×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে

Icon

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়  এখনই দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে
নতুন সরকার গঠিত হয়েছে সবে পাঁচ মাস গত হয়েছে। অতীতের সঙ্গে সবকিছু মিলিয়ে হুবহু দেখা সব সময় ঠিক নয়। সময়কে বুঝতে হয় ঠিক যে সময়ে দাঁড়িয়ে চলতে হচ্ছে তার সমগ্রতাকে দেখে এবং বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে, একইভাবে সময়ের ঘটনাপ্রবাহ, আর্থ-সামাজিক বাস্তবতাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। রাষ্ট্রের বিষয়টিকে দেখতে হবে অভ্যন্তরীণ এবং বৈশ্বিক বাস্তবতার গভীরতা ও জটিলতাকে অনুধাবনে এনে। বাংলাদেশ এই মুহূর্তে বৈশ্বিক নানা জটিল অবস্থার ভেতর দিয়ে যেমন যাচ্ছে, একইভাবে অভ্যন্তরীণভাবেও শুধু ইতিবাচকই নয়, অনেক জটিল সমস্যাও তৈরি হয়েছে, যেসবের চ্যালেঞ্জ দৃঢ়তা ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করতেই হবে। সেক্ষেত্রে কোনো দ্বিধাদ্ব›দ্ব, দোদুল্যমানতা কিংবা বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে থাকার পরিণতি হবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য নতুন কোনো জটিলতাকে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়া, যা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। সে কারণে চারদিকের বাস্তবতা দেখে যে বিষয়গুলোর প্রতি সরকার এবং রাজনীতি সচেতন মহলের এখনই সময়ক্ষেপণ না করে দৃঢ় পদক্ষেপে সমাধা করা উচিত, জনগণকে সেই প্রক্রিয়ায় সচেতনভাবে যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়ার কোনো বিকল্প নেই এবং তা নিয়ে কিছু মতামত তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করছি। আমি দাবি করছি না যে আমার সব দেখা ও মতামত সঠিক হবে, তবে আমার মতামতের মধ্যে যেসবের ন্যূনতম সারবত্তা ও বাস্তবতা রয়েছে তা সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে কিনা তা আমার জানা নেই। আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে মোটেও খাটো করে দেখা উচিত নয়। কিন্তু রাষ্ট্রের অর্থনীতি যত বিস্তৃত হয় তত তার অভ্যন্তরে জটিলতাও বাড়ে। সেসব জটিলতাকে নিরসন করেই রাষ্ট্রকে অগ্রসর হতে হয়। আমরা সেক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করলেও সব চ্যালেঞ্জই আমাদের পক্ষে মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে, এমনটি দাবি করা যাবে না। করোনা সময়কাল পর্যন্ত আমাদের অর্থনীতিকে আমরা যতটা গতিময়তার সঙ্গে এগিয়ে নিতে পেরেছি, করোনা-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিগ্রহ, অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা আমাদের অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থাকে অনেকটাই অস্থির করে তুলেছে। গত দেড়-দুই বছরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নিম্ন আয় এবং নিম্ন-মধ্যবিত্তের জীবনযাপনের ওপর। বিষয়গুলো সরকারের জানা আছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। সমাজের ভেতরে দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা দুর্নীতি এই সময়ে এসে সর্বগ্রাসী চরিত্র ধারণ করছে, যা কিছুতেই রাষ্ট্র, আইন ও প্রশাসনকে তোয়াক্কা করছে না। দুর্বলতা সেখানেও বিস্তর রয়েছে। ফলে বাজারব্যবস্থা যেভাবে চলছে তা মানুষকে উন্নয়ন অগ্রগতির স্তরেও স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক গতিতে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও অর্থনীতির সুবিধা লাভের মাধ্যমে জীবন মানের উন্নয়ন ঘটানোর সুযোগ পেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সর্বগ্রাসী দুর্নীতিবাজরা রাষ্ট্রকেও পরোয়া করছে না। এ ক্ষেত্রে আশ্রয়-প্রশ্রয়ের ক্ষেত্রগুলোকে যদি এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না হয় তাহলে এর নানা মাত্রিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ঘটা অস্বাভাবিক নয়। এজন্য এখনই সরকারকে দেশপ্রেমিক, আস্থাভাজন, অভিজ্ঞ দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন করার যথোপযুক্ত সময়। সরকারের পূর্ণ মেয়াদে আর্থিক, প্রশাসনিক সব খাতে জবাবদিহিতা এবং আইন ও নিয়ম প্রতিষ্ঠার যে সুযোগ রয়েছে তার সদ্ব্যবহার ঘটলে যে সজীবতা ফিরে আসতে পারে তাতে জনজীবনে শুধু স্বস্তিই