×

প্রথম পাতা

সংকটকালীন বাজেট নিয়ে জনপ্রত্যাশার চাপে সরকার

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশ। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত পূরণের চাপ। সঙ্গে যোগ হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ, আর্থিক খাতের সংস্কার, বাড়তি রাজস্ব আদায়, বিদ্যুতে ভর্তুকি, ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেয়ার বিষয় এবং একই সঙ্গে বিপুল অঙ্কের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন। মহামারি ও যুদ্ধের আঘাতে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব এখনো দেশের অর্থনীতিতে। খাদ্য ও সার্বিক মূল্যস্ফীতির পারদ চড়ছেই। গত এক বছরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তেমন কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান নয়। বিশ্লেষকরা বলে আসছেন, এবারের বাজেটে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে অর্থমন্ত্রীকে। এসব নানামুখী চাপের মধ্যে ব্যবসায়ী ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। কাল বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন তিনি।

চাপে থাকা দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে উদ্যোক্তা ও শিল্প মালিকরা বেশ কিছু নতুন দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করছেন, যার প্রতিফলন বাজেটে দেখতে চান তারা। এর ধারবাহিকতায় কর হার না বাড়ানো ও কর ছাড় সুবিধা বহাল রাখাসহ বেশ কিছু দাবি নিয়ে স¤প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও দেখা করেছেন ব্যবসায়ী নেতারা। তারা ব্যাংক ঋণের সুদহার ১৫ শতাংশের মধ্যে রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন।

এফবিসিসিআই : আসন্ন বাজেটে ব্যবসার খরচ কমাতে বিশেষ নজর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। সংগঠনটির সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, আগামী বাজেটে ব্যবসার খরচ কমাতে বিশেষ নজর দেয়া দরকার। তার জন্য কাস্টমস, কর ও মূসক- এ জায়গায় অটোমেশন করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় লজিস্টিক উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়ন করা গেলে তা ব্যবসার খরচ কমাতে সহায়তা করবে। এছাড়া শিল্প পরিচালনার ব্যয় কমাতে অগ্রিম আয়করের (এআইটি) হার ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা প্রয়োজন। ব্যাংক ঋণের সুদের হার যেন না বাড়ে, সেদিকে জোর দিতে হবে। কারণ, সুদের হার বাড়লে দেশে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। ডলারের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা এখনো কাটেনি। ডলারের নির্ধারিত দাম ১১৭ টাকা যেন সব ব্যাংক মেনে চলে, সেটি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তদারকি করতে হবে। এ ছাড়া নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহে বাজেটে নির্দেশনা বা পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। মূল্যস্ফীতি যাতে নতুন করে না বাড়ে, সেদিকেও নজর দেয়া জরুরি। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাওয়ায় ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে এফবিসিসিআই। আমরা ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ১ লাখ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা, সিনিয়র সিটিজেন ও নারীদের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছি। এআইটি বাতিলসহ ৩৮১টি প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই।

ডিসিসিআই : ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, বাজেটের তিনটি মূল চ্যালেঞ্জ- রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ধরে রাখা, রাজস্ব ব্যয় সংকোচন করে উন্নয়নমুখী বিনিয়োগের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর চাপ না ফেলে বাজেটের ঘাটতি অর্থায়ন করা। আমরা মনে করি, বিদ্যমান অর্থনীতির রূপান্তরের সময়ে রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনার সংস্কার, করজাল বাড়ানো, স্থানীয় শিল্পায়ন ও শিল্প খাতের উন্নয়ন, অটোমেশন, সহজ ও ব্যবসাবান্ধব আয়কর ব্যবস্থা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ বিবেচনা করা দরকার।

বিজিএমইএ : বাজেটে পোশাক শিল্পের রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ও নগদ সহায়তার ওপর আয়কর হার কমানোসহ বেশ কিছু নীতি সহায়তা চায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। সংগঠনটির সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) বলেন, আমরা ২০৩০ সাল নাগাদ পোশাক শিল্প থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েছি। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারের নীতি সহায়তা প্রয়োজন। এজন্য আমরা আগামী বাজেটে রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগের মতো শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ, নগদ সহায়তার ওপর আয়কর কর্তনের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ, ইআরকিউয়ের ওপর

