×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

হাটে পশু পর্যাপ্ত, দাম চড়া

Icon

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

হাটে পশু পর্যাপ্ত, দাম চড়া

মুহাম্মদ রুহুল আমিন : পবিত্র ঈদুল আজহার আর বাকি মাত্র ৪ দিন। ঈদকে ঘিরে ঢাকায় এবার ২০টি পশুর হাট বসিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। হাট বসানোর যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ। ট্রাক ও পিকআপে করে হাটে পশু আনছেন খামারি ও বেপারিরা। হাট শুরুর আগেই নির্ধারিত স্থানে গবাদি পশু রেখে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। ক্রেতারা হাটে এসে পশুর দরদাম জানার চেষ্টা করছেন। আজ বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরোদমে শুরু হবে কেনাবেচা। তবে ঢাকায় সাধারণত হাট শুরুর দুই দিন পর অর্থাৎ ঈদের আগের দুই দিন পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হয়। চলে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত। পশু রাখার পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে এমনটা করে থাকেন ঢাকার বেশির ভাগ বাসিন্দা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আছে ব্যতিক্রমও। এরই মধ্যে কেউ কেউ আবার গরু কিনেছেনও। তাদের বেশির ভাগই রেখেছেন খামারেই।

ইজারার শর্ত অনুযায়ী, আজ থেকে পশু কেনাবেচা শুরু হবে। সরজমিন গতকাল বুধবার রাজধানীর শাহজাহানপুর, কমলাপুর, মেরাদিয়া হাট ঘুরে দেখা গেছে কুরবানির পশু উঠেছে এসব হাটে। ঢাকার সবচেয়ে বড় দুটি স্থায়ী হাট গাবতলী ও সারুলিয়ায় পশুতে ভরে উঠেছে বেশ আগে থেকেই। গতকাল বুধবার বিকালে শাহজাহানপুর হাটে গরু ও ছাগল বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ সংখ্যা খুবই কম। তবে দরদাম করতে দেখা গেছে ক্রেতার ভিড়। হাটটি ঘুরে দেখা যায়, নানা রকমের পশুতে ভরে উঠেছে। ক্রেতার আনাগোনাও বেড়েছে। হাটের মূল প্রাঙ্গন মৈত্রী সংঘের মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের খালি এলাকায় সারি সারি করে গরু বেঁধে রাখা হয়েছে। হাটের এক পাশে বসানো হয়েছে ছাগলের হাট। খিলগাঁও আমতলী মোড় থেকে রেলওয়ে কলোনীর ফাঁকা জায়গা, মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজের সামনের সড়ক, পুরাতন শাহজাহানপুর থানা ও মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশের রাস্তার দুই পাশে গরু রাখা হয়েছে। গরুর পাশাপাশি রাস্তার পাশে গো-খাদ্য বিক্রির জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এছাড়া নানা রঙের মালাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তরুণদের পছন্দের গরুর সঙ্গে সেলফি তুলতেও দেখা গেছে। হাট ইজারা কমিটি হাটের প্রবেশপথে কাউন্টার স্থাপন করেছে। ক্যাশ বাক্স নিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে কমিটির লোকজনদের। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা স্টান্ডবাই প্রস্তুত আছেন। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও আনসারসহ আছেন র‌্যাব সদস্যরাও। জাল টাকা শনাক্তের মেশিন বসানো হয়েছে। পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভেটেরিনারি চিকিৎসকও আছেন হাটে।

শাহাদাত হোসেন জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন থেকে ২৯টি নিজের অ্যাগ্রো ফার্মের বড় ও মাঝারি সাইজের গরু এনেছেন। মা অ্যাগ্রো ফার্ম নামে গ্রামে তার নিজের ফার্ম রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দুটি ট্রাকে করে গরু নিয়ে শাহজাহানপুর হাটে আসেন। প্রতিটি ট্রাকের ভাড়া ২৬ হাজার টাকা। বেপারি শাহাদাত জানান, মঙ্গলবার রাতে গরু হাটে নিয়ে এসেছি। আরো গরু প্রস্তুত করা আছে। এগুলো বিক্রি হলে বাকীগুলোও বিক্রির জন্য নিয়ে আসব। এখন পর্যন্ত কোনো গরু

