×

এই জনপদ

ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছে ছেয়ে যাচ্ছে জামালপুর

Icon

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছে  ছেয়ে যাচ্ছে জামালপুর
সাইমুম সাব্বির শোভন, জামালপুর থেকে : জামালপুরে প্রচুর ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছের দেখা মিলবে। এই গাছ অক্সিজেন শোষণ করে, ত্যাগ করে নাইট্রোজেন। পুরো জেলার সড়ক-মহাসড়ক, কৃষি জমিসহ বাড়ির আঙ্গিনা এ গাছে ছেয়ে যাচ্ছে। এই গাছ বেশি দেখা যায় ইসলামপুর উপজেলায়। বন ও পরিবেশ দপ্তর ইউক্যালিপটাস গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করলেও তা মানা হচ্ছে না। এছাড়া জেলায় এই গাছের সংখ্যা কত, তারও কোনো হিসাব নেই বন বিভাগের কাছে। স্থানীয়রা বলছেন, চারার সহজলভ্যতা, স্বল্প সময়ে বেশি লাভ ও আসবাবপত্র তৈরিতে এই গাছের কাঠের চাহিদা বেশি থাকায় এটি রোপণে ঝুকছে এলাকাবাসী। ইসলামপুরের বাসিন্দা সাগর ফারাজী বলেন, ‘ইউক্যালিপটাস গাছ লাগালে তা অল্প সময়ে দ্রুত বেড়ে ওঠে। এই গাছের চাহিদাও বেশি।’ একই উপজেলার আরেক বাসিন্দা শান্ত বলেন, ‘এই গাছ বেচে অনেক টাকা পাওয়া যায়। এ কারণে অনেকে এ গাছ লাগাচ্ছেন’। মাটির ১৫ মিটার গভীরে ২০-৩০ ফুট জায়গা নিয়ে দিনে ৪০ থেকে ৫০ লিটার পানি শোষণ করে ইউক্যালিপটাস গাছ। এতে মাটি শুষ্ক হওয়ার পাশাপাশি উর্বরতা হারায় ফসলি জমি। এই গাছের ক্ষতিকরের দিকটি জেনে না জেনে অনেকে রোপণ করছেন। মেলান্দহ উপজেলার বাসিন্দা সাকিব আল হাসান নাহিদ বলেন, ‘এই গাছের নিচে কিছু লাগালে, সেখানে কিছু হয় না। এই গাছ আসলেই ক্ষতিকর।’ একই উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিনুর ইসলাম বলেন, ‘এই গাছের পাতা পড়ে ফসল নষ্ট করে। ময়মনসিংহ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আমরা বন বিভাগে কোনো ইউক্যালিপটাস গাছ লাগাচ্ছি না। আকাশ মনি গাছও লাগাতেও নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। বর্তমানে আমাদের সুফল প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প চালু আছে। সেখানেও ইউক্যালিপটাস রোপণে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। আমি সবার প্রতি অনুরোধ জানাব, তারা যেন দেশীয় গাছ রোপণ করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App