×

এই জনপদ

রাউজানে কৃষি জমি কেটে ইটভাটায় মাটি সরবরাহ

Icon

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

এম. রমজান আলী, রাউজান (চট্টগ্রাম) থেকে : রাউজানে কলমপতি এলাকায় কৃষি জমি কেটে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। কিছুদিন আগে যেখানে সবুজ ধানক্ষেত ছিল, সেখানে এখন তৈরি হয়েছে পুকুর-জলাশয়। জমির মালিক ও কৃষকদের অর্থের লোভ দেখিয়ে ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি নিয়ে যাচ্ছেন ইটভাটার মালিকরা। আবার কোথাও জমির মালিকদের বাধ্য করে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে দিন দিন কমছে জমির উর্বরতা। এছাড়া এই ইট তৈরির প্রক্রিয়ায় আগুনের তাপ, ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরজমিন দেখা গেছে, রাউজানের কলমপতি এলাকায় ৮-১০ ফুট গভীর করে জামির মাটি কেটে কে বি এম নামের একটি ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। জানা যায়, বিগত ২০২১ সালে ওই ইটভাটাটি প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। কিন্তু গত দুই বছর আগে ফের চালু করা হয়েছে। ইটভাটাটি সৈয়দ হোসেন কোম্পানির বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ইটভাটারা মালিকরা দিন-রাত কৃষি জমি ও পাহাড় টিলার মাটি গিলে খাচ্ছে। কৃষি জমির মাটি কেটে নেয়ার বিষয়ে ফোন করে ইটভাটার মালিক সৈয়দ হোসেন কোম্পানির কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। উল্লেখ্য, কৃষি জমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার আইন, ২০১৫ নামে আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এই আইন অমান্য করলে অনূর্ধ্ব দুই বছর জেল এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হবে। কিন্তু এই আইন অমান্য করে ফসলি জমি কেটে মাটি নেয়া হচ্ছে ইটভাটায়। রাউজান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিদুয়ানুল ইসলাম বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা বেআইনি এবং জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে হলে অনুমতি নিতে হয়। যারা কৃষি জমি কেটে মাটি নিয়ে গেছে খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App