×

প্রথম পাতা

যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ বাড়ছে

গণকবরে অন্তত ২০ জনকে জীবন্ত দাফন

Icon

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

গণকবরে অন্তত ২০  জনকে জীবন্ত দাফন
কাগজ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার গণকবরে অন্তত ২০ জনকে জীবন্ত দাফন করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহের নমুনা দেখে এমনটাই ধারণা করছেন ফিলিস্তিনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের এক সদস্য। এদিকে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত নারীর গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া শিশুটি ৫ দিন বেঁচে থাকার পর অবশেষে মারা গেছে। ফিলিস্তিনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সদস্য মোহাম্মদ মুগির বলেছেন, গণকবর থেকে অন্তত ১০টি মরদেহ হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সম্ভবত তাদের জীবন্ত অবস্থায় গণকবর দেয়া হয়েছে। বাকিদের বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামসহ মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, অন্তত ২০টি মরদেহের ময়নাতদন্ত করা দরকার। কারণ আমাদের মনে হচ্ছে তাদের জীবন্ত দাফন করা হয়েছে। খান ইউনিসের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান ইয়েমেন আবু সোলায়মান জানিয়েছেন, গাজার গণকবর থেকে ৩৯২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মরদেহে মধ্যে মাত্র ৬৫টির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ৮৫ শতাংশ মরদেহই অজ্ঞাত। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কার্যালয়ের এক মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেছেন, নাসের হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে পাওয়া মরদেহের বিষয়ে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে বর্তমানে কাজ করছেন তারা। নিহতদের মাটির গভীরে পুঁতে রাখা হয়েছে এবং বর্জ্য দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে খান ইউনিসের আল-শিফা ও নাসের হাসপাতালে দুই সপ্তাহ ধরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। সেসময় এই মরদেহগুলো সেখানে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে কোনো মরদেহ মাটিচাপা দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। নিহত মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া শিশুটি আর নেই : অবশেষে মারা গেল গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া জীবিত শিশুটি। গত বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটি মারা যায়। শিশুটিকে তার মায়ের পাশেই সমাহিত করা হয়েছে। মায়ের নামেই শিশুটির নামকরণ করা হয়েছিল সাবরিন আল সাকানি। গত শনিবার দক্ষিণ গাজার রাফা শহরে দুটি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। শিশু সাবরিনের মা যেখানে বাস করতেন সেই হাউজিং কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালালে সেখানে অবস্থানরত ১৯ জনের সবাই নিহত হয়। হামলার সময় সাবরিনের মা সাড়ে ৭ মাসের গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামী শুকরি ও তিন বছরের মেয়ে মালাক ঘুমিয়ে ছিলেন। হামলায় সাবরিন ব্যাপকভাবে আহত হন। তবে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় শিশুটি তার মায়ের গর্ভে বেঁচে ছিল। পরে সাবরীনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি মারা যান। কিন্তু চিকিৎসকরা জরুরি অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করেন। শিশুটির ওজন ছিল ১ দশমিক ৪ কেজি। অসময়ে জন্মের কারণে সে গুরুতর শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। জন্মের পর শিশুটিকে একটি ইনকিউবেটরে রাখা হয়। এ সময় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা। শিশুটির যতœ নেয়া চিকিৎসক মোহাম্মদ সালামা জানিয়েছেন, এই সময়ে শিশুটির মায়ের গর্ভে থাকা উচিত ছিল। কিন্তু শিশুটি তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে অস্ত্র ত্যাগে রাজি হামাস : ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের যেসব ভূমির দখল নিয়েছে সেগুলো মিলে যদি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয় তবে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি আছে হামাস। গাজার এই সশস্ত্র সংগঠনটির কয়েকজন কর্মকর্তা এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থান করা হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইম বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, যদি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার রাজধানী হবে জেরুজালেম। সেখানে শরণার্থীদের নিজ ভূমিতে ফিরে আসার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং আল কাসেম হবে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জাতীয় সশস্ত্র বাহিনী। সেক্ষেত্রে হামাস যুদ্ধ বন্ধ করে অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি আছে। ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীর, অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা মিলে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের দাবি জানিয়ে আসছে। এ বিষয়ে প্যালেস্টিনিয়ান ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ (পিএনআই)-এর প্রেসিডেন্ট মুস্তফা বারঘৌতি বলেন, হামাস অস্ত্র ত্যাগের বিষয়ে যে প্রস্তাব দিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে যদি খবরটি সত্য হয় তবে সেটা খুবই উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হবে। তিনি বলেন, এটি এই অর্থে তাৎপর্যপূর্ণ যে ফিলিস্তিনিরা দখল প্রতিরোধ করছে। কারণ সেখানে দখল করা হয়েছে। যদি সেখানে দখলের ঘটনা না ঘটত তবে প্রতিরোধের বিষয়ও আসত না। গাজায় ত্রাণ সরবরাহের অস্থায়ী বন্দর নির্মাণকাজ শুরু : প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী মার্কিন সেনাবাহিনী গাজা উপকূলে অস্থায়ী বন্দর তৈরির কাজ শুরু করেছে। মে মাসেই সেখান থেকে মানবিক সহায়তা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে স্থলপথে গাজার মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ পাঠানোর কাজ অত্যন্ত কঠিন। তাই মানবিক সাহায্য পাঠাতে মার্কিন সেনাবাহিনী গাজা উপকূলের কাছে সমুদ্রে অস্থায়ী বন্দর তৈরির কাজ শুরু করেছে। আগামী মে মাসেই সেটি প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার কথা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত মার্চ মাসে অস্থায়ী বন্দর নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই উদ্যোগের আওতায় গাজার মাটিতে কোনো মার্কিন সেনা পা রাখবে না। মার্কিন সেনাবাহিনীর তৈরি অস্থায়ী বন্দর গাজার প্রায় ২৩ লাখ মানুষের জন্য বাস্তবে কত পরিমাণ ত্রাণ পাঠাতে সাহায্য