আয়কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, ২০২৯ সাল পর্যন্ত ইনসেনটিভ অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছি। তিনি আরো জানান, তৈরি পোশাক খাতের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য ও সেবা ভ্যাটমুক্ত রাখা, অগ্নি ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম আমদানির ওপর কর রেয়াত, এই পণ্যগুলো বিকল বা নষ্ট হলে প্রতিস্থাপনের জন্য রেয়াতি হারে আমদানির সুযোগ দেয়া, শ্রমিকদের জন্য ফুড রেশনিং বাবদ বিশেষ তহবিল বরাদ্দ দেয়া, নন-কটন পোশাক রপ্তানি ও বিনিয়োগে সহায়তা প্রদান করতেও সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে বিজিএমইএ। এসব সুপারিশ আগামী বাজেটে প্রতিফলিত হবে বলে মনে করেন বিজিএমইএ সভাপতি।

ট্যানারি শিল্প : বাজেট নিয়ে বেশ কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছেন ট্যানারি শিল্প রপ্তানির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রপ্তানিতে সরকার ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা দেয়। এই প্রণোদনার ওপর বর্তমানে ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এই উৎসে কর স্থায়ীভাবে মওকুফের দাবি জানিয়েছেন তারা। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিবেচনার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব দেয় চামড়া খাতের তিন সংগঠন। তারা চামড়া রপ্তানিতে প্রণোদনার পরিমাণ বাড়ানো, চামড়া প্রক্রিয়াজাতের কাঁচামাল হিসেবে রাসায়নিক আমদানিতে শুল্ক-ভ্যাট কমানোসহ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে এই খাতের ব্যবসায়ীরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ : আসন্ন বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য বেশ কিছু কর ছাড় সুবিধার দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ডিএসইর পক্ষ থেকে আগামী অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত পাঁচটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জে সিকিউরিটিজ লেনদেন থেকে মূলধনি মুনাফার ওপর নতুন করে করারোপ না করা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার কমানো, স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের কাছ থেকে উৎসে কর সংগ্রহের হার কমানো, উৎসে লভ্যাংশ আয়ের ওপর কর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা, লভ্যাংশ প্রাপ্তির প্রথম ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় এবং তালিকাভুক্ত বন্ড থেকে অর্জিত আয় বা সুদের ওপর কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই। পুঁজিবাজার তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বিবেচনায় রেখে এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে এক্সচেঞ্জটি।

জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন : ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের জন্য ১৫ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর মধ্যে রয়েছে সোনা-রুপার অলংকার বিক্রিতে আরোপিত ভ্যাট হার কমানো, সব জুয়েলারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন বসানো, আমদানি শুল্ক, ভ্যাট কমপ্লায়েন্ট শিল্পের জন্য শুল্ক হার কমানো, হীরা কাটিংয়ে শুল্ক হার কমানো, স্বর্ণ পরিশোধনাগার শিল্পে ১০ বছরের জন্য কর অবকাশ সুবিধা, সোনার অলংকার প্রস্তুত করার উদ্দেশে আমদানিকৃত কাঁচামাল ও মেশিনারিজের ক্ষেত্রে শুল্ক করের অব্যাহতি, উৎসে কর থেকে অব্যাহতি, ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমে পর্যটকদের মাধ্যমে সোনার বার আনা বন্ধ করা, বৈধভাবে সোনার বার, অলংকার, কয়েন রপ্তানিতে রপ্তানিকারকদের ৫০ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনা দেয়া, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে শুল্ক হার সমন্বয়, চোরাচালানের উদ্ধার করা সোনার ২৫ শতাংশ উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর সদস্যদের পুরস্কার হিসেবে প্রদান।

