×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

এই জনপদ

বাউফলে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

Icon

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বাউফলে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : বাউফলের ধুলিয়া বাজার এলাকায় সরকারি জমি দখল করে দোকানঘর, মাছের ঘের ও মুরগির খামার নির্মাণ করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। ভূমি অফিসের অসাধু কিছু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছেন তারা। এদিকে জমির অভাবে বাজার সম্প্রসারণ প্রকল্প ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আটকে আছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর দেখছি, করছি বলে সময় ক্ষেপণ করছেন।

সরজমিন দেখা গেছে, গত ২৬ জুন (বুধবার) দখল হওয়া ওই সরকারি জমি উদ্ধারের জন্য লাল নিশান টাঙিয়ে দেয়া হলেও প্রশাসন নিরব থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় ও ধুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের ঘুরচাকাঠী মৌজায় সরকারি খাস খতিয়ানের ১০/১৫৮৭ দাগে ২.৭০ একর জমি রয়েছে। যার মধ্যে ধুলিয়া বাজার এলাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ জমি খাস রয়েছে। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় প্রভাবশালীরা দখল করে ব্যবসা করে আসছে।

ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে সরকারি জমিতে পাকা দোকান ঘর, মুরগির খামার ও মাছের ঘের করেছেন ওই প্রভাবশালীরা। সম্প্রতি স্থানীয় এমপি ধুলিয়া বাজার সম্প্রসারণের জন্য বরাদ্দ দিলেও সরকারি জমি বেদখল থাকায় বাজার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। ধুলিয়া বাজারের প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশে সরকারি জমিতে ২০ থেকে ২২টি পাকা ও আধাপাকা ঘর রয়েছে।

এসব দোকানঘর অন্যজনের কাছে ভাড়াও দিয়েছেন দখলদাররা। দোকান ঘরের পিছনের ডোবা-নালায় মুরগির খামার ও মাছের ঘের করা হয়েছে।

সরকারি জমিতে এসব দোকান ঘরের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা সুমন মিয়ার ৪টি, সজল ওঝার ৩টি, সুশান্ত ওঝার ২টি, ইউনিয়ন যুবদল নেতা নাসির উদ্দিনের ১টি ও মিজান হাওলাদারের দখলে ২টি ঘর রয়েছে। বাজার উন্নয়নের স্বার্থে সরকারি ওই জমি ছেড়ে দিতে বার বার বলা হলেও দখলদাররা জমি ছাড়ছেন না। সবশেষ গত বুধবার স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস সীমানা নির্ধারণ করে লাল নিশান টাঙিয়ে দিলেও জমি উদ্ধারে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। স্থানীয়রা জানান, সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা অবৈধ নির্মাণ করেছেন প্রভাবশালীরা। তারা নিয়মিত ভূমি অফিসে টাকা দিয়ে জমি দখলে রেখেছেন।

এ বিষয়ে ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মু. হুমায়ন কবির জানান, বাজার উন্নয়নের জন্য প্রকল্প নেয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি জমি বেদখল থাকায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হয়েছে। তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলেছেন। দখলদারদের কাছে ম্যানেজ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ধুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সেলিম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে খাস জমির সিমানা নির্ধারণ করে সেই জমিতে লাল নিশান টাঙিয়ে জমি দখলে নেয়া হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন।

বাউফল উপজেলা সহাকরী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক কুমার কুন্ডু বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমরাও জড়িত। সরকারি জমি খালি করতে বলা হয়েছে। যদি স্ব-ইচ্ছায় চলে না যান, তাহলে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App