×

প্রথম পাতা

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার

হরিলুটের দায় নিচ্ছে না কেউ

Icon

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

হরিলুটের দায় নিচ্ছে না কেউ

কাগজ প্রতিবেদক : মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার হারানো, হাজার হাজার কর্মীর প্রতারিত হওয়া এবং শ্রমবাজার নষ্ট হওয়ার পেছনে দায় কার- এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সরকার। রেমিট্যান্সের অন্যতম এই বড় বাজার ঘিরে বছরের পর বছর ধরে সিন্ডিকেট চিহ্নিত হলেও পরিত্রাণ মিলছে না। কর্মী পাঠানোর নামে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা লুটে নেয়ার নেপথ্যে নাম এসেছে চার এমপির। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিএমইটির কর্মকর্তাদের অনেকেও আছেন এই সিন্ডিকেটে। টাকা দিয়েও শেষ পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক কর্মী মালয়েশিয়া যেতে না পারায় তোলপাড় শুরু হলেও এর দায় নিচ্ছে না কেউ। ১০১ রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠানোর সুযোগ পেয়েছে বলা হলেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে রিক্রুটিং এজেন্সি মালিক চার এমপির বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে এক এমপির এজেন্সি থাকলেও চাহিদাপত্রের বিপরীতে তার এজেন্সি কোনো লোক পাঠায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। অন্য এজেন্সি কাজ করে আর তিনি কমিশন পান এমন অভিযোগ পুরনো। দায়ীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে তদন্ত কমিটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিকর্মী যেতে না পারার বিষয়টি অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল বুধবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে কর্মী যান, এটা স্বাভাবিক। সরকার আইন, সুযোগ-সুবিধা তৈরি করার পরও কেউ কেউ দালাল ধরে যান। কিন্তু এবার মালয়েশিয়া পাঠানোর ক্ষেত্রে কেন এত মানুষ বিড়ম্বনায় পড়ল, সেটি অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, যখনই সব ঠিক করা হয়, লোক পাঠানোর জন্য তখনই দেশের ও মালয়েশিয়ার একশ্রেণির ম্যানপাওয়ার ব্যবসায়ী তড়িঘড়ির চেষ্টা করে। ফলে জটিলতা ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে তাদের চাকরি ও কর্ম কিছুই ঠিক থাকে না। সরকারপ্রধান বলেন, কিছু মানুষ আছে দ্রুত তড়িঘড়ি করে যেতে চায়। নিয়ম মানতে চায় না। মালয়েশিয়ার ঘটনায় দায়ী যে বা যারা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, সব প্রক্রিয়া শেষে ভিসা পাওয়ার পরও ১৭ হাজার বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় যেতে না পারার ঘটনায় দায়ীদের ছাড় দেয়া হবে না। মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। গতকাল দুপুরে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের

