×

প্রথম পাতা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভোট অনুষ্ঠিত

ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য করার প্রস্তাব পাস

Icon

প্রকাশ: ১১ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য করার প্রস্তাব পাস
কাগজ ডেস্ক : ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ দেয়ার প্রস্তাব পাস হয়েছে সাধারণ পরিষদে। একই সঙ্গে সদস্যপদ দেয়ার বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে নিয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটির ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে ১৪৩টি দেশ ফিলিস্তিনকে নতুন সদস্য করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলসহ ৯টি দেশ। ভোটদানে বিরত ছিল ২৫টি দেশ। সাধারণ পরিষদে প্রস্তাব পাসের মধ্য দিয়ে অবশ্য ফিলিস্তিন জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্যপদ পাবে না। তবে দেশটিকে জাতিসংঘে যুক্ত করার পক্ষে এটি একটি বৈশ্বিক স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করবে। পূর্ণ সদস্যপদ না পেলেও অতিরিক্ত কিছু সুবিধা ভোগ করবে ফিলিস্তিন। যেমন চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে পরিষদের অধিবেশন কক্ষে অন্য সদস্যদের সঙ্গে আসন পাবে তারা, যদিও কোনো প্রস্তাবে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবে না। এর আগে গত মাসে নিরাপত্তা পরিষদে তোলা একই ধরনের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের ভেটোতে খারিজ হয়ে গিয়েছিল। গতকাল ভোটাভুটির পর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, প্রস্তাব পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে এটা দেখা গেছে যে, বিশ্ব ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা ও অধিকারের পক্ষে রয়েছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের দখলদারির বিপক্ষে। তবে এই ভোটের নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাড এরডান। তিনি বলেন, জাতিসংঘ এখন ‘সন্ত্রাসী একটি রাষ্ট্র’কে স্বাগত জানাচ্ছে। রাফায় হাসপাতালে উপচে পড়া ভিড় : এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় নগরী রাফায় এখনো পূর্ণ মাত্রায় অভিযান শুরু করেনি ইসরায়েল। কিন্তু এর আগেই নগরীর হাসপাতালগুলোয় রোগী উপচে পড়ছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করে দিলেও ইসরায়েল একাই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। চিকিৎসকরা জানান, রাফায় ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়ে আছে। রাফার পূর্বাংশে গত সোমবার থেকে ‘সীমিত আকারে’ আকাশ হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। সেখানে ৩টি হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যে সবচেয়ে বড় আবু ইউসেফ আল-নজর হাসপাতালের বেশির ভাগ কার্যক্রম বন্ধ রেখে সেটি খালি করে দিতে হয়েছে। কারণ, ইসরায়েলি বাহিনীর সেখানকার কর্মীদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে। তাছাড়া, হাসপাতালটির কাছেই লড়াই চলছে। গাজায় এখন একমাত্র এই হাসপাতালটিতে কিডনি জটিলতায় আক্রান্তদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবা চালু আছে। ইসরায়েলি বাহিনী রাফার দিকে অগ্রসর হওয়ায় পাশের নগরী খান ইউনিসের ইউরোপিয়ান গাজা হসপিটালে আর রোগী পাঠানো যাচ্ছে না। রাফা থেকে গুরুতর রোগীদের অস্ত্রো পচারের জন্য খান ইউনিসের ওই হাসপাতালে পাঠানো হতো। ইসরায়েলি বাহিনীর কারণে রাফা এবং কেরেম শালম সীমান্ত ক্রসিংও রাফা বাসিন্দাদের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। রাফার আরেকটি হাসপাতাল আমিরাতি মেটারনিটি হসপিটাল। সেখানে প্রতিদিন বহু মা সন্তান প্রসব করছেন। আর কুয়েতি স্পেশালিস্ট হাসপাতালের কর্মীরা জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ ছোট্ট এই হাসপাতালটিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রচণ্ড অভাব। চিকিৎসাকর্মীও হাতে গোনা। