×

প্রথম পাতা

উপজেলা নির্বাচন

বিধি লঙ্ঘনের হিড়িক, সংঘাত

Icon

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বিধি লঙ্ঘনের হিড়িক, সংঘাত
এন রায় রাজা : উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণায় চলছে প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক। বাড়ছে সংঘাতও। এ নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও। প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন আগামী ৮ মে। ওইদিন দেশের ১৫০টি উপজেলায় ভোট নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ২১ মে। এই দুই ধাপের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা এখন মাঠে। প্রথম ধাপের নির্বাচনের প্রচারণা এখন তুঙ্গে। কোনো কোনো প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা অনেকটাই বেপরোয়া। লাগামহীন বক্তব্য, প্রতিপক্ষ সমর্থকদের হত্যার হুমকি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চাপ, প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারি, প্রতিপক্ষের নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙে দেয়া, এমপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারসহ নানাবিধ অনিয়ম চলছে। এ নিয়ে অভিযোগের পাহাড় জমেছে ইসিতে; কিন্তু এতসবেও টনক নড়েনি কতৃপক্ষের। অনেক উপেজেলায় দেখা গেছে, ইসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চস্বরে মাইক বাজানো, নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে সরকারি স্থাপণায় ব্যানার ফেস্টুন টাঙানো, এমপি-মন্ত্রীর সঙ্গে ছবিসহ ফেস্টুন ঝুলানো, পলিথিন পেপার ব্যবহার, কালো টাকার ব্যবহার, একে অপরের প্রচারণায় বাঁধা দেয়া, একে অপরের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ নানা ধরনের অনিয়ম অবাধে চলছে। এ ধরনের শত অভিযোগ ইসি বরাবর করলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না অভিযোগকারীরা। নীরব নির্বাচন কমিশন। কয়েকজন প্রার্থী ও এমপিকে শোকজ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে ইসি। এর বাইরে কোনো সমস্যা দেখছে না কমিশন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য- প্রচারণা ঠিক মতোই চলছে। অনেক উপজেলায় এমপিদের বিরুদ্ধেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রীর ছেলে বা আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধেও উঠেছে বিধিলঙ্ঘনের অভিযোগ। বিভিন্ন স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের হয়রানি করার অভিযোগ তো আছেই। সম্প্রতি পিরোজপুরের এক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে প্রার্থী না হতে থানায় তলবের ঘটনাও ঘটেছে। বাধ্য হয়ে অনেক প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে এমপিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ইসি থেকে বারবার বিধি মেনে প্রচারণার কথা বলা হলেও প্রভাবশালীরা তা একের পর এক অবজ্ঞা করে চলেছেন। ভোটারদের মন জয় করার পরিবর্তে পুলিশ প্রশাসন ও মাঠ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া প্রভাবশালীরা। আর এসবের মধ্যে অসহায় মাঠ পর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তারা। সম্প্রতি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ভাণ্ডারিয়া থানায় ডেকে নিয়ে ভোটে না দাঁড়ানোর জন্য শাসিয়েছেন ওসি মো. আবীর হোসেন। এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা খান এনায়েত করিম বিস্ময় প্রকাশ করে জানান, থানায় গেলে ওসি আমাকে বলেন, আমার বাবাও (ওসির) মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আপনি এখন বয়স্ক মানুষ। ঝামেলার দরকার কি। সামনে ইলেকশন, যেহেতু আপনি বয়স্ক মানুষ নিরিবিলি থাকাই ভালো। এ সময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা এ খবরটি শোনার পর ওসিকে ফোন দিলে তিনি (ওসি) তাকে বলেন, তেমন কিছু না স্যার একটু চায়ের দাওয়াত দিয়েছি। পরে থানা থেকে বেরিয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধা বলেন, আজকের দিনটি দেখার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এই শেষ বয়সে এসে এই দিন দেখতে হলো। এখন আমাকে বাধ্য হয়ে ঢাকায় থাকতে হচ্ছে? একই এলাকায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করায় উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করা হয়েছে। তাছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য জামানতের টাকা জমা দিতে গেলে এক নারীকে মারধর করে কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে একদল সন্ত্রাসী। এ উপজেলায় ওসি অর্থের বিনিময়ে অনেককে প্রার্থী না হওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। যার ফলে ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান বিনাপ্রতিদ্ব›দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আবার ডিমলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিযোগিতায় মেতেছেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। যখন-তখন শোডাউন, লেমিনেটিং পোস্টার লাগাচ্ছেন অনেকেই। গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে, ইউপি কার্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি, বেসরকারি স্থাপনা, হাসপাতালের প্রবেশ গেট, বসতবাড়ির দেয়াল, মুদি দোকান, টি-স্টল, বিদ্যুতের খুঁটি, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহনে প্রার্থীরা পোস্টার সেঁটেছেন। ডিমলায় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যদিও অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি প্রার্থীরা। এ প্রসঙ্গে ডিমলা উপজেলা নির্বাচন অফিসার শুভ কুমার সরকার জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে সব প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য এ ডি এম শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ওই উপজেলার অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অভিযোগ- এ ডি এম শহিদুল ইসলাম দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ঝিনাইগাতী উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়ের পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছেন। সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আনারস প্রতীকের প্রার্থী খলিলুর রহমান তার কর্মী-সমর্থকদের দিয়ে প্রতিদ্ব›দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল কালাম আজাদ (দোয়াত কলম) ও কাজিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলমের (ঘোড়া) প্রচারে বাধা ও কর্মীসমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এসবের ভিডিও ফুটেজসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তারা। এছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অভিযোগ উঠেছে রেলমন্ত্রী জিল্লুর হাকিমের পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুল হাকিমের বিরুদ্ধে। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও প্রার্থী মো. ফরিদ হাসান ওদুদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর মন্ত্রীপুত্রের অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি বলেন, মন্ত্রীপুত্র বিভিন্ন জনসভায় প্রকাশ্য আমাকে ও আমার কর্মী-সমর্থকদের হত্যা ও দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। চাঁদপুরের মতলব উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ইসিতে দেয়া হয়েছে। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী শুভ রহমান চৌধুরীকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কাজী শুভ রহমান চৌধুরী ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে ফাঁকা জায়গায় নির্বাচনী কর্মিসভায় তিনি নিজেকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের মনোনীত প্রার্থী দাবি করেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেছেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী শুভ রহমান চৌধুরী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজলুল করিমকে নিয়ে কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ও সভায় সরাসরি ভোট চাওয়ার অভিযোগ করেছেন প্রতিদ্ব›দ্বী জাফর আলম। সরাসরি ভোট চাওয়া সংক্রান্ত একাধিক অনুষ্ঠানের ভিডিও, স্থিরচিত্রসহ শুক্রবার নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় পার্টির নেতা ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেনকে শোকজ করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ। বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অন্যথায় আচরণবিধি লঙ্ঘের দায়ে নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রার্থিতা বাতিলের চিঠি দেয়া হবে বলে জানান তিনি। আগামী ৮ মে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন সাতজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনই। গত রবিবার এ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা। পরে এ নিয়ে দুর্গাপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ তুলে ধরেন তারা। এদিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীর এজেন্ট কেন্দ্রে ঢুকলে হাত, দাঁত ও চাপার হাড্ডি ভেঙে যমুনা নদীতে নিক্ষেপের হুমকিদাতা আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলামকে (আনারস) শোকজ করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তা। