×

প্রথম পাতা

সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী

নিজের ঘর আগে সামলান

Icon

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নিজের ঘর আগে সামলান
** বাম দলগুলো ৯০ ডগ্রিি ঘুরে গছেে ** ১৪ দল থাকব,ে শগিগরিই বসব ** কাগজ প্রতিবেদক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিজের ঘর সামলানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সে দেশে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভকারীদের যেভাবে দমন করা হয়েছে- তা অমানবিক। যেভাবে একজন প্রফেসরকে ধরে মাটিতে ফেলে গ্রেপ্তার করা হলো- ২০২১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পরপরই যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী অত্যাচার করেছিল; এটা সেই অত্যাচারের কথাটাই মনে করিয়ে দেয়। সেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আবার মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়, সবক নিতে হয়। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের। গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবনে সাম্প্রতিক থাইল্যান্ড সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ থেকে ২৯ এপ্রিল থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে সে দেশ সফর করেন। দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় এই সফরে তিনি ইউএনএসক্যাপ-এর ৮০তম অধিবেশনেও যোগ দেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এরপর সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন। দেশের রাজনীতি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাম চলে গেছে ৯০ ডিগ্রি ঘুরে। তারা ৯০ ডিগ্রি ঘুরে গেছে। আমার একটা প্রশ্ন- বিশেষ করে যারা অতি বাম, সব সময় মনে করি, তারা প্রোগ্রেসিভ দল, তারা খুবই গণমুখী দল। সেখানে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ঠিক আছে তারা আমাকে উৎখাত করবে। পরবর্তী সময় কে আসবে তাহলে, সেটা কী ঠিক করতে পেরেছে? সেটাই তো আমার প্রশ্নœ- তাহলে কে আসবে ক্ষমতায়? কে দেশের জন্য কাজ করবে? কাকে তারা আনতে চায়, সেটা কিন্তু স্পষ্ট নয়। আর সেটা স্পষ্ট নয় বলেই তারা জনগণের সাড়া পাচ্ছে না। তিনি বলেন, আন্দোলন করে যাচ্ছে বিদেশে বসে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। প্রতিদিন অনলাইনে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে, নির্দেশ দিয়েই যাচ্ছে। যারা আন্দোলন করছে করুক, তাদের তো বাধা দিচ্ছি না। অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমার শক্তি জনগণ। জনগণ যত দিন চাইবে ক্ষমতায় থাকব। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। এ জন্য যত চক্রান্ত আর বাধা আসুক আমরা বিজয় নিয়ে আসি। এখানে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটছে। ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ কেমন ছিল। এই সময়ে কী কোনো পরিবর্তন হয়নি? এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেই নির্বাচন করেছি। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন অতীতের সব নির্বাচনের চেয়ে অবাধ সুষ্ঠু ও ভোটের অধিকার রক্ষার নির্বাচন হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পাশে মঞ্চে বসা ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু ও আইসটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীর স্বজনদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারিবারিক ফর্মুলা কী? নিজের ছেলেমেয়ে স্ত্রী, এই তো। তারপর হিসাব করে দেখেন কয়জন ছেলেমেয়ে, কয়জন স্ত্রী দাঁড়িয়েছে। এর বাইরে তো পরিবার ধরা হয় না। আমাদের কথা হচ্ছে নির্বাচন যেন প্রভাবমুক্ত হয়। মানুষ যেন স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সবকিছু নিজেরা নিয়ে নেব, আমার নেতাকর্মীদের জন্য কিছু রাখব না, এটা হয় না। সেই কথাটা আমি বলতে চেয়েছি। অন্য দলগুলোর নির্বাচন বর্জনের প্রশ্নে তিনি বলেন, অনেকগুলো রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করেছে। বর্জন করে কেন? নির্বাচন করার মতো সক্ষমতাই তাদের নেই। পার্লামেন্ট নির্বাচন করতে হলে জাতিকে দেখাতে হবে যে পরবর্তী সময় নেতৃত্ব কে আসবে, প্রধানমন্ত্রী কে