×

এই জনপদ

ঘাটাইলে প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাৎ!

Icon

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের ইন্সট্রাক্টর খন্দকার জাকিয়া শামছির বিরুদ্ধে। গত সোমবার সকালে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে হট্টগোল তৈরি হয়। সরজমিন প্রশিক্ষাণার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় পৌর এলাকায় অবস্থিত ঘাটাইল রিসোর্স সেন্টারে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি৪) সাব কম্পোনেন্টের আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এজন্য সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ বাবদ প্রতি শিক্ষকের জন্য মাথা পিছু বরাদ্দ সকালে ৮০ টাকা নাস্তা, দুপুরের খাবার বাবদ ২৫০ টাকা এবং ভাতাসহ ৮০০ টাকা দেয়ার কথা। তিনি এসব নিয়মনীতির কোনো প্রকার তোয়াক্কা না করে একক কর্তৃত্ব বলে ইন্সট্রাক্টর খন্দকার জাকিয়া শামছি প্রশিক্ষণের পুরো টাকা শিক্ষকদের না দিয়ে নামমাত্র টাকা দেন এবং শিক্ষকদের নিম্নমানের প্রশিক্ষণ উপকরণ বিতরণ করেন। এ নিয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করবে বলে জানিয়ে একক কর্তৃত্ব বলে প্রশিক্ষণ বন্ধ করে দেন। এমনকি প্রতি শিক্ষকদের কাছ থেকে অডিটের নামে ৯০ টাকা করে নিয়ে রাখেন। এমন অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। মোমরেজ গলগন্ডা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ হোসেন জানান, ইন্সট্রাক্টর খন্দকার শামছি একজন দুর্নীতিবাজ মহিলা, তিনি প্রশিক্ষণের টাকা বিভিন্ন অজুহাতে কেটে নিয়ে যায়। শিক্ষক আবুল কালাম জানান, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা এই দুর্নীতিবাজ প্রশিক্ষককে অপসারণ করতে না পারব ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সব শিক্ষকরা প্রশিক্ষণে হাজির হব না। প্রশিক্ষণের টাকা কর্তনের বিষয় অস্বীকার করে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে ইন্সট্রাক্টর খন্দকার জাকিয়া শামছি জানান, আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোনো টাকা কর্তন করিনি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App