×

এই জনপদ

মোংলায় তরুণীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

Icon

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোংলা পৌর শহর থেকে এক তরুণীকে তুলে নিয়ে চিংড়ি ঘেরে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকালে সাতজনকে আসামি করে মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর এক আত্মীয়। এদিন রাতে অভিযান চালিয়ে মোংলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মোংলা থানাপুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, মোংলা পৌর শহরের মিয়াপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া ২২ বছর বয়সি ওই তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে ১০-১২ দিন আগে পরিচয় হয় উপজেলার বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা রুমান ফকির (২৫) ও চিলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রাসেল শেখের (২২)। গত সোমবার তারা ওই তরুণীকে মোংলা কলেজের সামনে দেখা করতে আসতে বলেন। তাদের কথায় সাড়া দিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় মোংলা কলেজের সামনে আসেন তরুণী। এরপর রুমান ও রাসেল তাকে জোরপূর্বক একটি মোটরসাইকেলে উঠিয়ে রানা শেখের মাছের ঘেরে নিয়ে হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই তরুণী অচেতন হয়ে পড়লে রাত ১টার দিকে তাকে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় চাদপাই ইউনিয়নের মৌখালী ব্রিজের কাছে ফেলে চলে যান অভিযুক্তরা। পরে এক মোটরগাড়িচালক ওই তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকালে মোংলা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তার নিকটাত্মীয়র এক বোন। অভিযোগে সাতজনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- উপজেলার উত্তর বাঁশতলা ইউনিয়নের মনিরুল ফকিরের ছেলে রুমান ফকির (২৫), চিলা ইউনিয়নের মৃত চান মিয়া শেখের ছেলে রাসেল শেখ (২২), বাঁশতলা ইউনিয়নের ওলি শেখের ছেলে রানা শেখ (২৪), একই এলাকার বায়েজিদ খানের ছেলে সুমন খান (২৯), বাশার মোসল্লীর ছেলে মিজানুর মোসল্লী (৩৬), মৃত আ. রশিদের ছেলে মো. জামাল (৪৫), লুৎফরের ছেলে মো. আওয়াল (৩৫)। ধর্ষিত তরুণী মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়ের ও সব প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App