হবে, নেতা কে হবে? একটা নেতা দেখাতে হবে। আপনার কাছে উপযুক্ত নেতা না থাকলে তখন তো আপনাকে ছুতা খুঁজতে হয়। ১৪ দলীয় জোট থাকা না থাকা ও আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদযাপন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ১৪ দলীয় জোট নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, চৌদ্দ দল তো অবশ্যই আছে। থাকবে না কেন? তাদের সঙ্গে আমাদের সব সময়ই যোগাযোগ আছে। যোগাযোগ নেই তা তো না। হ্যাঁ, নির্বাচনে ১৪ দলের কে জয় পেল, আর কে পেল না, সেটা বিবেচ্য নয়। আমাদের এই আদর্শিক জোট অটুট আছে। আমাদের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু যোগাযোগ রাখেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে চৌদ্দ দলের অনেকে প্রার্থী দিয়েছিল, নির্বাচন করেছে, আর নির্বাচনে জেতা না জেতা আলাদা কথা, কিন্তু আমাদের এই জোট থাকবে। এটুকু বলতে পারি, জোট শেষ হয়ে গেছে কে বলল? তবে ‘শিগগিরই’ চৌদ্দ দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন জানিয়ে তিনি বলেন, দলের কার্যনির্বাহী বৈঠক করেছি, উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে বৈঠক করব; এরপর চৌদ্দ দলের সঙ্গেও বসব। তাছাড়া অনেকের সঙ্গে আমার নিজেরও যোগাযোগ আছে। আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদকও সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবার বড় আকারে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা আমাদের পঁচাত্তর বছর উদযাপন করব খুব ব্যাপকভাবে। আলোচনা করছি, বিশ্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কোন কোন দেশকে আমরা আমন্ত্রণ জানাতে পারি বা কারা আসতে পারে- সেটাও আলোচনায় আছে। আমরা বিভিন্ন উপকমিটি করে দিচ্ছি। আরো সুন্দরভাবে যাতে সব করতে পারি। কারণ আমাদের দল উপমহাদেশে একটা বড় দল, যেটা ৭৫ বছর উদযাপন করছে, এটা তো কম কথা নয়। ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কোনো বিক্ষোভের আয়োজন করা হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, যেখানে মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দাঁড়াচ্ছে। আমরা সব সময় ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আছি। যেখানেই যাই আমার কথা আমি বলবই। যেভাবে গণহত্যা চলছে এটা অমানবিক। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভকারীদের দমনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা নাকি গণতন্ত্রের একটা অংশ, সেটাও আমাদের শুনতে হয়। যেভাবে একজন প্রফেসরকে ধরে মাটিতে ফেলে গ্রেপ্তার করা হলো ২০২১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পরপরই যেভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী অত্যাচার করেছিল, এটা সেই অত্যাচারের কথাটাই মনে করিয়ে দেয়। সেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আবার মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়, সবক নিতে হয়। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের। আমেরিকাকে নিজের ঘর সামলানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রবাসী বাঙালি নয়, আমেরিকাতে প্রতিনিয়ত মানুষ খুন করা হচ্ছে। ঘরের ভেতরে ছোট বাচ্চাকে মা ধরে রাখছে, তাকে গুলি করে মেরেই ফেলল। তার অপরাধটা কী ছিল? তার হাতে একটা কাঁচি ছিল। এই কাঁচির ভয়ে তাকে গুলি করে মারা হলো। একজন পঙ্গু ব্যক্তি চলতে পারে না, হাঁটতে পারে না। সে নাকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে থ্রেট করছে। ওই অবস্থায় তাকে গুলি করে হত্যা করল। আর স্কুল, বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টেুরেন্টে অনবরত গুলি হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন কোনো দিন নেই বোধ হয় আমেরিকায় গুলি করে মানুষ মারা না হচ্ছে। তাদের সেদিকে নজর দেয়া উচিত। তাদের দেশে এই যে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুলি করে নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হচ্ছে। এটা তো তাদের দেখা উচিত। নিজের ঘর আগে সামলানো উচিত। ফিলিস্তিন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রে ছাত্র বিক্ষোভ দমনে পুলিশের পদক্ষেপের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয় আমাদের পুলিশ আমেরিকার পুলিশের স্টাইল বা ধরন অনুসরণ করে আন্দোলন দমন করতে পারে। আমাদের পুলিশকে যদি বলে দিই যে আমেরিকার পুলিশ যেভাবে আন্দোলন থামায়, সেটা অনুসরণ করতে পার। সেটা করতে পারে। আমার মনে হয়, পুলিশ এখন আমেরিকার পুলিশদের অনুসরণ করতে পারে। নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর তৎপরতা ও নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনটা যাতে না হয় সেজন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। কারো কারো মনে একটু হতাশা ছিল, আমি জানি। তবে আমার শক্তি হচ্ছে দেশের জনগণ। কাজেই জনগণের শক্তির ওপর আমি সব সময় বিশ্বাস করেছি। এটাও বিশ্বাস করেছি, জনগণ যতক্ষণ চাইবে ততক্ষণই থাকব ক্ষমতায়। মিয়ানমারের সেনা সদস্যদের আশ্রয় নেয়ার বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে আগতদের প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি দেখবেন বলে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন। তিনি বলেছেন, গভীরভাবে তিনি বিষয়টি দেখবেন। মিয়ানমারের বিষয়টি নিয়ে তারাও উদ্বিগ্ন। মিয়ানমারের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেবেন বলে থাই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন। সমবায়ভিত্তিক কৃষির ক্ষেত্রে কৃষকদের ভয় দূর ও আস্থার জায়গা তৈরিতে সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমরা ডিজিটালাইজড করে ফেলেছি, যার জমি তারই থাকবে। কৃষকের জমি কখনো নেয়া হবে না। তিনি বলেন, সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থায় সার, বীজ, চাষ ও মাড়াইয়ে সব ব্যবস্থাই সমবায়ের মাধ্যমে হবে। এখানে কৃষকের ব্যক্তিগতভাবে কোনো খরচ করতে হবে না। ওই ফসলের একটা অংশ সমবায়ের কাছে বা সরকারের কাছে থাকবে। যা পরবর্তী সময় চাষের জন্য ব্যবহার করা হবে। সেভাবেই আমরা এটা করতে চাইছি। যেটা জাতির পিতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করতে দেয়া হয়নি। করতে দেয়া হলে আজ দেশে খাদ্যের ঘাটতি হতো না। এ সময় টুঙ্গিপাড়ায় নিজেও সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ শুরু করেছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকার যানজট নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাফিক নিয়ম অনেকেই মানেন না, এটা যানজটের অন্যতম সমস্যা। এজন্য নিজেদেরই সচেতন হতে হবে। তবে ঢাকা শহরকেন্দ্রিক যে প্রকল্পগুলো নেয়া হয়েছে; সেগুলো বাস্তবায়ন হলে যানজট কমে যাবে। সেই সঙ্গে অন্যান্য জেলার সঙ্গেও দ্রুত যোগাযোগ হবে। তাহলে ঢাকার বাইরের উপশহরগুলোতে অনেকেই থাকবেন, ঢাকায় এসে কাজ করে চলে যাবেন। আর ডিজিটাল পদ্ধতিতো আছেই। এ সময় তিনি মেট্রোরেলের রক্ষণাবেক্ষণ করা কথাও বলেন। রাজধানীর ফিটনেসবিহীন বাস নিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বেসরকারি বাস মালিকরা যদি ভাঙাচোরা বাস চালাতে পছন্দ করেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। ফিটনেস আছে কিনা সেটা দেখার বিষয় আছে। আমি বলব আর আর্টিকুলেট বাস আনলাম, বিএনপি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিল। আমরা আনি কষ্ট করে, ওরা ধ্বংস করে। গরমে সবাইকে সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গরম নতুন নয়। তবে যেভাবে গরম বাড়ছে, তাপমাত্রা বাড়ছে এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদে থাকতে হবে, প্রচুর পানি খেতে হবে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলার সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। অবস্থা বুঝে যখন যেটা করার দরকার সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ নিচ্ছি। থাইল্যান্ড সফরে বাংলাদেশের অর্জন নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ডের সফরে কী পেলাম আর কী পেলাম না- সেটা বড় বিষয় নয়। নতুন করে কিন্তু অর্থনীতির একটি দুয়ার খুলেছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে খাদ্য ও ফল উৎপাদনের বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়েছে। থাইল্যান্ডকে বিনিয়োগ করার আহ্বান করা হয়েছে। পাসপোর্ট ছাড়া যেন বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে যাওয়া যায়, সেই বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App