×

এই জনপদ

সাতকানিয়ায় কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষতি

৭৫ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ২৪ ঘণ্টা অন্ধকারে

Icon

প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

 ৭৫ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক ২৪ ঘণ্টা অন্ধকারে
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কালবৈশাখীতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত সোমবার বিকালে শুরু হওয়া ঝড় উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যায়। ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতও হয়েছে। এতে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এ সময় কেঁওচিয়া নয়াখাল, সোনাকানিয়া বাংলাবাজার, পশ্চিম আমিলাইশ, পুরানগড় ও কাঞ্চনায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তারের প্রচুর ক্ষতি হয়। কিছু স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে সড়কের উপর। অপরদিকে ঝড়ে কয়েকশ বিঘা জমির পাকা ধান মাটিতে হেলে পড়েছে। ধান কাটার ঠিক আগ মুহূর্তে পাকা ধান হেলে পড়ায় ফলন ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কিত কৃষকরা। কৃষকদের হেলে পড়া ধান দ্রুত কেটে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি দপ্তর। ঝড়োবৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে উপজেলার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর মাঝরাতে পিডিবির কিছু লাইন চালু করা হলেও ঝড়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর প্রায় ৭৫ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় পড়ে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুতের ৬টি ফিডারের ২টি ফিডার দুপুরের আগে চালু হলে কিছু গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পান। কিন্তু অধিকাংশ গ্রাহক ২৪ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। সাতকানিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, সোমবার কালবৈশাখী ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি। কিছু সবজি ক্ষেতের মাচা ভেঙে গেছে। মাচাগুলো ঠিক করে দেয়া হলে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যাবে। বাতাসে কিছু ধান হেলে পড়েছে। এবার উপজেলায় আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৩শ হেক্টর বোরো ধান। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৮ ভাগ জমি থেকে ফসল উঠে গেছে। সামনে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। তার আগে মাঠ থেকে ফসল ঘরে তুলতে না পারলে কৃষকের অনেক ক্ষতি হবে। চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সাতকানিয়া জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ইব্রাহিম বলেন, এ অঞ্চলে সোমবার বিকালে ঝড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ২৩টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে। ৬৩টি স্থানে তার ছিঁড়ে গিয়ে ৫৭টি মিটার নষ্ট হয়েছে। এসব জায়গায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চলছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App