×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও বিশ্ববিবেক

Icon

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও বিশ্ববিবেক

বিগত ৭৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনি ভূমিদখল, উচ্ছেদ, উৎপীড়ন, নিপীড়ন, হত্যা, গণহত্যা চালিয়ে আসছে জায়নবাদী ইসরায়েল। নিজ ভূমিতে পরাধীন ও শরণার্থীর জীবন অতিবাহিত করে আসছে ফিলিস্তিনি জনগণ। ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ জোরপূর্বক ফিলিস্তিনের ভূমিতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছিল। পরবর্তীতে তাবৎ সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোর প্রত্যক্ষ সহায়তায় ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী ইসরায়েলি রাষ্ট্র ক্রমাগত ফিলিস্তিনে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আরবরা সম্মিলিতভাবে যুদ্ধে অংশ নিলেও বেশিদূর অগ্রসর হতে পারেনি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তাঁবেদারির কারণে। এক এক করে তারা যুদ্ধ থেকে সরে আসে এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনকে নিশ্চিত করে দেয়। এখন তো আরব রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলের মিত্র হয়ে পড়েছে। মিসর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের নিকটতম মিত্র। তুরস্কও ওই কাতারে শামিল ছিল। এরদোয়ানকে গদিচ্যুত করার মার্কিনি পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর তুরস্ক তার অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করেছে। আজকে ইরান ফিলিস্তিন প্রশ্নে যে ভূমিকায় রয়েছে, অতীতে ছিল ঠিক তার বিপরীত অবস্থানে। রেজা শাহ পাহলবি ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তাঁবেদার। সঙ্গত কারণেই মার্কিন মদদপুষ্ট ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান কোনো ভূমিকা পালন না করে ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য সংগ্রামের বিরুদ্ধ অবস্থানে ছিল। সারকথা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বাদশা, আমির, শেখরা নিজেদের একনায়কত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে আমেরিকার গোলামে পরিণত হয়ে আছে। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ও স্বৈরতন্ত্র উচ্ছেদের বাতাবরণে হরেক অনাচারকারী মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ মধ্যপ্রাচ্যের স্বৈরাচারী একনায়কদের রক্ষক হিসেবে অটল অবস্থান নিয়েছে। অথচ ফিলিস্তিনের জনগণের পক্ষে অবস্থা নেয়া ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া এবং ইরানের ওপর কী ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে সেটা তো প্রকাশ্য। পারমাণবিক অস্ত্রের অজুহাতে ইরাক দখল এবং লিবিয়া দখলের বিষয়টি তো আমরা দেখেছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে তারা কতটা নৃশংস হতে পারে ওই সব মার্কিনি আগ্রাসনই তার প্রমাণ।

ইরাক ও লিবিয়ায় এখন আমেরিকার তাঁবেদার সরকার। তাই তারা ফিলিস্তিনের গণহত্যায় নীরব ও নিশ্চুপ, অপরাপর আরব রাষ্ট্রের অনুকরণে। ইরাক ও লিবিয়া দখল ও সম্পদ লুণ্ঠনের পাশাপাশি ইরাক দখল করার পরক্ষণে বাগদাদ, মসুল জাদুঘরে রক্ষিত আক্-কাদিয়, সুমেরীয়, ব্যাবিলন ও মেসোপটেমিয়া সভ্যতার নিদর্শনের স্মারকগুলো লুণ্ঠন করেছিল। যেমন লুণ্ঠন করেছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ভারতবর্ষের সভ্যতার স্মারকগুলো। ওগুলো এখন শোভা পাচ্ছে ব্রিটিশ জাদুঘরে। সাম্রাজ্যবাদীদের পন্থা অভিন্নই বটে। মধ্যপ্রাচ্যে এখন আমেরিকার গলার কাঁটা ইরান এবং সিরিয়া। তাই নানা উছিলায় অবরোধ আরোপসহ নানা আগ্রাসী তৎপরতা অব্যাহত গতিতে চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য আরব রাষ্ট্র আমেরিকার তাঁবেদার। তাই তারা জায়নবাদী ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে মুখে কুলুপ এঁটেছে।

ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার বিবেকবান মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। অথচ তাদের রাষ্ট্র গণহত্যা সংঘটনে অস্ত্রসহ সার্বিক মদদ জুগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রগুলোর সশস্ত্র বাহিনী লেলিয়ে গ্রেপ্তার, নির্যাতন, নিপীড়ন করেও স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষের বিক্ষোভকারীদের দমন করা সম্ভব হয়নি। সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অবিরাম বিক্ষোভ, সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। অথচ আমাদের দেশে! একমাত্র বামপন্থিদের সমন্বয়ে গঠিত ফিলিস্তিন সংহতি কমিটি, বাংলাদেশ, মওলানা ভাসানী পরিষদ এবং বামপন্থি দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ, সমাবেশ হয়েছে। এছাড়া একটি বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মকাণ্ড এ পর্যন্ত দেখা যায়নি।

আমাদের প্রতিবেশী পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৯ সালে ইসরায়েল সফরে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফিলিস্তিনিদের উচিত শিক্ষা দেয়ার কথা বলেছিলেন। এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলে সর্বক্ষেত্রে ইসরায়েলকে সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়ে এসেছিলেন। অথচ ১৯৯৭ সালে পিএলও প্রধান ইয়াসির আরাফাত কলকাতায় এসেছিলেন বামফ্রন্ট সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে। কেননা বামপন্থিরা ওই সময়ে ফিলিস্তিনি জনগণকে সমর্থনের পাশাপাশি তাদের সাধ্যানুযায়ী সাহায্য পাঠিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

আট মাস ধরে ফিলিস্তিনজুড়ে ইসরায়েলি গণহত্যা চলছে অবিরাম। নারী ও শিশুরা এই গণহত্যার শিকার হচ্ছে সর্বাধিক। অথচ মানবাধিকারের ধ্বজাধারী সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব কেবল নির্লিপ্ত নয়, প্রত্যক্ষে এই গণহত্যার রসদ জুগিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমা মিডিয়া এই গণহত্যাকে যুদ্ধ বলে প্রচার করছে। কিন্তু যুদ্ধে তো দুটি পক্ষের প্রয়োজন পড়ে। একতরফা তো যুদ্ধ হয় না। গণহত্যাকে আড়াল করতে এবং ইসরায়েলি গণহত্যাকে বৈধতা দেয়ার অভিপ্রায়ে পশ্চিমা গণমাধ্যম ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধ হিসেবে গণহত্যার প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদীদের প্রচার মাধ্যমে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ চলছে। বাস্তবে ফিলিস্তিনি জনগণ লড়ছে বিগত ৭৫ বছর ধরে নিজ ভূখণ্ডে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের জবরদখলের বিরুদ্ধে। ফিলিস্তিনের গাজা এখন মৃত্যুপুরী। গাজায় কোনো স্থাপনা অক্ষত রাখেনি ইসরায়েলি বাহিনী। বোমাবর্ষণে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু গাজার সমগ্র জনগণ। আহত ফিলিস্তিনিরা যাতে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে না পারে সেজন্য গাজার হাসপাতালগুলোতে বোমাবর্ষণ করে ধ্বংস করে দিয়েছে। গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের আত্মরক্ষায় কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। তারা কার্যত অবরুদ্ধ। সব পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের নির্বিচার গণহত্যা সংঘটনের অভিপ্রায়ে। অথচ নিজ দেশে তারা আজ পরবাসী শরণার্থী জীবন অতিবাহিত করছে। জর্ডান নদী ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে অবস্থিত এই ভূখণ্ডটি নানা ঐতিহাসিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা একত্রে বসবাস করবে। এটাই ছিল প্রত্যাশিত সত্য। কিন্তু দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের একটি নিজস্ব আবাসভূমি গঠনের প্রয়োজনে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে তাদের উপনিবেশ ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের অংশ থেকে ইসরায়েল নামক একটি সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দেয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ইহুদি উদ্বাস্তুরা সদলবলে ফিলিস্তিনে তাদের জন্য ব্রিটিশের পুরস্কার ইসরায়েলি রাষ্ট্রে আগমন করে। ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা তাদের রাষ্ট্রের পরিধি সম্প্রসারণে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড বলপূর্বক দখল প্রক্রিয়া অব্যাহতভাবে অদ্যাবধি সক্রিয় রেখেছে। নিজ ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিরা হয়ে পড়েছে পরবাসী। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি দখলে নিয়ে আরো বহুদূর বিস্তারে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এঁটেছে। এখানে একটি কথা বলা প্রাসঙ্গিক- ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ইহুদি ধর্মাবলম্বী বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আইনস্টাইন বলেছিলেন তিনি কোনো সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের প্রধান হতে মোটেও আগ্রহী নন। অর্থাৎ ইসরায়েলি প্রস্তাব রীতিমতো প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