বিক্রি হয়নি। তবে ক্রেতারা আসছেন, দরদাম করছেন। তার আনা কালো রঙের সবচেয়ে বড় গরুটির দাম তিনি হাঁকছেন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। গতকাল ৪ জন বিক্রেতা এসেছেন। তাদের মধ্যে একজন ৩ লাখ ৩০ হাজার দাম বলেছেন। এই দামে তিনি গরু বিক্রি করবেন না। তার দাবি, ক্রেতারা যে দাম বলছেন, সেই দামে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। কারণ গো-খাদ্যের দাম চড়া। তার সঙ্গে আছে আনা নেয়ার খরচ। তবে এই গরুটি ৪ লাখ টাকা হলে বিক্রি করবেন তিনি। ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিচে তিনি কোনো গরু বিক্রি করবেন না বলেও জানান।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর ফয়সী ইউনিয়নের বাসিন্দা মিলন আহমেদ। মঙ্গলবার বিকালে ৩টা মাঝারি সাইজের গরু বিক্রির জন্য এনেছেন। অন্য বেপারিদের সঙ্গে শেয়ার করে ট্রাকে গরু নিয়ে এসেছেন। প্রতিটি গরুর জন্য তাকে ভাড়া গুনতে হয়েছে ১৭ শ টাকা করে। গতকাল পর্যন্ত ৫০ জনের বেশি ক্রেতা গরুর দাম বলেছেন। তার আনা সাইজে একটু বড় গরুটির দাম তিনি হাঁকছেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কিন্ত বিক্রেতারা ১ লাখের ওপরে দাম বলছেন না। তিনিও এক লাখের নিচে বিক্রি করবেন না। তার আনা একটু মাঝারি সাইজের গরুর দাম তিনি চাইছেন ৮০ হাজার টাকা। ক্রেতারা ৬০ হাজার পর্যন্ত দাম বলেছেন। জাহানারা বেগম নামের গৃহিণী তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গরু দেখতে এসেছেন। তিনি ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। কিন্তু বিক্রেতা এই দামে গরু বিক্রি করবেন না। ভোরের কাগজকে জাহানারা বলেন, ঘুরছি, দেখছি। হাটে নানা সাইজের গরু উঠেছে। কিন্তু দাম বেশি চাচ্ছেন বিক্রেতারা।

রাজধানীর কমলাপুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, সেখানেও প্রচুর গরু আনা হয়েছে। দেশি মাঝারি সাইজের গরুর সংখ্যাই বেশি। এখনো গরু আনছেন বেপারিরা। টুকটাক বিক্রিও শুরু হয়েছে। হাট ইজারা সংশ্লিষ্ট মুরাদ হোসেন ভোরের কাগজকে জানান, গতকাল বুধবার সকালে ১টি গরু ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। এই হাটে এটাই প্রথম গরু বিক্রি। ৫ ভাগ হারে হাসিল দিয়ে বিক্রেতারা গরু কিনছেন।

কুষ্টিয়া থেকে জাকির হোসেন নামের এক বেপারি ১২টি গরু কমলাপুর হাটে এনেছেন। সব গরু তার নিজের খামারের। তিনি জানান, বুধবার সকালে ১২টি গরু একটি ট্রাকে করে নিয়ে এসেছি। ট্রাক ভাড়া দিতে হয়েছে ২৮ হাজার টাকা। সব গরুই মাঝারি সাইজের। তার আনা সবচেয়ে বড় গরুটির দাম তিনি চাইছেন আড়াই লাখ টাকা। ক্রেতারা ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যন্ত দাম বলেছেন। কিন্তু এই দামে তিনি গরু বিক্রি করবেন না। গতকাল বিকেল পর্যন্ত কোনো গরু বিক্রি করেননি তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯টি হাট : এবার গাবতলীর স্থায়ী হাটটিসহ মোট ৯টি হাটের ইজারা দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। হাটগুলো হলো- উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরসংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসংলগ্ন খালি জায়গা, খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্টসংলগ্ন পশ্চিমপাড়ার খালি জায়গা, মিরপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, ভাটারা সুতিভোলা খালসংলগ্ন খালি জায়গা, মোহাম্মদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তরার ভাটুলিয়া সাহেব আরী মাদ্রাসাসংলগ্ন খালি জায়গা এবং দক্ষিণ খান থানার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের জামুন এলাকার খালি জায়গা। তবে দক্ষিণখানের হাটটি গতকাল পর্যন্ত ইজারা চূড়ান্ত হয়নি। ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসেন গতকাল ভোরের কাগজকে বলেন, এই হাটটি আজকের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। দক্ষিণখানের হাটটিসহ এবার মোট ৯টি হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএনসিসি। প্রতিটি হাটেই মনিটরিং করা হবে। ইজারাদাররা যেন ইজারার শর্ত লঙ্ঘন না করে সেজন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকটি টিম এগুলো দেখাশোনা করবে। এরই মধ্যে তারা কাজও শুরু করেছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১১টি হাট : এবার একটি স্থায়ীসহ মোট ১১টি হাট বসিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সব কটি হাটের ইজারা চূড়ান্ত হয়েছে। হাটগুলি হলো- খিলগাঁও রেলগেট মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, হাজারীবাগের ইনস্টিটিউট অব লেদার টেকনোলজি মাঠ, পোস্তগোলা শ্মশানঘাট পাশের খালি জায়গা, বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজারের পাশের খালি জায়গা, লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব ও কমলাপুর স্টেডিয়ামের পাশের খালি জায়গা, দনিয়া কলেজের আশপাশের খালি জায়গা, ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনালের পাশের খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউন, রহমতগঞ্জ ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডের পাশের খালি জায়গা এবং ডেমরার সারুলিয়ায় সিটি করপোরেশনের স্থায়ী হাট।

