×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

আওয়ামী লীগের কাছে সাধারণের চাওয়া-পাওয়া

Icon

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের কাছে সাধারণের চাওয়া-পাওয়া

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আজ ৭৫তম জন্মদিন। ঐতিহাসিক এ দিনটি ঘিরে রাজনীতি সচেতন বাঙালির নানা আবেগ, নানা ধারায় বহমান। বর্তমানে আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দীর্ঘতম সময়ের সভাপতি। ১৯৮১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৪৩ বছর তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়ে আসছে। পাঁচবারের মধ্যে বর্তমানে টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী তিনি। তার লক্ষ্য ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা। আওয়ামী লীগের ১০০তম জন্মবর্ষ অর্থাৎ ২০৪৯ সালের আগেই ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ভিশন ও মিশন।

বিগত প্রায় ১৬ বছরে আমরা দেশের নানা ক্ষেত্রে বিচিত্র উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছি। এর সবই সম্ভব হয়েছে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার স্বপ্ন ও কর্মযজ্ঞের দূর দৃষ্টিসম্পন্ন এবং পরিকল্পিত পদক্ষেপের কল্যাণে। শেখ হাসিনার উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন-অভিলাষ সমসাময়িক জনপ্রত্যাশা ও সাধারণের আকাক্সক্ষা ঘিরেই আবর্তিত। তার দূর দৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বর কারণেই দলটির অন্তর্গত প্রেরণায় যুক্ত হয়েছে সমসাময়িক যুগধর্ম ও প্রাণধর্ম। তাই আওয়ামী লীগ আজ শুধু বাংলাদেশই নয়- উপমহাদেশের এক ঐতিহ্যবাহী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। সংগঠনটির অতীত যেমন দীর্ঘ, ভবিষ্যৎও তেমনি সুদূরপ্রসারিত। আওয়ামী লীগের ৭৫তম জন্মজয়ন্তীতে চারদিক আপ্লুত করে দলটির সাফল্য ও কীর্তিগাথার সংগীতের ঝঙ্কার উঠুক।

বাংলাদেশের ইতিহাসে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ যে প্রাচীনতম তা বলাইবাহুল্য মাত্র। ১৯৪৯ মালের ২৩ জুন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। আমরা জানি, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। তারই ১৯২ বছর পর ঠিক এই দিনটিতেই অর্থাৎ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন গড়ে ওঠে ‘পূর্ব-পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। বুকের ভেতর লালিত গোপন উদ্দেশ্য হয়তো এই ছিল যে, পলাশীর প্রান্তরে বাঙালির হৃত স্বাধীনতার পুনরুদ্ধার। তাই হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ওইদিন ঢাকার টিকাটুলির কে এম দাস লেনে অবস্থিত রোজ গার্ডেন প্যালেসে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালে দলটির সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক। সে সময় পশ্চিম পাকিস্তানেও আওয়ামী লীগের কিছু সংগঠন গড়ে উঠেছিল। সেসব সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। পরবর্তীকালে ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু এবং প্রগতিশীল অন্যদের উদ্যোগে এ দেশের রাজনীতিতে অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চা এবং প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নাম করা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দলটির সাধারণ সম্পাদকের পদ লাভ করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬৬, ১৯৭০ এবং ১৯৭২ সালের কাউন্সিলের মাধ্যমে শেখ মুজিব সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে সংগঠনটি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ হিসেবে পরিচিত হয়।

অনেকেরই ধারণা এই যে, কমিউনিস্ট পার্টি এ দেশের গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য রাজনীতি করেছে। কিন্তু গুণগত, আদর্শগত কিংবা নেতৃত্বগত যে কোনো কারণেই হোক দলটির কর্মকাণ্ড বা নেতৃত্ব এ দেশের সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারেনি। পক্ষান্তরে, মওলানা ভাসানী এবং শেখ মুজিবুর রহমানের সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণের সঙ্গে সহজ ও সরলভাবে মেলা-মেশার উদার ভঙ্গির বাঙালিয়ানা পদ্ধতির জন্য আওয়ামী লীগ এ দেশে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। অন্যদিকে কমিউনিস্টরা আওয়ামী লীগকে ‘পেটি-বুর্জোয়া’ দল বলে অভিযুক্ত করলেও পাকিস্তান শাসনামলে প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগই এ দেশের সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছিল, কমিউনিস্টরা যা কখনোই পারেনি। এ দেশের গরিব-দুঃখী সাধারণ মানুষের মনের কথা যথার্থরূপে আওয়ামী লীগই অনুভব ও উপলব্ধি করতে পেরেছিল। সাধারণের সঙ্গে সহজ ও সরলভাবে মিশবার নেতৃত্ব-গুণই আওয়ামী লীগের প্রথম সারির নেতাদের এবং আওয়ামী লীগকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। সহজ ও সরলভাবে মেলামেশার কল্যাণেই সাধারণের অভাব, অনটন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগই বেশি পরিচিত হয়েছিল। ফলে সেসব অভাব, অনটন ও প্রত্যাশার সঙ্গে মিল রেখে এবং সাধারণ মানুষের যাপিত জীবনের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকারই ছিল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল। তাই সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগের ওপরই ভরসা, বিশ্বাস আর আস্থা স্থাপনেও নির্ভয় এবং নির্ভার ছিল। এজন্যই প্রতিষ্ঠার মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সবচেয়ে বেশি জনসমর্থনপুষ্ট ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ খ্যাতি লাভ করে। ১৯৫৪ সালে কয়েকটি দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলেও আওয়ামী লীগ এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল মূলত এই দলভুক্তদের নেতৃত্ব-গুণের কল্যাণেই। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের যে ভরাডুবি হয় তা থেকে মুসলিম লীগ বাংলাদেশের মাটিতে আর রাজনৈতিক প্রতিদ্ব›িদ্বতায় ফিরে আসতে পারেনি।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের পরও পাকিস্তানি শাসকচক্রের ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয় আওয়ামী লীগ তথা সমগ্র দেশবাসী। ক্ষমতা হস্তান্তরে নানা রকমের টালবাহানারই এক পর্যায়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ১৯৭১ সালের মার্চে শুরু হওয়া মহান মুক্তিযুদ্ধও সংগঠিত হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই এ দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের পরাধীনতার গøানিমুক্ত হয়ে স্বাধীনতার স্বাদ পায়। আমরা দেখি, স্বাধীনতা-উত্তরকালে আওয়ামী বিদ্বেষ প্রকট হতে থাকে। এর পশ্চাতে মুসলিম লীগ এবং তার উত্তরসূরিদের প্রতিহিংসাপরায়ণতাকে অন্যতম কারণ হিসেবে শনাক্ত করা হয়ে থাকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরবর্তী প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির জন্ম, বিকাশ, বৃদ্ধি ও বিস্তার মুসলিম লীগের উত্তরসূরিদের জন্য সহজ ও সুগম হয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্ব›দ্বী হিসেবে বিএনপিসহ পূর্বতন মুসলিম লীগ এবং কমিউনিস্ট ঘরানার কিছু কিছু রাজনৈতিক সংগঠন এখনো সক্রিয় রয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে একবার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনরায় নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। উপমহাদেশে আওয়ামী লীগই একমাত্র রাজনৈতিক দল যার ওপর একাধিকবার রাষ্ট্রীয়ভাবে নৃশংস আঘাত হানা হয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকেই সবচেয়ে বেশি রক্ত দিতে হয়েছে! একদিকে একই দিনে একই পরিবারের শিশুসহ ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে; অপরদিকে একই জনসভায় গ্রেনেড হামলায় ২৪ জনকে মৃত্যুবরণও করতে হয়েছে।

