শরিফুল। আইপিএলের মতো বড় বড় আসরে খেললে খেলোয়াড়দের চিন্তা-চেতনায় বড় পরিবর্তন আসে। আফগানদের অধিকাংশ খেলোয়াড় আইপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলে থাকে।

বিশ্বকাপ শেষ এবার সামনে বিভিন্ন সিরিজ আসছে। দল গঠনের সময় নির্বাচকদের সতর্কতার সঙ্গে খেলোয়াড় বাছাই করতে হবে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে তরণদের বেশি সুযোগ দিতে হবে। মেধাবী খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে হবে। ঘরোয়া লিগে যারা ভালো পারফরম্যান্স করবে তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। শামীম পাটোয়ারি, এনামুল হক বিজয়, পারভেজ ইমন, দিপু , আফিফ হোসেন ও জাকির হোসেনদের দিকে নজর দিতে হবে। সিনিয়রদের উচিত হবে জুনিয়রদের খেলার সুযোগ করে দেয়া।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App