×

এই জনপদ

মেঘনা উপকূলে একের পর এক দেখা মিলছে রাসেলস ভাইপারের

Icon

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ল²ণ চন্দ্র সূত্রধর, চাঁদপুর থেকে : এবারেই প্রথম নয় কয়েক বছর চাঁদপুরের মেঘনা উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক দেখা মিলেছে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) নামের সাপ। শেষ দেখা মিলেছে শহরের পুরাণ বাজার হরিসভা এলাকায়।

গত শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হরিসভা মেঘনা নদীর পাড়ে শহর সংরক্ষণ বাঁধে কাজ করা শ্রমিকরা বালুভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলতে গিয়ে রাসেলস ভাইপারের দেখা পান। তবে এখন পর্যন্ত মেঘনা উপকূল ছাড়া জেলার সমতল এলাকায় এই সাপের দেখা মিলেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা কার্তিক বলেন, শ্রমিকরা রাসেলস ভাইপার সাপ দেখলে ডাক চিৎকার দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন সাপটি দেখার জন্য ছুটে আসেন। এরপর সাপটিকে কারেন্টজাল দিয়ে মুড়িয়ে এবং পিটিয়ে মেরে ফেলে কিশোর ও যুবকরা। পরে মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়া হয়। কয়েক বছর মেঘনা উপকূলীয় এলাকা চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোড, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ ও হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) নামের সাপের দেখা মিলেছে। এসব সাপের মধ্যে শহরের কোড়ালিয়া রোডে ধরা পড়া রাসেলস ভাইপার সাপটি বন বিভাগ নিয়ে যায়। বাকি অন্য স্থানে ধরা পড়া সাপগুলো স্থানীয়রা পিটিয়ে মেরে ফেলে।

চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা চিকিৎসক শাখাওয়াত হোসেন বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের কামড় প্রসঙ্গে জনসচেতনতার জন্য বলেন, কাউকে যদি বিষধর কোনো সাপে কামড়ায়, তাহলে তাকে ওঝার কাছে না নিয়ে, দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে যত দ্রুত হাসপাতালে আনা যায়, ততই ভালো হবে।

তিনি আরো বলেন, সাপে কামড়ে সঙ্গে সঙ্গে কামড়ের ওপরের স্থানে কোনো রশি দিয়ে বাঁধা যাবে না। সেখানে গামছা বা ওড়নাসহ সুতি জাতীয় কাপড় দিয়ে হালকা করে বাঁধতে হবে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক এ কে এম মাহাবুবুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, যে কোনো বিষধর সাপে কামড়ালে বিষ প্রতিষেধকের একই এ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন দেয়া হয়। আমাদের হাসপাতালে ১৩০টি এ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। এর পাশাপাশি আরো ২০০ চাহিদার কথা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। খুব শিগগিরই সে চাহিদার ভ্যাকসিন আনতে হাসপাতাল থেকে লোক পাঠানো হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App