নয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটারও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক নীতি-কৌশলকে সময়ের চাহিদার বিবেচনায় নিতেই হবে। রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের বিভাজন জটিল ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হলেও মোটা দাগে তা অসাম্প্রদায়িক বনাম সাম্প্রদায়িক চরিত্রের মধ্যে অবস্থান করছে- এটিকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগ আদর্শগতভাবে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক আদর্শে বিশ্বাস করে, এটি সুবিদিত। তবে ক্ষমতার রাজনীতিতে অধিষ্ঠিত হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে যে রাজনৈতিক শক্তির সমাবেশ ঘটেছে তার বড় অংশই অর্থনৈতিক ও ক্ষমতার স্বার্থকে ধারণ করেছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে খুব কমই ধারণ করতে পেরেছে। এক্ষেত্রে রবিন কলিং উড নামক একজন শীর্ষ ব্রিটিশ দার্শনিক, ইতিহাসবিদ ও রাজনীতি বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞের একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত সবাইকে স্মরণ করাতে চাই। আদর্শবাদী রাজনীতি চর্চার জন্য প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যায়তনের মতো করতে হয়, যেখান থেকে রাজনীতির শিক্ষার্থীরা বের হয়ে আসে। তাদের দ্বারাই অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের রাজনীতি যুগের ধারণা লাভ করতে পারে- এমন ইঙ্গিতই তিনি করেছিলেন। আওয়ামী লীগ যে অসাম্প্রদায়িক আদর্শের রাজনীতি রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছে সেটিকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে নেতাকর্মীদের কলিং উডের ভাষায় রাজনীতির পাঠশালা অতিক্রম করা ছাড়া প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ থাকে না। আওয়ামী লীগ পাকিস্তানকালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রাজনীতির পাঠশালাতেই পরিণত হয়েছিল। সে কারণেই স্বাধীনতা অর্জনে ত্যাগী, সচেতন নেতাকর্মীর কোনো অভাব ঘটেনি। স্বাধীনতার পরও বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতাসহ বিশাল নেতৃত্বকে হত্যা করা কিংবা তাদের রাজনীতি কঠিন করে দেয়া না হলে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির পাঠশালার শিক্ষা নিয়েই দেশকে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্য থেকে খুব একটা বিচ্যুত হতো বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের পর আয়তনে বিশাল হয়ে উঠলেও প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর রাজনৈতিক এবং আদর্শিক কার্যক্রম যুগোপযোগিতা লাভের ধারে-কাছেও যেতে পারেনি। সে কারণেই দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার অনেক নির্দেশ, আদর্শিক উচ্চারণ উপেক্ষিত হচ্ছে। এর ফলে আওয়ামী লীগ আদর্শিক ত্যাগী নেতাকর্মী সৃষ্টিতে ততটা সাফল্যের দাবি করতে পারবে না যতটা ভোগবাদিতা, দুর্নীতি, অর্থবিত্ত, ক্ষমতা ও কর্তৃত্বপরায়ণ নেতাকর্মীর সমাবেশ ঘটাতে নিশ্চুপ থেকেছে। এর ফলে দেশের মেধাবী, সৎ, প্রতিশ্রæতিশীল, যোগ্য তরুণরা রাজনীতিবিমুখ হয়ে বিদেশ পাড়ি জমাচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামীবিরোধী সাম্প্রদায়িক এবং উগ্র হঠকারী ধারার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী সব অপশক্তি এবং তরুণদের সেই অংশ যারা ইতিহাস বিকৃতি, দেশের রাজনীতির আদর্শহীনতার কার্যকারণের ব্যাখ্যা জানতে ও বুঝতে না পারার অবস্থানে বেড়ে উঠছে তাদের একটি বড় অংশ। দেশের রাজনীতিতে যেহেতু গভীর আর্থসামাজিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক সমস্যা ও সম্ভাবনা আলোচনা ও উত্তর নেই, অধিকন্তু রয়েছে বাগাড়ম্বতা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার, যুক্তিহীনতা, দেশ-বিদেশ নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যা তথ্যের বাজারিপনা। সে কারণে দেশের রাজনীতি সত্যিকার অর্থেই এখন রাষ্ট্র বিনির্মাণের মৌলিক দর্শনের জায়গায় নেই। এই জায়গাটি আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী দেশপ্রেমিক, নাগরিক শিক্ষা সাংস্কৃতিক সমাজ, ঐক্যবদ্ধভাবে হাল ধরার ক্ষেত্রে যত বেশি বিলম্ব করবে তত বেশি দেশ ও সমাজ দক্ষিণের দিকেই যেতে থাকবে। বিশ্বরাজনীতিও এখন টালমাটাল এবং প্রভাব ও