×

এই জনপদ

ঝিনাইদহ

ধর্ষণ মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন

Icon

প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

রোকনুজ্জামান মিলন, ঝিনাইদহ থেকে : জেলার সদর উপজেলায় হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মিজানুর রহমান এই রায় দেন। রায় দেয়ার সময় খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ফরিদ নরহরিদ্রা গ্রামের খোন্দকার আমিরুজ্জামানের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঝিনাইদহ শহরের ধোপাঘাটা ব্রিজ পাড়ায় বসবাস করেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল ফরিদের নিজ গ্রামের এক বিচারপ্রার্থী নারীকে মাদকদ্রব্য সেবন করিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল ওই নারী ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে ওই নারীকে বিয়ে করে আবার একই টেবিলে বসে তালাকও দেন ফরিদ। ধর্ষিতা ঝিনাইদহ শহরসংলগ্ন পাগলাকানাই ইউনিয়নের কোরাপাড়া বটতলা পাড়ার ফারুক হোসেনের মেয়ে। এদিকে ধর্ষণ মামলার পর ফরিদ উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে ২০২২ সালের ১৬ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ঝিনাইদহের আদালত মামলাটি অধিকতর তদেন্তর জন্য ডিএনএ টেষ্ট করার জন্য ঢাকায় পাঠায়। ডিএনএ টেষ্টে ফরিদ ফেঁসে যায়।

আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে যাবজ্জীবন সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম সাজা দিয়েছেন।

এই মামলায় খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদের গাড়িচালক চালক হুদা বাকড়ী গ্রামের ইউনুস মুন্সির ছেলে নজরুল ইসলামকে খালাস দেয়া হয়েছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App