বিজিএপিএমইএ : সব ধরনের রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। এ সুবিধা আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত কার্যকর রাখলে অর্থনৈতিক সংকটকালীনও পোশাক খাত স্বস্তিতে থাকবে বলে জানায় বাণিজ্য সংগঠনটি। বিজিএপিএমইএর পক্ষে বলা হয়, রপ্তানিকে উৎসাহিত করতে আয়কর আইনে সব রপ্তানির বিপরীতে ১ শতাংশ উৎসে আয়কর সময়ে সময়ে কমানো হয়েছে এবং দশমিক ২৫ শতাংশও ধার্য করা হয়েছে। তবে বিগত অর্থবছরে ওই উৎসে আয়কর পুনরায় ১ শতাংশে উন্নীত করা হয়। কোম্পানির ক্ষেত্রে অর্জিত ব্যাংক সুদ আয়ের ওপর উৎসে কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কমাতে হবে। রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের স্থানীয় ক্রয় ভ্যাটের আওতা-বহির্ভূত রাখতে হবে। বিজিএপিএমইএর সদস্যভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের অনূকুলে কন্টিনিউয়াস বন্ডের সুবিধা দেয়ারও দাবি জানানো হয় প্রস্তাবনায়। এছাড়া কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ১৫৬ (১) ৬৬ এ এ ধারা এবং ১৫১ (১) এবং ১৯৬(এ) ধারার সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। ট্যারিফ (বেপজা, বেজা ইত্যাদি) ও নন-ট্যারিফ সব এলাকার বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের আমদানি প্রাপ্যতায় সমতা আনা এবং এককালীন তিন বছরের জন্য আমদানি প্রাপ্যতার দাবি জানায় বিজিএপিএমইএ।

আবাসন খাত : আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল অ্যাস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) কোনো প্রশ্ন ছাড়াই অপ্রদর্শিত আয় আবাসন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ চায়। এ সুযোগ রাখার পাশাপাশি নতুন বাজেটে আরো কিছু সুবিধা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন রিহ্যাব সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি বলেন, ফ্ল্যাট-প্লট রেজিস্ট্রেশন ও সংশ্লিষ্ট ফি কমানো এবং ১২ শতাংশ থেকে কর কমিয়ে তা ৭ শতাংশ নামিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট-প্লট কেনাবেচার ক্ষেত্রে কার হার ৩ দশমিক ৫ শতাংশ করতে হবে। জমির মালিকের জন্য নির্ধারিত ১৫ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ৪ শতাংশ করা। রাজউক ও সিডিএর আওতাধীন ও বহির্ভূত এলাকায় জমির ক্ষেত্রে আরোপ করা ৪ শতাংশ ও ৩ শতাংশ কর প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি। এছাড়া আবাসন খাতে মেট্রোপলিটন ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে পাঁচ বছর এবং পৌরসভার বাইরে ১০ বছরের জন্য ‘ট্যাক্স হলিডে’ চালু করার কথা জানান।

বারভিডা : রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি হাবিব উল্লাহ ডন ‘স্মার্ট শুল্ক নীতিমালা’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয় সময় এসেছে, একটা স্মার্ট শুল্ক নীতিমালা করার। সেটার আলোকে বাজেটের একটা ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। এতে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই স্বস্তির মধ্যে থাকবে। বাজেটে বারভিডার প্রস্তাবনার মদ্যে রয়েছে- হাইব্রিড গাড়ির সিসি স্ল্যাব ও সম্পূরক শুল্ক হার পুনর্বিন্যাস করা। দুই হাজার সিসির হাইব্রিড কার ও মাইক্রোবাসের আমদানি শুল্ক কমানো। বর্তমানে এসব গাড়ির সাপ্লিমেন্টারি শুল্ক আছে ২০ শতাংশ, যা শূন্যের কোটায় আনা। হাইব্রিড কার ও জিপ (১৮০১ সিসি থেকে ৪০০০ সিসি পর্যন্ত) আমদানিতে শুল্ক কমানো। জীবাশ্ম জ্বালানি বা তেলচালিত গাড়ির সিসি স্ল্যাব ও সম্পূরক শুল্ক হার পুনর্বিন্যাস। বৈদ্যুতিক গাড়ির সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার। বর্তমানে এটি ২০ শতাংশ। গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত ১০-১৫ আসন বিশিষ্ট মাইক্রোবাসের সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার। বর্তমানে এ শুল্কের হারও ২০ শতাংশ এবং পরিবেশ সারচার্জ বা কার্বন করের বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট করা।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App