×

এই জনপদ

শিক্ষাবঞ্চিত দুই সহস্রাধিক শিশু

মধ্যনগরে ৬০ গ্রামে নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়

Icon

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

রাসেল আহমেদ, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) থেকে : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ১৪৪টি গ্রাম রয়েছে। এসব গ্রামের ৮৪টিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ৬০টি গ্রাম বিদ্যালয়হীন। এসব গ্রামে শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত ও ঝরে পড়া কোমলমতি শিশুর সংখ্যা দুই সহস্রাধিক। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজার ৫৩৫। এর মধ্যে ঝরে পড়া শিশুর হার ৮.০৫ শতাংশ। জানা যায়, উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে ১৮টি, বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউনিয়নে ১৪টি, মধ্যনগর ইউনিয়নে ১২টি ও চামরদানী ইউনিয়নে ১৬টি গ্রামে নেই কোনো বিদ্যালয়। এদিকে ৬০ গ্রামে স্কুল না থাকায় ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে তারা ক্ষেত-খামারে, স্থানীয় হাট-বাজারের হোটেল-রেস্তরাঁয় এমনকি হাওরে মাছ ধরার কাছে জড়িয়ে পড়ছে। উপজেলার ৮৪টি বিদ্যালয়ে ৩৪০ জন সহকারী শিক্ষক ও ৫৬ জন প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। শূন্য রয়েছে প্রধান শিক্ষকের ২৮টি ও সহকারী শিক্ষকের ৪৬টি পদ। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মানবেন্দ্র দাস বলেন, দুই হাজার জনগোষ্ঠীর মধ্যে একটি বিদ্যালয় স্থাপন করার বিধান রয়েছে, এখানে প্রতিটি গ্রাম ছোট ও বিচ্ছিন্ন এবং জনসংখ্যা কম থাকায় বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য প্রতিবেদন পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিদ্যালয়বিহীন ৮টি গ্রামে স্কুলের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবরে ইতোপূর্বে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। করোনা মহামারির পর থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে সব শিক্ষকের প্রতি ঝরে পড়া রোধ করতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া আছে। সুুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ-সদস্য রনজিত চন্দ্র সরকার ভোরের কাগজকে বলেন, মধ্যনগর উপজেলার ৬০টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, এটা দুঃখজনক। আমি বিদ্যালয়বিহীন এসব গ্রামে প্রাপ্যতা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App