যে অ্যাগ্রিমেন্ট ছিল, তাতে (মালয়েশিয়ায় প্রবেশের) শেষ তারিখ ছিল ৩১ মে। সেটা অনুযায়ী মালয়েশিয়ান সরকারও চেষ্টা করেছে, আমরাও চেষ্টা করেছি। আমাদের প্রায় ১৭ হাজার মানুষের ভিসা ইস্যু হয়েছে। হাইকমিশনের মাধ্যমে আমরা আপিল করেছি, অন্ততপক্ষে যে ১৭ হাজার মানুষ ভিসা পেয়েছে, তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ ও কাজের সুযোগ দেয়ার জন্য। মালয়েশিয়ার হাইকমিশন আজো বলেছে তারা সময়সীমা বাড়াবে না- এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা অনুরোধ করেছি। কারণ আমাদের গরিব যারা মালয়েশিয়ায় চাকরির জন্য অর্থ ব্যয় করেছে তারা যাতে যেতে পারে। তিনি বলেন, ছয় সদস্যের তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। কমিটি বের করবে কাদের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তারা ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। যাদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট আসবে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। শফিকুর রহমান আরো বলেন, যাদের বিএমইটির (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) কার্ড হয়েছে, যারা ই-ভিসা পেয়েছে, যারা আবেদন করেছে, তাদের ব্যাপারেও মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (বায়রা) মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেছেন, মালয়েশিয়া থেকে বলা হয়েছে ৩১ মে থেকে আর ঢুকতে পারবে না। অথচ ২৮ মে ভিসা ইস্যু করেছে, ২ জুনও ভিসা ইস্যু করেছে। তাদের কথা ও কাজে মিল নেই। সেখানকার সিন্ডিকেট আর এখানকার সিন্ডিকেট এক হয়ে এসব করছে। সিন্ডিকেট চায় না ২৭০০ সদস্য কাজ করুক। তারা কয়েকজনই কাজ করতে চায়। সেজন্যই সমস্যা তৈরি হয়ে তা জটিল হয়েছে। তিনি বলেন, যারা টাকা দিয়ে যেতে পারেননি তাদের খুঁজে বের করে টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করবে বায়রা। শুধু মালয়েশিয়া নয়, কোরিয়ার বাজারেও সিন্ডিকেট রয়েছে। সংকটের জন্য মূলত সিন্ডিকেট দায়ী। সব কিছু চিহ্নিত হলেও তাদের কিছু হচ্ছে না। মধ্য থেকে কর্মী যেতে না পারায় আমরা রেমিট্যান্স হারাচ্ছি। আলী হায়দার দাবি করেন, ৩০-৩২ হাজারের কথা বলা হলেও ভিসা পেয়ে যেতে পারেননি এমন কর্মীর সংখ্যা ৪-৫ হাজারের বেশি হবে না। তিনি বলেন, এর দায় কাউকে না কাউকে তো নিতেই হবে।

জানা গেছে, ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর স্নিগ্ধা ওভারসিজ লিমিটেড (আরএল-১৫৫১), ঢাকা-২০ আসনের এমপি বেনজীর আহমদের আহমদ ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১১৪৬), ফেনী-৩ আসনের জাতীয় পার্টির এমপি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (আরএল-১৩২৭), কুমিল্লার এমপি আ হ ম মুস্তফা কামালের স্ত্রী কাশমেরী কামালের অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ (আরএল-১১৩) এবং তার মেয়ে নাফিজা কামালের অরবিটাল এন্টারপ্রাইজের (আরএল-১৪৫৭) মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছে মালয়েশিয়ায়। অভিযোগ রয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে আসা চাহিদাপত্র ধরে কর্মী পাঠায় অন্য এজেন্সি বা দালাল চক্র। কর্মী যেতে ছাড়পত্র দেয় জনশক্তি কর্মসংস্থান এবং প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)। চাহিদাপত্রের সূত্রে এমপিদের প্রতিষ্ঠানকে প্রতি কর্মীর জন্য ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে বলেও অনেক এজেন্সি দাবি করেছে।

এদিকে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত মঙ্গলবার পুনরায় বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে আর কর্মী নেয়া হবে না। গত ৩১ মে বন্ধ হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। কিন্তু হাজার হাজার কর্মী রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালালদের টাকা দিয়েও মালয়েশিয়ায় যেতে না পারায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

অন্যদিকে যে সব কর্মী নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়া যেতে পারেনি তাদের তথ্য চেয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। মঙ্গলবার এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) স্মার্ট কার্ড পাওয়ার পরও অনেক রিক্রুটিং এজেন্সি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৩১ মে) মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে। এর কারণ চিহ্নিত করতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নূর মোহাম্মদ মাহবুবের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেসব কর্মী নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়া যেতে পারেনি আগামী ৮ জুনের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য (নাম, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, পাসপোর্ট নম্বর, বিএমইটির স্মার্ট কার্ডের কপি এবং অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণসহ) দিয়ে ই-মেইলের (বহয়ঁরৎু.পড়সসরঃঃবব.সধষধুংরধ@মসধরষ.পড়স) মাধ্যমে অভিযোগ করতে পারবেন। এ পরিস্থিতিতে উল্লেখিত ই-মেইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ দাখিলের জন্য মালয়েশিয়া গমনেচ্ছুদের অনুরোধ করা হয়েছে।

