×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনা

Icon

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ’৭১-এর মহান মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের সমাজজীবনের আমরা অসাম্প্রদায়িক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির এক শান্তিময় ও সবার সম্মিলনে সহাবস্থানপূর্ণ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে বর্তমানে যিনি নিরলস কর্মপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি হলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সরকারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বর্তমানে যেমন দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও প্রগতির কর্ণধার ঠিক তেমনি মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনারও মূর্তপ্রতীক। বাঙালি সমাজ ও সভ্যতাকে উদার, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের আদলে গড়ে তুলতে তার অবদান অনস্বীকার্য। তবে এ পর্যায়ে যদি মহান এক ব্যক্তিত্বকে আলোচনায় নিয়ে না আসি তবে বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাতিটাকে প্রজ্জ্বলিত রাখা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। তিনি হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান; যিনি বাঙালি সমাজ, সভ্যতা ও জাতিসত্তার অস্তিত্ব থেকে অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধতার চির অবসান ঘটাতে সচেষ্ট ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আমাদের যে সংবিধান উপহার দিয়েছেন তার ২-এর ক অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সব ধর্মের অনুসারীকে সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। আর সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার প্রদত্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অভিধানে সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর কোনো স্থান নেই। সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদে সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক, কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তার ওপর নিপীড়ন বিলোপ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘যারা সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে, যারা সাম্প্রদায়িক তারা হীন, নীচ, তাদের অন্তর ছোট; যে মানুষকে ভালোবাসে সে কখনই সাম্প্রদায়িক হতে পারে না।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘এ দেশে মুসলমানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের বাধা দেয়ার ক্ষমতা এই রাষ্ট্রের কারো নেই। হিন্দু তাদের ধর্ম পালন করবে, খ্রিস্টানরা তাদের ধর্ম পালন করবে, তাদের কেউ বাধা দিতে পারবে না। ধর্ম অতি পবিত্র জিনিস। পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না। যদি কেউ বলে যে, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়েছে, আমি বলব, ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হয়নি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করার ব্যবস্থা করেছি।’ মূলত বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির মডেল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছেন। এখানে আমরা ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ বিডিনিউজকে উদ্ধৃত করছি, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- সব ধর্মের-বর্ণের মানুষের রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। যার যার ধর্ম পালনের অধিকার এ দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আছে। এ বাংলাদেশ লালন শাহ, রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জীবনানন্দের বাংলাদেশ।’ ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন দৈনিক সমকালে লিখিত এক প্রবন্ধে বলেছেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের অঙ্গীকার। এ দেশের মানুষ নিজ নিজ ধর্মে নিষ্ঠাবান হওয়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে তারা অনুকরণীয় আদর্শ বলে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশের মানুষ সচেতনভাবে ধর্মীয় বোধসম্পন্ন বলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সহনশীলতার আদর্শ এ দেশে মূর্তমান। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বন্ধনকে আরো দৃঢ় করতে বদ্ধপরিকর।’ বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানিয়েছেন, এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে, শান্তির বার্তা শোনায়। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিষয়টি কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। এছাড়া প্রতিটি ধর্মের মূল বিষয়গুলোতে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। সে সাদৃশ্যগুলোকে অবলম্বন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করতে হবে।’ ৬ আগস্ট ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪। সরকার অনুমোদিত এ নীতিমালার কোনো কোনো ধারা-উপধারা বিষয়ে কারো কারো মতবিরোধ ও আপত্তি থাকলেও ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্নœ রাখার বিষয়ে নীতিমালায় বিধৃত ধারা-উপধারা বিষয়ে কোনো মহলেরই মতপার্থক্য ছিল না এবং কোনো ধরনের আপত্তিও উত্থাপিত হয়নি। এতে বাংলাদেশের সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর জন্য অনুসৃত নীতিমালা হিসেবে এ দেশে সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা, ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে যে বিজ্ঞজনোচিত নির্দেশনা প্রদত্ত হয়েছে, তাতে শেখ হাসিনা সরকারের প্রাগ্রসর চিন্তা ও দূরদর্শিতা প্রকাশ পেয়েছে- যা বর্তমান সমাজের জন্য পথনির্দেশক। সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের যেসব উদ্ধৃতি এবং আইন ও সংবিধানের যেসব বিষয় উল্লেখ করলাম সেসবের সারনির্যাস হলো, শেখ হাসিনার সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশকে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য নিরাপদ এক আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলা; সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতাকে নির্বাসনে পাঠানো এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা। তাই আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের যে অনুপম সৌধ নির্মাণ করে গেছেন, শেখ হাসিনা তার নিরন্তর নির্মোহ প্রচেষ্টার আলোকে সেই সৌধটির একাডেমিক ডিসকোর্স প্রণয়নে পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন। তাই বলি, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশকে যদি বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক নিরাপদ ও শান্তিময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হয় তাহলে শেখ হাসিনার এদতসংশ্লিষ্ট সব প্রয়াসকে দৃঢ়ভাবে অবলম্বন ও কার্যকর করতে হবে। তার সময়োচিত ও কল্যাণধর্মী নির্দেশনার আলোকে আমাদের জাতীয় জীবনে দেশমাতৃকার বৃহত্তর স্বার্থ সুরক্ষায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিবেদিত হতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনপদে অমুসলিম সংখ্যালঘু মানুষদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানের অপরিহার্য দায়িত্ব হলো মুসলমানদের। বাংলাদেশের মুসলমানরা নিষ্ঠা, মানবিকতা ও ধর্মীয় চেতনাবোধের আলোকে সরকারের পাশে থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার নানা সময়ে সংখ্যালঘুদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নির্দেশনা প্রদান করে চলেছেন। আমাদের দেশে মসজিদের পাশে মন্দির, ঈদ ও পূজা উদযাপন হয় একই সঙ্গে এবং আজানের ধ্বনির পাশাপাশি মন্দিরে বাজে বাঁশরির সুর। আধুনিক বাংলাদেশের সব্যসাচী লেখক ও কবি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতায় সেই চেতনাই ফুটে ওঠে- ‘একসাথে আছি, একসাথে বাঁচি, আজো একসাথে থাকবোই; সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়ে সাম্যের ছবি আঁকবোই।’ এ দেশের সব ধর্মাবলম্বী মানুষ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালন করে থাকে তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় উৎসব; একের উৎসবে যোগ দেয় ভিন্ন ধর্মের অনুসারীরাও আর এভাবেই বাঙালির ধর্মীয় উৎসবগুলোও সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়। এ দেশে যেমন মুসলিমদের জন্য মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে ঠিক তেমনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্যও সরকারি অর্থায়নে মন্দিরভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা ও পাঠাগার চালু রয়েছে; বৌদ্ধ ধর্মগুরু জ্ঞানতাপস অতীশ দীপঙ্করের নামে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, গঠন করা হয়েছে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আর উপজাতি অধ্যুষিত পার্বত্য অঞ্চলে রয়েছে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ও জাতিগত নানাবিধ কেন্দ্র- রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ও ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ও ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত এসব ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কেন্দ্রের সরব উপস্থিতি এবং গতিশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির প্রত্যাশিত রূপটিই ফুটে ওঠে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের ধর্মীয় অধিকার সুরক্ষা, সব ধর্মের অনুসারীদের সমমর্যাদা নিশ্চিত করা এবং শিল্প-সাহিত্যের বিকাশে যথাযোগ্য ভূমিকা রাখাসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তবে লেখাটি শেষ করার আগে আমরা একটু দেখে নিই বাংলাদেশকে কী ভয়াবহ অবস্থা থেকে উত্তরণে শেখ হাসিনা তার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। যশোর, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, গাইবান্দা, ঠাকুরগাঁও, নোয়াখালী, বগুড়া, মাগুরা, ল²ীপুর, রংপুর ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের ওপর নির্মম অত্যাচার, তাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ চালানো হয়েছে। জঙ্গিবাদী, মানবতাবিরোধী- এসব দুর্বৃত্তের নিষ্ঠুর আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে ৭ বছরের শিশু থেকে ৭০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্নতার আঁধারে আর তীব্র শীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল, গৃহহীন অবস্থায় ব্যাপক আতঙ্ক নিয়ে কেউবা মন্দির-উপাসনালয়ে আশ্রয় নিয়েছে আবার জীবনের পরোয়া না করে জীবনকে বাঁচাতেই নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের শুধু ধর্মীয় বিভেদের কারণে এই দুর্ভাগ্যজনক চিত্র হতে পারে? এই মানুষগুলোর অপরাধ ছিল- তারা ৫ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিল। একইভাবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে এবং তার আগে-পরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মানুষের আশা-ভরসার বাতিঘর শেখ হাসিনা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধকর্মকে সামাল দিয়েছেন এবং শক্ত হাতে দমন করেছেন। তাই তার নেতৃত্বেই আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বদেশের অসাম্প্রদায়িক বৈশিষ্ট্যসহ অপরাপর নানাবিধ মানদণ্ডে বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে হয়ে উঠছে বিশ্বসমাজের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন : সাবেক চেয়ারম্যান ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App