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে সেখানে মাত্র ৪টি ‘ইনটেনসিভ কেয়ার বেড’ ছিল। কুয়েতি হাসপাতালটির চিকিৎসক জামাল আল-হামস বলেন, যেভাবেই বলি না কেন, এখানকার অবস্থা আসলে এক কথায় বিপর্যয়কর। এটি খুবই ছোট একটি হাসপাতাল। এখানে রোগ নির্ণয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। এমনকি ইসরায়েলের গোলাবর্ষণের কারণে এখানকার একমাত্র এক্স-রে মেশিনটিও কাজ করছে না। এটি ঠিক করারও কোনো উপায় নেই। কারণ, ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ডা. ইউসেফ আবু আল-রিশ বলেন, রাফায় চিকিৎসার যে যৎসামান্য সুযোগ রয়েছে সেটাই এখন গাজার লাইফলাইন। গাজায় গুরুতর আহত এবং অসুস্থ রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে এটাও আর খুব বেশি দিন সচল থাকবে না। তিনি বলেন, আবু ইউসেফ আল-নজর হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাফা প্রশাসনের হাতে আসলে চিকিৎসা সেবা দেয়ার বাস্তবিক আর কোনো ব্যবস্থা নেই। আর লোকজন ইউরোপিয়ান গাজা হাসপাতালে যেতে পারছে না। বেশ কয়েকটি অস্থায়ী হাসপাতাল গঠন করা হয়েছে। কিন্তু যথাযথ অবকাঠামো এবং চিকিৎসা সক্ষমতা না থাকার কারণে ওইসব হাসপাতাল সেবা দিতে পারছে না। কুয়েতি হাসপাতালটি খুবই ছোট। তারা জরুরি সেবা দিতে পারছে না। আমরা চেষ্টা করছি সেটির সক্ষমতা বাড়াতে। যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ : গাজা উপত্যকায় একটি যুদ্ধবিরতি ও হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের মুক্তির বিষয়ে কায়রোয় চলমান আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। বরাবরের মতো গত বৃহস্পতিবারও কোনো সমাধান ছাড়াই এই আলোচনা শেষ হয়। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হুমকিকে উপেক্ষা করে ওইদিনই পূর্ব রাফায় বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি হয়েছে। এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, গাজায় সংঘর্ষ থামানোর প্রচেষ্টায় কায়রোয় অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনার সর্বশেষ দফা শেষ হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাফা এবং গাজা উপত্যকার অন্যান্য অংশে অভিযান চালিয়ে যাবে ইসরায়েল। জেরুজালেমে জাতিসংঘের কার্যালয়ে আগুন দিল ইসরায়েলিরা : পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জন্য জাতিসংঘের কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে ইসরায়েলি বিক্ষোভকারীরা। বৃহম্পতিবার কার্যালয়টির বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গণে একটি ভবনে তারা আগুন দেয়। এ সময় প্রাঙ্গণের বাইরে একটি সমাবেশে ‘জাতিসংঘকে পুড়িয়ে দাও’ বলে স্লোগান দেয়া হচ্ছিল। এ ঘটনার পরই কার্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন ইউএনডব্লিউআরএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে লাজারিনি বলেন, যথাযথ নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত প্রাঙ্গণটি বন্ধ রাখা হবে। তিনি বলেন, এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো এমন ঘটনা ঘটল। এটি একটি আপত্তিজনক ঘটনা। জাতিসংঘের কর্মীদের জীবন আবারো একটি গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। ঘটনার সময় সংস্থাটির কর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন লাজারিনি। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার পোস্টের শেয়ার করা ফুটেজে প্রাঙ্গণের এক প্রান্তের একটি বিল্ডিংয়ের কাছে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। ইসরায়েলি সরকারের উদ্দেশে লাজারনি বলেন, একটি দখলদার শক্তি হিসেবে জাতিসংঘের কর্মী এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোর সর্বদা সুরক্ষা নিশ্চিত করা ইসরায়েল রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে একাই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে ইসরায়েল : ইসরায়েল রাফায় পূর্ণ মাত্রায় অভিযান শুরু করলে দেশটিতে অস্ত্রের চালান স্থগিত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, সেক্ষেত্রে ইসরায়েল একাই যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। যদি তেমন প্রয়োজন পড়ে তবে আমরা আমাদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ে যাব। বৃহস্পতিবার নেতানিয়াহু ১৯৪৮ সালের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ৭৬ বছর আগে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে, অনেকের বিরুদ্ধে আমরা মাত্র কয়েকজন ছিলাম। আমাদের অস্ত্র ছিল না। তখন ইসরায়েলের উপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু নিজেদের মধ্যে থাকা চেতনা, বীরত্ব ও ঐক্যের মহান শক্তিতে আমরা বিজয়ী হয়েছিলাম। যদি প্রেসিডেন্ট বাইডেন অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করে দেন, ইসরায়েলের কাছে তারপরও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো অনেক কিছু আছে। এবং নিজেদের চেতনার জোরে, ঈশ্বরের সহায়তায়, এক সঙ্গে এই যুদ্ধও আমরা জিতে যাব। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের আগে জাতিসংঘ থেকে বলা হয়, ইসরায়েলের অব্যাহত আকাশ হামলার মধ্যেই গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি রাফা থেকে পালিয়ে গেছে। ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক রাফার চারপাশ ঘিরে এগিয়ে আসছে। জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, রাফায় আক্রমণ করা হলে ৭ মাসের যুদ্ধে গাজায় যে বিপর্যয় নেমে এসেছে তার থেকেও ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে সেখানকার ফিলিস্তিনিদের ওপর। রাফায় এখনো প্রায় ১০ লাখ মানুষ অবস্থান করছে। তাদের খাবার ও জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। কারণ, ইসরায়েলি বাহিনী রাফা ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে এবং সেখানে কোনো ত্রাণ প্রবেশ করতে পারছে না। তারা মিসরের সঙ্গে গাজার সংযোগস্থল এই রাফা ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে। রাফা ক্রসিং বন্ধ করে দেয়ার পর ইসরায়েল কেরেম শালম ক্রসিং খুলে দিলেও জাতিসংঘ জানিয়েছে, সেটি দিয়ে গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর কাজ তাদের কর্মীদের জন্য খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। হামাসের হামলার পর ইসরায়েল ৪ দিন কেরেম শালম ক্রসিং বন্ধ রেখেছিল। ইসরায়েলি বাহিনী বলেছে, তারা রাফায় বেছে বেছে হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তবে দেশটির সরকার সেখানে পূর্ণমাত্রায় আক্রমণের বিষয়টি এখনো বাতিল করেনি। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। ইসরায়েলের তথ্যমতে, ওই হামলায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। এসময় মোট ২৫৩ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় সশস্ত্র যোদ্ধারা। ওইদিনই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ৭ মাস ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৯শ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। প্রতিযোগিতায় ইসরায়েলি গায়িকা, সুইডেনে তীব্র প্রতিবাদ : ইসরায়েলের প্রতিযোগীকে গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়ায় সুইডেনে ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইভেন্টের নাম ইউরোভিশন সং কনটেস্ট। এই গানের প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের আগে হাজারো মানুষ সুইডেনের মালমোতে পথে নামেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পরিবেশ আন্দোলনকারী গ্রেটা টুনবার্গও ছিলেন। এই প্রতিবাদের কয়েক ঘণ্টা পরেই ইসরায়েলের প্রতিযোগী এডেন গোলান তার গান ‘হ্যারিকেন’ গেয়ে মানুষের ভোটেই প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছান। এর আগে মহড়ায় অংশ নেয়ার সময় উপস্থিত দর্শকরা তাকে বিদ্রƒপ করেন ও দুয়োধ্বনি দেন। সুইডেনের মালমোতে এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে। সেখানে প্রতিযোগিতার জায়গার চারপাশে কংক্রিটের ব্লক বসানো হয়েছে। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদকারীদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকার রংয়ের স্মোক ফ্লেম জ্বালান। তারা গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। মিছিলের উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, তারা আজ শনিবার ফাইনালের আগে আবার মিছিল করবেন। ইসরায়েল সরকার তাদের দেশের নাগরিকদের সাবধান করে দিয়ে বলেছে, তাদের আক্রমণ করা হতে পারে। তারা যেন সতর্ক থাকেন। গানের এই প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা ইউরোপীয় ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন (ইবিইউ)। তারা জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি গায়িকাকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। গোলানকে তার গানের নামও বদল করতে হয়েছে। শুরুতে তার গানের নাম ছিল ‘অক্টোবর রেইন’। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার সঙ্গে মিল থাকায় গোলানকে তার গানের নাম বদলাতে বলা হয়। আয়োজক ইবিইউ জানিয়েছে, ইউরোভিশন একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। কিন্তু সমালোচকরা বলেছেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়া হয়নি। এ বছরের প্রতিযোগিতায় ফিলিস্তিনি পতাকা বহনকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App