×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

প্রথম পাতা

১৪ দলের শরিকদের শক্তিশালী করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

Icon

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

১৪ দলের শরিকদের  শক্তিশালী করার  তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

মুহাম্মদ রুহুল আমিন : কেন্দ্রীয় ১৪ দলের শরিক দলগুলোকে আরো শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন জোট নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জোটের প্রতিটি দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে আরো সংগঠিত ও জনপ্রিয়তা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে অনুষ্ঠিত ১৪ দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জোট শরিকদের প্রতি এ তাগিদ ও পরামর্শ দেন। শরিক দলের নেতারাও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ আমলে নিয়ে জোটকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে রাত পৌনে ১১টা পর্যন্ত। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ১৪ দলীয় জোটের প্রধান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে অংশ নেন। শুরুতেই সূচনা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর শুরু হয় রুদ্ধদ্বার বৈঠক। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে জোট নেতাদের বক্তব্য শোনেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যে জোটের নেতারা ১৪ দলীয় জোটের প্রয়োজনীয়তা, নিজেদের মধ্যে জমে থাকা অবহেলা-বঞ্চনার ক্ষোভ ও অভিমানের কথা তুলে ধরেন। জোট নেতারা মন খুলে প্রধানমন্ত্রীর সামনে তাদের বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

১৪ দলের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। এছাড়া বৈঠক শেষে রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, জোটের নেতারা সাড়ে ৩ ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের মান-অভিমান ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন। জোটের করণীয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তারা জোট নেতা শেখ হাসিনার গাইডলাইন চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। এতে ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্বের কথা বলা হয়েছে, সেটা আর থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী ১৪ দলকে সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন। জোটের প্রতিটি দলকে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে বলেছেন। জনগণের কাছে কীভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায় সে ব্যাপারেও তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন। জোট নেতারাও তাদের দলগুলোকে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার বারবার ক্ষমতায় আসার পেছনে ১৪ দলের ভূমিকার কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোটের একজন নেতা ভোরের কাগজকে বলেন, ১৪ দলের প্রায় সব নেতাই তাদের বক্তব্য রেখেছেন। বিশেষ করে রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু বিগত নির্বাচনের আগে শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে নানা নাটকীয়তার কথা তুলে ধরেন। কাক্সিক্ষত আসন না পেয়ে তাদের মধ্যে যে ক্ষোভ ছিল তা তুলে ধরেছেন। হাসানুল হক ইনু নৌকা প্রতীক নিয়ে তার এলাকায় নির্বাচনে অংশ নিলেও সেখানে আওয়ামী লীগের অপর প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করায় তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। এজন্য তিনি ওই এলাকার আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতাকে দায়ী করেন। রাশেদ খান মেনন তার বক্তব্যে বলেন, ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের নৌকা দেয়া হলেও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে থাকায় পাস করতে পারেননি। এজন্য তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীর বিরোধিতার কথা উল্লেখ করেন। এমনকি আওয়ামী লীগও তাদের দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনের মাঠ থেকে সরানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ফলে জোটের কয়েকজন নেতা জয়ী হতে পারেনি। এতে করে ১৪ দলীয় জোটের আবেদন থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জোটের অন্য নেতারাও তাদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। গণতান্ত্রিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস কে সিকদার, জোটের ছোট ছোট দলগুলোকে মূল্যায়নের দাবি তোলেন। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App