×

এই জনপদ

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আজাদের বিচার দাবি

Icon

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : ভোটে বিএনপি নেতাদের নামিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করানো অভিযোগে কেন্দ্রীয় বিএনপির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ও পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ফরহাদ হোসেন আজাদের বিচার দাবি করছেন রহিমুল ইসলাম বুলবুল নামে এক বহিষ্কৃত নেতা। গত বৃহস্পতিবার রাতে দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নের সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ তুলেন তিনি।

এই অনুষ্ঠানে ফরহাদ হোসেন আজাদের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে কমিটি গঠন, নিজ বাসায় মিটিং করে সদ্য অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি নেতাদের ভোটে নামিয়ে টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ নেতার পক্ষে কাজ করাসহ একাধিক অভিযোগ তোলা হয়।

উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) রহিমুল ইসলাম বুলবুল বক্তব্যে বলেন, গত ২১ মে হয়ে যাওয়া দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে দেবীগঞ্জ উপজেলায় আমি চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়েছিলাম। এই নির্বাচনে অংশ নিতে আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। তার বাড়িতে ১০ ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নিয়ে মিটিং ডেকে সেখানে তিনি (ফরহাদ হোসেন আজাদ) বলেছিলেন আমি মির্জা ফখরুল, আমি তারেক রহমান, আমি বলছি দেবীগঞ্জে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন বুলবুল। তার কথা মতো জমি বিক্রি করে আমি ভোটে অংশ নিলাম। তিনি এভাবে না বললে আমি কখনোইে ভোট করতাম না। অথচ ভোটে দাঁড়ানোর পর দেখলাম তিনি (ফরহাদ হোসেন আজাদ) আওয়ামী লীগের সমর্থনে কাজ করলেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রহিমুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আমি ফরহাদ হোসেন আজাদের বিচার চাই। তিনি আমাকে কুরবান করে দিয়েছেন। আমার জায়গা জমি বিক্রি করে ফেলেছি। যারা বিএনপি করে তাদের কাছে আমি বিচার চাই। তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার কাছে বিচার চাই। আগামী দিনে যেন তিনি বোদা-দেবীগঞ্জে বিএনপির কাছে প্রশ্রয় না পান।

প্রবীণ বিএনপি নেতা ফজলার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সোনাহার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাজেদুর রহমান, পামুলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডিউক চৌধুরী, দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য সচিব জান্নাতুন নাইম মিতু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ফরহাদ হোসেন আজাদ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাসায় ভোট বর্জনের মিটিং হয়েছিল। আমি সবাইকে ভোট থেকে ফিরে আসতে বলেছি। বোদা, সদর ও দেবীগঞ্জের বিএনপির কয়েকজন নেতা ভোট থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু বুলবুল সরে আসলেন না। দলের নির্দেশনা অমান্য করে ভোট করে হেরে গেলেন আর এখন আমাকে দোষারোপ করছেন, আমি নাকি তাকে ভোটে দাঁড়িয়ে দিয়েছি। আর তার ওই অনুষ্ঠানে যারা গেছেন তারা সবাই বিতর্কিত। তাদের কেউ দলীয় নির্দেশ না মানায় বিভিন্ন সময়ে পদ হারিয়েছেন। বর্তমানে বিএনপির দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কেউতো তার অনুষ্ঠানে যায়নি। তারা আগেও আমার বক্তব্য সুপার এডিট করে ছড়িয়েছে। এখনো আমার পেছনে লেগে আছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App