×

এই জনপদ

আজ ময়নাতদন্ত

ভূমধ্যসাগরে নিহত ৮ বাংলাদেশির মরদেহ ঢামেকে

Icon

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : স্বজনদের বাধা ও হট্টোগোল উপেক্ষা করেই ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত ৮ বাংলাদেশির মরদেহ ময়নাতদন্ত ও সুরতহালের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ শুক্রবার মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে লিবিয়া থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানযোগে দেশে আসে ওই ৮ মরদেহ। এ ঘটনায় মামলা হওয়ায় সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্তের আগে মরদেহ হস্তান্তরে আইনগত বাধার বিষয়ে পুলিশ স্বজনদের জানালে তারা ক্ষিপ্ত হন। একপর্যায়ে শুরু হয় হট্টোগোল। অবশেষে বিকালে স্বজনদের বাধা উপেক্ষা করেই ৮ মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যায় পুলিশ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি অভিবাসী দল নৌকায় করে স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় লিবিয়ার জোয়ারা উপকূল থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে তিউনিসিয়া উপকূলে পৌঁছালে রাত সাড়ে ৪টার দিকে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে ৫২ জন অভিবাসী ও একজন চালক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাদের মধ্যে ৪৪ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ২৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক। বাকিদের মধ্যে পাকিস্তানের ৮ জন, সিরিয়ার ৫ জন, মিসরের ৩ জন ও নৌকা চালক রয়েছেন। ওই ঘটনায় নৌকায় থাকা ৯ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক। নিহত অন্য ব্যক্তি পাকিস্তানের নাগরিক। নিহত বাংলাদেশিরা হলেন- মামুন শেখ, সজল বৈরাগী, নয়ন বিশ্বাস, রিফাত শেখ, সজীব কাজী, ইমরুল কায়েস আপন, মো. কায়সার ও রাসেল শেখ। তারা সবাই মাদারীপুরের বাসিন্দা। এর আগে, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষরাতের দিকে এ দুর্ঘটনার পরপরই ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তিউনিসিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় নগর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে মরদেহের সুরতহাল, শনাক্তকরণ, পরিচয় নিশ্চিত করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App