আজকে আরব বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো ফিলিস্তিনের গণহত্যার তামাশা দেখছে বটে, তবে নিকট ভবিষ্যতে ইসরায়েলি আগ্রাসনের কবলে তাদের ভূখণ্ডও অরক্ষিত থাকবে তারও কিন্তু নিশ্চয়তা নেই। কেননা ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড জবরদখলের প্রক্রিয়া থেমে নেই। ইতোমধ্যে ফিলিস্তিনের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডের ২২ শতাংশ ভূমি ইসরায়েল দখলে নিয়ে নিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে গণহত্যা সংঘটনে অচিরেই ফিলিস্তিনের পুরো ভূখণ্ড তারা দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ইসরায়েলি নৃশংসতার গত কয়েক মাসে ফিলিস্তিনে নিহতের সংখ্যা শতবর্ষের রেকর্ড ভেঙেছে। এই সত্যটি পশ্চিমা মিডিয়া পর্যন্ত স্বীকার করেছে। বিশ্বজুড়ে বিবেকবান মানুষ প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মহাসমাবেশ করে প্রতিবাদ করলেও, আরব বিশ্বে তার ছিটেফোঁটা দেখা যায়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ন্যায় ইসরায়েলি শাসকরাও জনরায়ে নির্বাচিত হয়ে আসছে। হিটলার, মুসোলিনি, নরেন্দ্র মোদির ন্যায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও নির্বাচিত সরকার। যদিও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তদন্তও চলছে। দুর্নীতিবাজ নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাগ্য নিয়ে উদারবাদীরা সরব হলেও ফিলিস্তিন প্রশ্নে নীরব ও নিশ্চুপ। গাজায় সর্বমোট ২৩ লাখ ফিলিস্তিনির বাস। গত ১৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিককে হত্যা করেছে জায়নবাদী ইসরায়েল। আহতের সংখ্যা অগণিত এবং আহতদের অনেকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। ফিলিস্তিনের অবকাঠামো ধ্বংসের ফলে ১৭ হাজার শিশু, নারী আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। পিতা-মাতা হারানো শিশুর সংখ্যাও অজস্র। গণতন্ত্র, মানবাধিকারের রক্ষক হিসেবে বিশ্বে সুপরিচিত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এই নৃশংস গণহত্যার বিরোধিতার বিপরীতে মদদ জুগিয়ে যাচ্ছে। ফিলিস্তিনে গণহত্যায় ব্যবহৃত হচ্ছে আমেরিকার সরবরাহকৃত অস্ত্র, গোলা-বারুদ।

খোদ ইসরায়েলের কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিবেকবান মানুষ সংখ্যায় স্বল্প হলেও তারাও ফিলিস্তিনের গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। এর জন্য তাদের ওপর নেমে এসেছে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের খড়গ।

আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা সাম্রাজ্যবাদীরা এবং উদারবাদীরা বলছেন বটে, তবে ইসরায়েল তাতে কর্ণপাত করছে না। ইসরায়েলের অবস্থান ‘বিচার মানি তবে তালগাছ আমার’ অনুরূপ। ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধে বিশ্বের বিবেকবান মানুষ পথে নেমে এলেও সরকারগুলো প্রত্যক্ষে গণহত্যার পক্ষে এবং মৌনতায় গণহত্যাকে সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে। জার্মানিতে ইহুদি নিধনের প্রতিশোধ তারা নিচ্ছে নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর। অদূর ভবিষ্যতে আরব রাষ্ট্রগুলোও ইসরায়েলি বর্বরতার শিকার হলে অবাক হওয়ার কারণ থাকবে না। কেননা আজকে ইসরায়েলের মিত্র হওয়া আরবের রাজা, বাদশা, শেখ, আমিররা নিজেদের স্বৈরশাসনকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার অভিপ্রায়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পদলেহনে মেতে আছে। মিত্রের মিত্র হয়েছে বটে, তবে ইতিহাসের শিক্ষা তারা আজ উপেক্ষা করছে বটে। তবে ইতিহাস যে অপরাধীর অপরাধ ক্ষমা করে না, এই শিক্ষা তারা যেমন, জায়নবাদীরাও তেমনি আমলে নেয়ার প্রয়োজন মনে করছে না। অথচ ইতিহাসের ঐতিহাসিক সত্যতা হচ্ছে কৃতকর্মের অপরাধের মাশুল থেকে কেউ বঞ্চিত হয় না।

মযহারুল ইসলাম বাবলা : নির্বাহী সম্পাদক, নতুন দিগন্ত।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App