নারায়ণগঞ্জে হাট কাঁপাবে অর্ধকোটির হামজা : প্রতিবারের মতো এবারও লালনপালন করা গরুগুলোর আকর্ষণীয় নামকরণ করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। তবে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আলোচনায় রয়েছে অর্ধকোটির ‘হামজা’- যা দেখতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। গরুটি গত বছর ঢাকায় আয়োজিত ক্যাটেল এক্সপোর প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

আমাদের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের এবার গরুর হাটের অনুমতি পেয়েছে ৮টি। ইতোমধ্যে হাট কাঁপাতে সবগুলো হাটে গরু পৌঁছেও গেছে- যা ক্রেতাদের আনাগোনায় লক্ষণীয়।

এদিকে আর কে অ্যাগ্রো ফার্মের তিন আকর্ষণে এখন পর্যন্ত আলোচনার শীর্ষে রয়েছে। এবার ফার্মটির খামারের মূল আকর্ষণ হচ্ছে আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত ব্রাহমা জাতের একটি গরু- যার নাম দেয়া হয়েছে ‘হামজা’। এক হাজার ১০০ কেজি ওজনের (প্রায় ৩০ মণ) হামজার দাম হাঁকা হচ্ছে ৫০ লাখ টাকা। অর্ধকোটির এই হামজা গত বছর ঢাকায় আয়োজিত ক্যাটেল এক্সপোর প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বলে জানিয়েছে আর কে অ্যাগ্রো ফার্মের তত্ত্বাবধায়ক সামাদ মিয়া।

তার ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৩৫ লাখ মূল্য উঠেছেন অর্ধকোটির হামজার। ৬ ফুট উচ্চতার আকর্ষণীয় এই হামজাকে দেখতে প্রতিদিন আর কে অ্যাগ্রো ফার্মটিতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতারা ভিড় জমান। সেখানে ঘুরে নিজেদের সাধ্যমতো পছন্দের পশু কেনার পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকার হামজার সঙ্গে সেলফিও তোলেন।

আর কে অ্যাগ্রো ফার্ম গত বছরের মতো এবারের ঈদেও বাংলা চলচ্চিত্রের দুই তারকার নামে গরুর নাম দিয়েছেন। তারকা নামখ্যাতরা হলেন শাকিব খান ও জায়েদ খান। এ গরু দুটি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। খামার কর্তৃপক্ষ শাকিব খানের দাম ১৫ লাখ টাকা আর জায়েদ খানের দাম ১৪ লাখ টাকা বললেও অবশেষে ১২ লাখ টাকায় শাকিব খানকে বিক্রি করা হয়েছে। তবে জায়েদ খান এখনো অবিক্রীত রয়েছে।

জানা গেছে, শাকিব খান নামের গরুটি সাড়ে ৩ বছরের শাহীওয়াল জাতের। এর ওজন ২৫ মণ। সাদা ধূসর রঙের গরুটি লম্বায় প্রায় ১০ ফুট, উচ্চতায় ৫ ফুট। লাইভ ওয়েট হিসেবে এর কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা।

ফার্মে গরু দেখতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী সঙ্গে কথা বললে তারা বলে, হাতে যথেষ্ট সময় থাকায় বিভিন্ন হাট ঘুরে হামজার নাম শুনে দেখতে এসেছেন তারা। ক্রয় করতে না পারলেও ছবি তুলে আনন্দ উপভোগ করছেন।

আর কে অ্যাগ্রো ফার্মের তত্ত্বাবধায়ক সামাদ মিয়ার কাছে চড়া মূল্যের এই হামজার বিশেষত্ব জানতে চাইলে তিনি বলেন, হামজা দেখতে বড় আকৃতির। ওজনে ১ হাজার কেজিরও বেশি এবং এই গরুটি দেশব্যাপী আলোচিত। গত বছর ঢাকায় আয়োজিত ক্যাটেল এক্সপোর প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এটি। তাদের ফার্মে দেশি, শাহি ওয়াল, হরিয়ানা, সিন্ধি ও ব্রাহমাসহ বিভিন্ন জাতের ছয় শতাধিক গরু রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App