করবে এবং সেই সহায়তা স্থলপথে কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে, গাজার উত্তরে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বেড়ে চলায় জরুরি সহায়তার প্রয়োজনের কথা বলছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংগঠন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, অস্থায়ী বন্দরে পাঠানো মানবিক সাহায্য ইসরায়েলি চেকপোস্টের অনুমোদনের পর গাজার অভ্যন্তরে পাঠানো যাবে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের যোদ্ধাদের কাছে কোনো ধরনের ত্রাণ যেন না পৌঁছে- ইসরায়েল তা নিশ্চিত করতে চায়। জাতিসংঘের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও ইসরায়েল পুরো প্রক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায়। অস্থায়ী বন্দর তৈরির কাজ শেষ হলে প্রথম পর্যায়ে ৯০টি ট্রাক সেখান থেকে ত্রাণ সংগ্রহ করতে পারবে। কাজ পুরোপুরি শেষ হলে ১৫০ ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে পারবে। অস্থায়ী বন্দরের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত নির্বিঘেœ মানবিক সাহায্য পাঠানো সম্ভব হলেও রাফায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ঘোষিত অভিযানের কারণে গাজার সার্বিক পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ত্রাণ বণ্টনের কাজ আরো বিপজ্জনক ও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। রাফায় ব্যাপক বিমান হামলা ইসরায়েলের : গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে মিসর সীমান্তবর্তী রাফাহ শহরে বৃহস্পতিবার আবারো ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শহরটিতে পুনরায় হামলা চালানোর সতর্ক বার্তা দেয়ার একদিন পরই এই হামলা চালালো তারা। এতে ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার রাফা শহরে শিগগিরই অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েল। এর প্রস্তুতি হিসেবে সেখানে থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল তারা। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে রাফায় ৫টি বিমান হামলা হয়েছে। এই হামলায় কমপক্ষে ৩টি বাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ নিহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন। জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম খরাইশি বলেছেন, রাফায় যা ঘটতে যাচ্ছে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অনেকেই পালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবারকে নিয়ে তারা ভয় পাচ্ছেন। তবে তারা যাবেন কোথায়? উত্তর গাজায় যাওয়ার অনুমতি নেই তাদের। তারা একটি সংকীর্ণ জায়গায় আটকে রয়েছেন। হামাসকে নির্মূল করার লক্ষ্যে গাজায় আকাশ ও স্থলপথে প্রায় ৭ মাস ধরে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। উপত্যকাটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণের খান ইউনিসেও নতুন করে হামলা চালিয়েছে তারা। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে করা হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মতে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৩০৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যুদ্ধের কারণে খাদ্য, পানি ও ওষুধের সংকটের মধ্যেই অঞ্চলটির প্রায় ২৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা : যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভের ঝড় বইছে। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অনেক শিক্ষকও। বিক্ষোভের কেন্দ্রে রয়েছে নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে আছে ইসরায়েলি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের যোগসূত্র ছিন্ন ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন প্রত্যাহার করা। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভকারীরাও একই ধরনের দাবি জানিয়েছেন। ক্যাম্পাসে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা ‘ক্যাম্প’ বা শিবির তৈরি করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বোমাবর্ষণের প্রতিবাদে সব ধরনের শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছে ফিলিস্তিনি, আরব, ইহুদি ও মুসলিম। ইসরায়েলবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের দ্য ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া (ইউএসসি) তার প্রধান স্নাতক অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাতিল করা হয়েছে অনুষ্ঠানটি। আগামী ১০ মে এটি হওয়ার কথা ছিল। ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ অমান্য করায় বৃহস্পতিবার ২৮ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আটলান্টার ইমোরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। নিউইয়র্ক সিটিতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের এদিন রাতের মধ্যে শিবির তুলে নিতে যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল, সেটি প্রত্যাহার করেছে। গত বুধবার পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে অনুপ্রবেশের অভিযোগে অন্তত ৯৩ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং সেখানে স্থাপন করা বিক্ষোভকারীদের অস্থায়ী শিবিরগুলো ভেঙে দেয়ার নির্দেশ দেয়। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলা বিক্ষোভ নিয়ে ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগ উঠেছে। বেশ কিছু ইহুদি শিক্ষার্থী বলেছেন, তারা কলাম্বিয়াসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিরাপদ বোধ করছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্য ইহুদি শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে রাজধানী ওয়াশিংটনে জর্জটাউন ও জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের (জিডব্লিউ) শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের (জিডব্লিউ) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার একটি শিবির প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিক্ষোভকারীদের অবস্থান এখন হোয়াইট হাউস ও পররাষ্ট্র দপ্তরের অদূরে। এদিকে নিউইয়র্ক ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়েও বিক্ষোভ চলছে এবং অস্থায়ী শিবির গড়ে তোলা হয়েছে। এ সপ্তাহের শুরুর দিকে উভয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এছাড়া বিক্ষোভ অব্যাহত আছে হার্ভার্ড, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি, ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান ও অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, বিক্ষোভকারীরা ভবনগুলো দখল করে রাখায় আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত ক্যাম্পাস বন্ধ থাকবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App