×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

চট্টগ্রামের বাজার বেড়েছে সবজি ও মুরগির দাম

Icon

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম অফিস : বাজার নিয়ন্ত্রণে না থাকায় চট্টগ্রামে কাঁচা মরিচ, আলু, পেঁয়াজ সবজি ও মুরগির দাম বেড়েছে। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে নানা ধরনের নিত্যপণ্যও। এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটির কারণে চট্টগ্রামের বাইরে থেকে সবজির গাড়ি আসছে না। তাই পণ্য সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আড়ত থেকে তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করছে তারা। তবে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দাম কমবে।

গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার ও চকবাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে। তাই এদিন প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। বাজারে প্রতি কেজি কাঁকরোল ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুরমুখি ১২০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৬০, ঝিঙা ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০, বেগুন ৮০ থেকে ৭০ টাকা, করোলা ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও প্রতি পিস লাউ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়।

শুক্রবার পাইকারিতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৮০-৮৫ টাকা। যা ঈদের আগে পাইকারিতে ৭৫-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। খুচরা পর্যায়ে ছিল ৯০ টাকা। ঈদের আগে বাজারে আলুর কেজি ছিল ৬০ টাকা। শুক্রবার দাম বেড়ে তা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়।

এদিকে ঈদের আগে ব্রয়লার মুরগির দাম কমে গিয়েছিল। তবে ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি ৩৭০-৩৮০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ৩০০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হয়।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৫০ টাকা, রুই মাছ কেজি প্রতি ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা মাছের কেজি ৬০০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট পাঙাশ ২০০ টাকা, চিংড়ি ৬২০ টাকা, শিং মাছ কেজি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ইলিশ সাইজভেদে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, টেংরার কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। সরপুঁটি মাছ কেজি প্রতি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং দেশি পুঁটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

রিয়াজুদ্দিন বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর ভেবেছিলাম মাছ কিনবো। কিন্তু বাজারে এসে দেখি সবজি, মাছ, মুরিগসহ সব পণ্যের দাম বেশি। কাঁচা মরিচের বাজারে আগুন। দিন দিন সব কিছু মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। এ কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝেই তাদের রূপ পাল্টায়। এছাড়া সরকার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দর-দাম ঠিক রাখার জন্য ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবার ঈদের আগে-পরে প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নেয় অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন অবস্থায় যদি ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মাঠে থাকতে না পারেন, তাহলে কী কিছু আর বলার থাকে?

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App