×

বিনোদন

সহকর্মীদের স্মৃতিচারণে সীমানা...

Icon

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সহকর্মীদের স্মৃতিচারণে সীমানা...

বিনোদন প্রতিবেদক : হাসপাতালে ১৪ দিনের লড়াই শেষে চলে গেলেন অভিনেত্রী রিশতা লাবণী সীমানা। মাত্র ৩৯ বছর বয়সেই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল তার সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্ত-অনুরাগীরা। অভিনেত্রীর ‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের সহকর্মী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে সীমানার ছবি দিয়ে অভিনেত্রীকে নিয়ে লিখেছেন চঞ্চল। তিনি লিখেছেন, ‘সীমানা জীবনের সীমানা পেরিয়ে পৌঁছে গেলি মৃত্যুর সীমানায়! অনন্তলোকে তুই চির শান্তিতে থাকিস। তোর জন্য রইল গভীর শোক। ‘সাকিন সারিসুরি’, কলেজ টুডেন... কত কত স্মৃতি!’ অভিনেত্রীর শাহানাজ খুশি গতকাল এক ফেসবুক পোস্টে সীমানাকে নিয়ে লিখেন, প্রতিদিন সকালে উঠেই আগে নিউজ স্ক্রল করে দেখি, তোর কোনো ভালো খবর আছে নাকি। আজো তাই করতে যেয়ে তোর এ খবর পেলাম! তোর সঙ্গেকার সব স্মৃতি দুই চোখে ভিড় করছে, তোর বাচ্চা দুইটা...! সব যন্ত্রণার অবসান হলো আজ। শান্তিতে ঘুমা!

‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের আরেক সহকর্মী বন্যা মির্জা ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, চলেই গেলি সীমানা! তুই এত নিশ্চুপ থেকেছিলি সব সময়! চলেও গেলি নীরবে।

নির্মাতা সালাউদ্দিন লাভলু ‘সাকিন সারিসুরি’ নাটকের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘সীমানার শুরু সুন্দরী প্রতিযোগিতা দিয়ে। প্রথমে একটু সন্দিহান ছিলাম, মোশাররফ করিমের বিপরীতে এত গুরুত্বপূর্ণ একটা চরিত্রে কেমন করবে। দুই-তিন দিনের মতো গ্রুমিং হলো বেশ দ্রুত সময়ে সেসব আয়ত্ত করে ফেলল। যখন ক্যামেরা ওপেন হলো সীমানার অভিনয়ে সবাই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। এত ভালো অভিনয়! ও তখন অনেক পরিশ্রম করেছিল, কারণ ও একজন অভিনেত্রী হতে চেয়েছিল। ওর সবচেয়ে বড় গুণ সততা, শুটিংয়ে কখনো ফাঁকিবাজি করেনি, সময় নষ্ট করেনি।’

‘সাকিন সারিসুরি’র নাট্যকার বৃন্দাবন দাস বলেন, ‘আমি তো শুটিংয়ে যাই না তেমন, তো লাভলু ভাই একদিন বললেন এই চরিত্রে নতুন একজনকে নিয়েছেন। ও যে নতুন অভিনেত্রী, দেখে একদমই বোঝা গেল না। এরপর আমার সঙ্গেও ওর বেশ কিছু কাজ হয়েছে, অসম্ভব গুণী একজন অভিনেত্রী ছিল সীমানা। ওর বিনয় আমাকে মুগ্ধ করত, সিনিয়র অভিনেতাদের সম্মান করত সীমানা। ওর মৃত্যু আমাকে স্তব্ধ করেছে।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App