এত প্রাণ বিসর্জনের পরও হত্যা চেষ্টাকারীদের উভয় প্রকল্পই ব্যর্থ হয়েছে। কেননা ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে এখনো আওয়ামী লীগ তার সরব অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়ে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনা করে চলেছে বছরের পর বছর ধরে। সাধারণ মানুষের আস্থা, ভালেবাসা ও ভরসার ওপরেই আওয়ামী লীগের অতীতে দীর্ঘ ইতিহাস। আর সাধারণ মানুষের ভালোবাসা নিয়েই দলটির ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে- এদেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন, উন্নতি ও অর্থনৈতিক মুক্তির অভিলাষকে সঙ্গী করে। জনপ্রত্যাশা পূরণের মধ্য দিয়ে অনন্তকাল সাফল্যের গৌরব ললাটে ধারণ করে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাক। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাক এটাই সাধারণের প্রত্যাশা। যে কোনো সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতি বছরই নিত্যনতুন প্রত্যাশা নিয়ে সমাগত হয়। আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীও আমাদের সম্মুখে যেন প্রত্যাশার দীর্ঘ তালিকা নিয়ে হাজির হয়।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ অনেক ক্ষেত্রে আমাদের চাওয়াকেও যেন হার মানিয়েছে! সমাজ ও রাষ্ট্রের বহিরাঙ্গিক এবং অন্তরাঙ্গিকের ব্যাপক রূপান্তরে সক্ষমতা দেখিয়েছে দলটি। বহিরাঙ্গিক অবকাঠামোর মধ্যে আমাদের স্বপ্নের অতীত পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সড়ক পথের বিভিন্ন স্থানে এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের সাফল্য বাংলাদেশের দৃশ্যমান বাস্তবতাকেই বদলে দিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের কল্পনাতীত অঞ্চলে স্থাপিত হয়েছে রেল যোগাযোগ! মাথাপিছু আয় এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও অনন্য অবদান সূচিত হয়েছে। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিচালিত বর্তমান সরকারের সৃজনশীল নানারূপ প্রকল্প বিশ্ব সম্প্রদায়ের ইতিবাচক দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার রোল মডেল হিসেবেই পরিচিত। হাজার হাজার ভূমিহীন পরিবার জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট পেয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ সুদৃশ্য বাড়ি। বহিরাঙ্গিক সাফল্যের মতো দলীয় নেতাকর্মীদের আওয়ামী আদর্শ প্রতিপালনের আন্তরিকতাও এ দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে। আওয়ামী লীগের সদস্য হলেও অনেকের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না। গরিব-দুঃখী মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির যে আদর্শিক লড়াই আওয়ামী লীগের অন্তর্গত সৌন্দর্য সাম্প্রতিককালের অনেক নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ডে তা প্রশ্নবিদ্ধ! প্রশ্নবিদ্ধ এসব নেতাকর্মীর নেতৃত্ব থেকে দলটি আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবে ৭৫তম জন্মদিনে এটাই সাধারণের প্রত্যাশা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আমরা ৭৫তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। সেইসঙ্গে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজ পর্যন্ত যাদের শ্রম, ঘাম, মেধা ও আত্মত্যাগের কারণে দলটি সক্রিয় রয়েছে সেসব নেতাকর্মীকেও অভিনন্দন জানাই। স্বাগত জানাই নতুন প্রজন্মের সেসব নেতাকর্মীকে যাদের সৃষ্টিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ উত্তরোত্তর বিচিত্র সাফল্য অর্জনের মধ্য দিয়ে সম্মুখের পানে এগিয়ে যাবে।

আহমেদ আমিনুল ইসলাম : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App