×

এই জনপদ

ঠাকুরগাঁও বন বিভাগ

পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে কার্যক্রম

Icon

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে কার্যক্রম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। পানি পড়ছে চুইয়ে। ঝুঁকি এড়াতে ছাদের উপরে দেয়া হয়েছে টিনের চালা। সেখানেই বছরের পর বছর ঝুঁকি নিয়ে চলছে ঠাকুরগাঁওয়ের বন বিভাগের কার্যক্রম। ভবনগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

বনবিভাগ সূত্র জানায়, ১৯৭৫ সালে শহরের হাজির মোড় এলাকায় দুই একর জায়গার ওপর স্থাপন করা হয় ঠাকুরগাঁও সামাজিক বনায়ন বিভাগ ও নার্সারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। শুরুতে একজন রেঞ্জ কর্মকর্তা, একজন ফরেস্টার, দুজন মালি ও দুজন বন প্রহরী মিলিয়ে সাতটি মঞ্জুরি পদের জন্য ৭টি কোয়ার্টার এবং দাপ্তরিক কাজের জন্য একটি কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে কোয়ার্টারগুলো দীর্ঘদিনেও সংস্কার না করায় ধীরে ধীরে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ২০২১-২২ অর্থবছরে দাপ্তরিক ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বাসগৃহ মেরামত করে সেখানে চলছে অফিসের কার্যক্রম। ২০২২ সালে ঝড়ে এ ভবনটিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর ছাদের উপর টিনের চালা দিয়ে দাপ্তরিক কাজ সারছেন বনকর্মকর্তা।

সরজমিনে দেখা যায়, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত সবকটি কোয়ার্টারের জীর্ণ দশা। লতা-গুল্ম গাছ-গাছালিতে আচ্ছাদিত হয়ে গেছে পুরো এলাকা। এর মধ্যে ৫টি টিনশেডের কোয়ার্টারের আবার দরজা-জানালা বলতে কিছু নেই। পোকামাকড়ের আনাগোনা পুরো এলাকায় ও স্যাঁতসেঁতে আবাসিক ভবনগুলোজুড়ে। সব মিলিয়ে যেন একটা ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে এলাকাজুড়ে।

বাগানমালী রমজান আলী বলেন, আমাদের থাকার জন্য একটু ভালো ভবন দরকার। সারাদিন পরিশ্রমের পর সন্ধ্যায় এসে পরিত্যক্ত ঘরে ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হয়।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিউল আলম মণ্ডল বলেন, এসব কোয়ার্টার অনেক পুরনো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অফিস করতে হচ্ছে। বিষয়টি দিনাজপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জানানো হয়েছে। শুধু দুটি ভবন ও একটি টিনশেড ঘর মেরামত করা হলেও অন্য ভবনগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এ অবস্থায় নতুন করে ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তাছলিমা খাতুন বলেন, নতুন করে ভবন নির্মাণের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App