শক্তির কাছে নতজানু। সেক্ষেত্রে আমাদের অবস্থার জন্য কাউকে এককভাবে দায়ী না করে সম্মিলিতভাবে কীভাবে রাষ্ট্র রাজনীতিকে অন্তত উদার গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করা যাবে সে ব্যাপারে সরকার এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশ ভূরাজনৈতিকভাবে এখন কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অর্থনৈতিকভাবে গত দেড়-দুই দশকে আমাদের সেই অর্জন ঘটেছে এটি বুঝতে হবে। সে কারণে আমাদের নিয়ে বড় দেশগুলোর টানাটানি রয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধুর বিঘোষিত পররাষ্ট্রনীতি শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে অনুসরণ করে চলছেন, এতে একচুলও বিচ্যুতি ঘটলে আমাদের এই অঞ্চল কতটা হানাহানির টানাটানিতে পড়ত তা অনেকেই কল্পনা করতে পারেন না। এই মুহূর্তে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে যে জাতিগত অসন্তোষ ক্ষুদ্র আকারে হলেও বিরাজ করছে তার পেছনে অনেক গোষ্ঠী আগুন দেয়ার জন্য ঘোরাঘুরি করছে, সেটি বুঝতে হবে। গোটা অঞ্চলটি এখন নানা জাতিগত সংঘাতে লিপ্ত। এর পেছনে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান অনেক শক্তি গোঁফে তা দিচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরেও অনেক অপশক্তি রয়েছে যারা চার-পাঁচ দশক ধরে এ অঞ্চলে নানা নামে নানা উদ্দেশ্যে তাদের ঘাঁটি গেড়ে বসেছে। জঙ্গিরা দুই-আড়াই দশক আগেই পার্বত্যাঞ্চলে তাদের প্রতিষ্ঠান, ভূমি লিজ নেয়া এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সখ্য ও আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। অনেক এনজিও এবং বড় বড় করপোরেট হাউস ছোট-বড় অনেক ধনী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী পার্বত্যাঞ্চলে জমি দখল, নামে মাত্র ক্রয় ও লিজ নিয়ে যে অবস্থান তৈরি করেছে তাতে স্থানীয়দের সঙ্গে জাতিগত বিরোধ ও দূরত্ব তৈরিও ব্যবস্থা করে রেখেছে। কুকি-চিনদের সঙ্গে জঙ্গি গোষ্ঠীর সখ্য গড়ে উঠেছিল সেটি এক দীর্ঘ প্রক্রিয়ারই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এ ধরনের অসংখ্য বিষয় সেখানে ঘটছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকিতে ফেলার জন্য কখন কোন শক্তিকে কাজে লাগায় বলা মুশকিল। সেজন্য জরুরি হয়ে পড়েছে বিষয়টির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংবিধানিক সমাধান, কোনো অবস্থাতেই সামরিকভাবে নয়। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে, কিন্তু এর অনেকটাই আমাদের রাষ্ট্রের উন্নয়নে জনসম্পদ তৈরিতে মোটেও সহায়ক হওয়ার নয়। সরকার উক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সম্প্রসারণ ঘটাতে চেয়েছে তাতে শিক্ষার পরিবর্তে সনদ নিয়ে দুর্নীতি, অশিক্ষা, কুশিক্ষা, অযোগ্যদের প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ব্যাপক ক্ষমতায়ন ঘটেছে, যা শেষ বিচারে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য মোটেও ভূমিকা রাখবে না। সুতরাং এখনই প্রয়োজন এক্ষেত্রেও মূল্যায়নের পুনরায় ভিজিট করা। সরকারের হাতে সমাজের তলদেশ থেকে উপরদেশ পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণি-পেশার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা লাভের তথ্য-উপাত্ত আছে বলে মনে হয় না। নানা গোষ্ঠী সরকারপ্রধানকে অন্ধকারে রাখার চেষ্টা থেকে এমনটি করতে পারে। সুতরাং এই বেড়াজালটিও ভাঙা দরকার হয়ে পড়েছে। এ ধরনের আরো অনেক বিষয়ে এখন আর আবেগ ও বিশ্বাস দিয়ে নয় বরং কঠিন সত্যকে মোকাবিলা করার বৈজ্ঞানিক যুক্তিসঙ্গত উপায়গুলো রাষ্ট্র ও রাজনীতি সচেতন বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিকে রাজনীতি, সরকার, প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র দায়িত্ব দিয়ে সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই হবে। অপশক্তি কীভাবে, কোথায়, কখন আঘাত করবে তা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারেননি। কারণ তিনি ছিলেন দয়ার মহামানব। কিন্তু রাষ্ট্র রাজনীতিতে যুক্তি, আদর্শ ও কর্মের সম্মিলন ঘটানোর কোনো বিকল্প নেই। জনগণই যে রাজনীতির মূল শক্তি সেই রাজনীতিতে জনগণকেই সত্যিকার অর্থেই আস্থায় রাখতে হবে। জনগণের ভূমিকা কখনো যেন নীরব দর্শকের অবস্থানে চলে না যায়। : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App