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জমা পড়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, উপজেলা নির্বাচনে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার-প্রচারণা চলছে। কোনো কোনো স্থানে দুয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। কিছু বিষয় আমরা রিটোর্নিং কর্মকর্তাকে সুরাহা করতে নির্দেশ দিয়েছি। আবার মন্ত্রী এমপিরা যাতে প্রচারণায় অংশ না নেন তার জন্য মূখ্যসচিব, সংসদের স্পিকারসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে জানিয়েছি। আশা করি মন্ত্রী এমপিরা প্রচার থেকে বিরত থাকবেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। এদিকে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মারা যাওয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করেছে ইসি। আগামী ৮ মে গোপালপুর উপজেলার ভোট হওয়ার কথা ছিল। গত রবিবার নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে গোপালপুর উপজেলা পরিষদের সব পদের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। প্রথম ধাপে যেসব উপজেলায় ভোট হবে : রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলার সদর, তেতুলিয়া ও আটোয়ারী; ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর; নীলফামারী জেলার ডোমার ও ডিমলা; দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর ও বিরামপুর; লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা; রংপুর জেলার কাউনিয়া ও পীরগাছা; কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী; গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা ও ফুলছড়ি। রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল, কালাই ও আক্কেলপুর; বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও গাবতলী; চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট; নওগাঁ জেলার ধামইরহাট, পতœীতলা, মহাদেবপুর ও বদলগাছী; রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী ও তানোর; নাটোর জেলার সদর, নলডাঙ্গা ও সিংড়া; সিরাজগঞ্জ জেলার সদর (ইভিএম), কাজিপুর (ইভিএম) ও বেলকুচি (ইভিএম); পাবনা জেলার সাঁথিয়া (ইভিএম) , সুজানগর (ইভিএম) ও বেড়া (ইভিএম)। খুলনা বিভাগের মেহেরপুর জেলার সদর ও মুজিবনগর; কুষ্টিয়া জেলার খোকসা, সদর ও কুমারখালী; চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর ও দামুড়হুদা; ঝিনাইদহ জেলার সদর ও কালীগঞ্জ; যশোর জেলার মনিরামপুর (ইভিএম) ও কেশবপুর (ইভিএম); মাগুরা জেলার সদর ও শ্রীপুর; নড়াইল জেলার কালিয়া; বাগেরহাট জেলার সদর, রামপাল ও কচুয়া; সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ ও শ্যামনগর। বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলার সদর ও বাকেরগঞ্জ; পিরোজপুর জেলার সদর (ইভিএম), নাজিরপুর (ইভিএম) ও ইন্দুরকানী (ইভিএম)। ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ; গোপালগঞ্জ জেলার সদর, কোটালীপাড়া ও টুঙ্গীপাড়া; নারায়নগঞ্জ জেলার সদর ও বন্দর; গাজীপুর জেলার সদর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া; রাজবাড়ী জেলার কালুখালী ও পাংশা; মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর (ইভিএম) ও হরিরামপুর (ইভিএম); ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন, মধুখালী ও সদর; মাদারীপুর জেলার সদর, শিবচর ও রাজৈর, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া (ইভিএম) ও ভেদরগঞ্জ (ইভিএম)। নরসিংহী জেলার সদর ও পলাশ; টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুর; মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর ও গজারিয়া; কিশোরগঞ্জ জেলার সদর, হোসেনপুর ও পাকুন্দিয়া। ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুর; জামালপুর জেলার সদর (ইভিএম) ও সরিষাবাড়ী (ইভিএম); শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী; নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা। সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই ও শাল্লা; সিলেট জেলার সদর, বিশ্বনাথ, গোলাপগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা; মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী, কুলাউড়া ও বড়লেখা; হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ ও বানিাচং। চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণাবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর ও সরাইল; কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ, লাকসাম, লাঙ্গলকোট ও মেঘনা; চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর (ইভিএম) ও মতলব দক্ষিণ (ইভিএম); ফেনী জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী; নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর ও হাতিয়া; ল²ীপুর জেলার রামগতি ও কমলনগর; চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই, সীতাকুণ্ডু ও স›দ্বীপ; কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া (ইভিএম), সদর (ইভিএম) ও মহেশখালী (ইভিএম); খাগড়াছড়ি জেলার মনিকছড়ি, ল²ীছড়ি, রামগড় ও মাটিরাঙ্গা; রাঙ্গামাটি জেলার সদর, কাউখালী, জুরাছড়ি ও বরকল; বান্দরবান জেলার সদর, রোয়াংছড়ি, থানছি ও আলীকদম।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App