×
Icon এইমাত্র
কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল ভবনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহত কোটা ইস্যুতে আপিল বিভাগে শুনানি রবিবার: চেম্বার আদালতের আদেশ ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক ‘লাশ-রক্ত মাড়িয়ে’ সংলাপে বসতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা

এই জনপদ

ইবির পরিবহন খাত

কাক্সিক্ষত সেবা নেই, তবুও বছরে ব্যয় ১২ কোটি

Icon

প্রকাশ: ২৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাক্সিক্ষত সেবা নেই, তবুও বছরে ব্যয় ১২ কোটি

কাগজ প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পরিবহন দপ্তরের মাসিক ব্যয় প্রায় কোটি টাকা। সে হিসাবে বছরে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু পরিবহনসেবা নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবহনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলে ছোট-বড় ৪৬টি বাস রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত চলাচল করে ৪৩টি। মেরামতের জন্য তিনটি বাস গ্যারেজে রয়েছে। এর মধ্যে পরিবহন প্রশাসন দিনে ট্রিপ হিসেবে ৩২টি বাস ভাড়া করে চালায়। ভাড়াবাসে কুষ্টিয়া রুটে প্রতিবার যাতায়াতে ২ হাজার ১৫০ টাকা ও ঝিনাইদহ রুটে দিতে হয় ২ হাজার ৬৫০ টাকা। ভাড়াবাসের ভাড়া, ক্যাম্পাসের নিজস্ব বাসের জ¦ালানি ও মেরামত খরচ বাবদ পরিবহন দপ্তরের বার্ষিক ব্যয় ১১ থেকে ১২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে পরিবহন দপ্তরের ব্যয় ছিল ১১ কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার ৫৮৩ টাকা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে পরিবহন দপ্তরের ব্যয় ৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৮ হাজার ২৩৩ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, বিপুল অর্থ ব্যয় করেও কাক্সিক্ষত পরিবহনসেবা পাচ্ছেন না সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন রুটে শিক্ষার্থীর তুলনায় বাসের ট্রিপ কম থাকা, ফিটনেসবিহীন ভাড়াবাস ব্যবহার ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাসের চালক ও সহকারীদের অসদাচরণসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও সে তুলনায় বাড়েনি পরিবহন। তাতে গাদাগাদি করে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তুলনামূলকভাবে ভালো বাসগুলো শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এবং ফিটনেসবিহীন ভাড়াবাসগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। ফিটনেসবিহীন বাসগুলো যে কোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে বলে মনে করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহরের দূরত্ব যথাক্রমে ২৪ ও ২২ কিলোমিটার হওয়ায় যাতায়াতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। এসব ফিটনেসবিহীন বাসে প্রতিদিন চলাচল করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। সরজমিন দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া বাসগুলোর বসার সিট ও গøাস ভাঙাসহ নানা সমস্যা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাজিদুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, নিজস্ব বাসে চলাচলে কোনো ঝামেলা হয় না। কিন্তু ভাড়ায়চালিত বাসগুলোর চালক ও তার সহকারীরা দুর্ব্যবহার করেন। পথে থামিয়ে বাইরের যাত্রী ওঠান। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের রেখে চলে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, পরিবহন খাতটা ঢেলে সাজানোর জন্য বড় বাজেট দরকার। সরকার যদি কখনো বড় বাজেট দেয়, তাহলে সব সমস্যা মেটানো যাবে। ভাড়ায়চালিত বাসের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যে কোনো অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নিই।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App