×

প্রথম পাতা

সবার আগে সেমিতে প্রোটিয়ারা

Icon

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সবার আগে সেমিতে প্রোটিয়ারা

কাগজ ডেস্ক : সুপার এইটে টানা দুই ম্যাচ জিতে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে ১৮ রানে হারানোর পর গতকাল ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। ১৬৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে ১০.২ ওভারে ৬১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। ফিল সল্ট, জনি বেয়ারস্টো, জশ বাটলার ও মঈন আলিকে হারিয়ে দল যখন চাপে সে মুহূর্তে পঞ্চম উইকেটে লিয়াম লিভিংস্টোন হ্যারি ব্রুককে নিয়ে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। লিভিংস্টোন ১৭ বলে ৩৩ রান করে কাগিসো রাবাদার বলে আউট হন। এরপর ইংলিশদের হয়ে একাই লড়াই করতে গিয়ে ৩৭ বলে ৫৩ রান করে নরকিয়ার বলে মার্করামের তালুবন্দি হন হ্যারি ব্রুক। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। ৩৮ বলে ৬৫ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন কুইন্টন ডি

কক। আগামীকাল বার্বাডোজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে খেলবে মঈন-বাটলাররা। ২৪ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

বিশ্বকাপের সুপার এইটে গতকাল সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড। ৬ ওভারের পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তুলে প্রোটিয়ারা। পরের ১৪ ওভারে ১০ উইকেট হাতে রেখেও ৮৪ বলে মোটে ১০০ রান তুলতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংলিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপক্ষে কুইন্টন ডি ককের ঝড়ো ফিফটি ও ডেভিড মিলারের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রানের সংগ্রহ পায় প্রোটিয়ারা। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর দাঁড়ায় বিনা উইকেটে ৬৩। যার মধ্যে ডি ককের একাই ৪৯। পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই ফিফটি তুলে নেন ডি কক। ২২ বলে ৩টি চার ও ৪ ছক্কার মারে চলতি আসরের দ্রুততম ফিফটি তুলে নেন এ বাঁহাতি। একপ্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তুলছিলেন ডি কক, অন্যপ্রান্তে ঢিলেতালে খেলছিলেন হেনড্রিকস। দশম ওভারের পঞ্চম বলে শেষ হয় তার ২৫ বলে ১৯ রানের ইনিংস।

হেনড্রিকসের বিদায়ে ক্রিজে আসেন হেনরিখ ক্লাসেন। তবে তার সঙ্গে জুটি বাঁধার আগেই ফিরে যেতে হয় ডি কককে। জোফরা আর্চারের বল ডি ককের ব্যাটে চুমো খেয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল, বাজপাখির মতো উড়ে এক হাত দিয়ে সেটা গøাভসবন্দি করেন বাটলার। প্রোটিয়া ওপেনার ফেরেন ৩৮ বলে ৬৫ রান করে। তার ইনিংসে ছিল সমান চারটি করে চার ও ছক্কা।

ডি ককের আউটে ঝিমিয়ে পরে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে আসে ইংল্যান্ডের হাতে। তাতে ১৩ বলে ৯ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ক্লাসেনও। এরপর ডেভিড মিলার ও এইডেন মার্করাম জুটি বাঁধতে চাইলে বাধা হয়ে দাঁড়ান আদিল রশিদ। রশিদের ঝুলিয়ে দেয়া বলটা অফসাইডে খেলতে গিয়ে লেগ স্টাম্প হারান মার্করাম। ২ বলে করেন ১ রান।

দল নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও চড়াও হতে চেষ্টা করেন মিলার। আর্চারকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অনে হ্যারি ব্রুকের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন মিলার। সাজঘরে ফেরার আগে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন জোফরা আর্চার। এছাড়া মঈন আলি এবং আদিল রশিদ একটি করে উইকেট নেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App