×

এই জনপদ

সোহাগ গ্রেপ্তার

‘ব্যারিস্টার সুমনকে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় ছিল উদ্দেশ্য’

Icon

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

শফিকুল আলম চৌধুরী, হবিগঞ্জ থেকে : হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যা নয়, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিল গ্রেপ্তার সোহাগ মিয়ার আসল উদ্দেশ্য। সে পেশায় একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলাও রয়েছে।

ইতোমধ্যে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারও হয়। এসব তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আক্তার হোসেন। গতকাল বুধবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার আক্তার বলেন, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া (মোবারকপুর) গ্রামের মন্তাজ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া ওরফে সুমেল মিয়া চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোবাইল ফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে জানায়, ব্যারিস্টার সুমনের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। তাকে হত্যা করা হতে পারে। এ বিষয়ে ২৮ জুন চুনারুঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ পুলিশ ও ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সমন্বয়ে পুলিশের একাধিক টিম রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে। গত মঙ্গলবার রাতে তাকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে, সে একজন পেশাদার প্রতারক। ইন্টারনেটে ভারতীয় একটি প্রতারণার গল্প দেখে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলার কৌশল রপ্ত করে। তার অংশ হিসেবেই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু যেহেতু সংসদ সদস্যের মোবাইল ফোন নম্বর তার কাছে ছিল না, তাই সে ওসির মোবাইল ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেছে। তার উদ্দেশ্য ছিল সংসদ সদস্য হুমকির কথা শুনলেই হয়তো বলবেন কারা হত্যা করতে চায় তাদের নাম বলো। তখন তিনি টাকা চাইবেন। কিন্তু তার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়েছে। থানায় জিডি করা হয়েছে। এরপর সে পালাতে চেয়েছিল। বারবার স্থান বদলেছে। অবশেষে তাকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App