×

এই জনপদ

চাটমোহরে সংবাদ সম্মেলন

গুমানী-বড়ালসহ বিভিন্ন নদী থেকে মাটি কাটায় ক্ষোভ

Icon

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : চাটমোহরে গুমানী নদী, বড়াল ও নিমাইচড়া নদে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বালি উত্তোলন করে বিক্রি করার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বড়াল রক্ষা আন্দোলন। নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন করা হলেও স্থানীয় প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংগঠনের নেতারা। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নে কুমারগাড়া গ্রামে একটি বিদ্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাপা ও বড়াল রক্ষা আন্দোলনের নেতারা। বাপা ও বড়াল রক্ষা আন্দোলন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বড়াল রক্ষা আন্দোলনের সদস্য জয়দেব কুন্ডু। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাপার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক এসএম মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, চাটমোহরের গুমানী, বড়াল নদী ও নিমাইচড়া নদসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী নদী খেকো গোষ্ঠী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এক্সকাভেটর মেশিন দিয়ে রাত-দিন নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি কেটে ও বালু উত্তলন করে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রিসহ নদীর অবকাঠামো ধ্বংস করে পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীসহ পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে বারবার জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে মাটি কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়। কিন্তু জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। এতে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলেও কোনো এক অদৃশ্য কারণে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সরকার যেখানে নদী, হাওর, বিল, জলাশয় রক্ষার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নদী রক্ষা কমিটি থাকলেও তার কোনো সভা কখনোই হয় না। এ ব্যাপারে কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বারবার তাগাদা দিয়েও সভা করা সম্ভব হয়নি। দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দেয়া হলে পরিবেশবাদী, নদীপ্রেমী ও এলাকাবাসীকে সংগঠিত করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষাণাও দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেদুয়ানুল হালিম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করে এক্সেভেটরের ব্যাটারি খুলে নিয়ে এসেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App