অপরদিকে যারা টাকা দিয়েও মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, তাদের টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে বায়রা। মঙ্গলবার বায়রার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন হলে সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায় এ আশ্বাস দেন বায়রা সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার। তিনি বলেন, যারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি তাদের সবার টাকা ফেরত দেয়া হবে। যেসব এজেন্সি তাদের দেশটিতে পাঠাতে পারেনি তাদের নামের তালিকা করা হবে। এজেন্সিকে কত টাকা দিয়েছে তারও তালিকা হবে। এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে টাকা আদায় করে কর্মীদের দেয়ার জন্য বায়রার পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেব। বায়রা সভাপতি বলেন, ১০১ জন ব্যবসা করেছে, তাদের সুযোগ দিয়েছে কে? নিশ্চয় দুই দেশের মন্ত্রণালয়। এখানে আমাদের সরকার ও মালয়েশিয়ান সরকার একটি চুক্তি করেছে। কতজন লোক লাগবে, কীভাবে নির্ধারণ করবে সেই চুক্তি করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। এই চুক্তি বায়রার সঙ্গে করেনি। আর ওই চুক্তি মোতাবেক মালয়েশিয়া সরকার ১০১ এজেন্সিকে চিহ্নিত করেছে। বায়রার সদস্যদের এখানে কিছুই করার নেই।

১৯৯৪ সালেও সিন্ডিকেট হয়েছিল জানিয়ে মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, সেটা ভেঙে দিয়ে সদস্যদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছিলাম। এরপর ২০০৮ ও ২০১৬ সালেও সিন্ডিকেট হয়েছে। একটা স্বার্থান্বেষী মহল চায় কোটিপতি থেকে আরো কোটিপতি হতে। তিনি বলেন, ২০০৮ ও ২০১৬ সালে সিন্ডিকেটের কারণে এয়ারপোর্ট থেকে আমাদের কর্মীদের রিসিভ করেনি মালয়েশিয়া। এটা আমাদের সরকারও জানে। মালয়েশিয়া এ ধরনের কর্মকাণ্ড সব সময় চালিয়ে থাকে। তবে কর্মীদের কাছ থেকে তিন থেকে চারগুণ বেশি টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বায়রা সভাপতি বলেন, এই যে ৫ লাখ, ৪ লাখ টাকা নেয়া হচ্ছে অভিযোগ ওঠেছে এটা সঠিক নয়। এ রকম কথার কথা অনেকে বলে।

সভায় বায়রার সাবেক মহাসচিব মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্বপন বলেন, গত ৩১ মে পর্যন্ত মালয়েশিয়া সরকার ই-ভিসা ইস্যু করেছে। বাংলাদেশ সরকার অনুমোদন দিয়েছে। ৩০ বা ৩১ মে যদি ই-ভিসা ইস্যু করা হতো তাহলে সংকট তৈরি হতো না। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মালয়েশিয়া সরকার বিষয়টি দেখলে এ সমস্যা সৃষ্টি হতো না। সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ ও নিজাম উদ্দিন হাজারী দাবি করেছেন, তারা লুটপাটে জড়িত নন এবং বাজার সিন্ডিকেট করেননি। যদিও রিক্রটিং এজেন্সি ও দালাল চক্র মিলে জনপ্রতি ৫-৭ লাখ টাকা করে নিলেও জাল টিকেট দেয়ায় অনেকে মালয়েশিয়া যেতে পারেননি এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, গত শুক্রবার (৩১ মে) পর্যন্ত দেশটিতে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৬ জন বাংলাদেশিকর্মীকে পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু বিএমইটি ছাড়পত্র দেয় প্রায় ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬৪২ জনকে। শেষ মুহূর্তে অজ্ঞাত কারণে বাদ দেয়া হয় ৩২ হাজার কর্মীকে। কথা ছিল, কর্মীরা জনপ্রতি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা করে দেবেন। এ খরচের ভেতর আছে- পাসপোর্ট খরচ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিবন্ধন ফি, কল্যাণ ফি, বিমাকরণ, স্মার্ট কার্ড ফি ও সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির সার্ভিস চার্জ। আর ঢাকা থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার উড়োজাহাজ ভাড়াসহ ১৫টি খাতের খরচ বহন করবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় তালিকাভুক্ত ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৬৪২ জনের কাছ থেকে সিন্ডিকেট করে মালয়েশিয়ার আমিন নুর ও দেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো হাতিয়ে নেয় নির্ধারিত ফি বাদে গড়ে পৌনে ৫ লাখ টাকা করে, যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App