×

সম্পাদকীয় ও মুক্তচিন্তা

নোবিপ্রবির স্মার্ট উচ্চশিক্ষার যাত্রায় গবেষণাই প্রাধান্য

Icon

ইফতেখার হোসাইন

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

নোবিপ্রবির স্মার্ট উচ্চশিক্ষার যাত্রায় গবেষণাই প্রাধান্য
দেশের উচ্চশিক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণাকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনে ইতোমধ্যে অনন্য মাইলফলক ছুঁয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রাগ্রসর বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির সুযোগ সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ সুনাম অর্জন করেছে নোবিপ্রবি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা ও প্রায়োগিক গবেষণার সমন্বয় সাধন, এদের ভেতরকার চিন্তা ও জ্ঞানের প্রাণোচ্ছল যোগাযোগের ধারা অব্যাহত রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়কে রিসার্চ বেইজড ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। গবেষণার গুণগত মানোন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবিপ্রবি এ বছর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া চলতি বছর বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এপিএ মূল্যায়নে পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে নোবিপ্রবি। সাধারণত জার্নালের ইম্প্যাক্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে গবেষণাপত্রের মান নির্ণিত হয়। এক্ষেত্রে ডাটাবেজধর্মী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান স্কপাস জার্নাল ইনডেক্স বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। প্রতিষ্ঠানটি বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স, কৃষি ও সোশ্যাল সায়েন্সসহ নানা বিভাগে সারাবিশ্বে প্রকাশিত পিয়ার-রিভিউড জার্নালগুলোর ইম্প্যাক্ট ফ্যাক্টর নির্ণয়ের মাধ্যমে এগুলোকে র‌্যাঙ্কিং করে থাকে। সে আলোকে স্কপাস ইনডেক্সড জার্নালের বিভাগগুলোতে এ পর্যন্ত পর্যন্ত নোবিপ্রবি শিক্ষকদের ১ হাজার ৭৩৮টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যা দেশের অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিকট প্রশংসনীয়। প্রতি বছর সরকারের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’বিষয়ক প্রকল্পের গবেষণার জন্য অনুদান দেয়া হয়। এবার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নোবিপ্রবি থেকে এ গবেষণা অনুদান পেয়েছেন সাত বিভাগের ১৬ শিক্ষক। এ গবেষণা প্রকল্পে আটজন প্রধান গবেষক ও আটজন সহকারী গবেষক হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া ইউজিসি ও প্রাইম মিনিস্টার ফেলোশিপ এবং বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্টের আওতায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দেশে ও দেশের বাইরের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিইএইচডি এবং পোস্টডকে নিয়োজিত আছেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাত তথা নিজেদের গবেষণা ক্ষেত্রে সমুন্নত এমন পিএইচডিধারী শিক্ষক ৯১ জন, আর পিএইচডিধারী গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন ১১৭ জন শিক্ষক। অধিকন্তু বর্তমানে নোবিপ্রবির ৭৩ জন শিক্ষক অ্যালপার ডগার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় অবস্থান করছে। একশ একর ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ছয়টি ফ্যাকাল্টি, দুটি ইনস্টিটিউট ও ৩১টি বিভাগ রয়েছে। ৮ হাজার দেশসেরা মেধাবী শিক্ষার্থীর পাঠদানে নিয়োজিত আছেন মেধাবী ও অভিজ্ঞ ৪২১ শিক্ষক। তাই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এখন বদলে যাওয়া অনন্য এক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রকাশনা যাতে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপ্তি ও পরিচিতি পায় সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেলকে আরো যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। গবেষণা কার্যক্রমকে জোরদার করতে বিভিন্ন সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালার আয়োজনের পাশাপাশি বিদেশি বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবরেশনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নোবিপ্রবি গবেষণা সেলের পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন বিশ্বে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম, আলোকিত ও দক্ষ পেশাদার জনশক্তি তৈরি করতে শিক্ষা ও গবেষণাকে এগিয়ে নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় রিসার্চ সেল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যৌথ গবেষণার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড ও রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের গবেষণা প্রতিবেদনের সংকলন নিয়ে ২০১৮ থেকে ‘জার্নাল অব নোয়াখালী সায়েন্স অব টেকনোলজি, জেএনএসটিউ’ নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। সর্বাঙ্গীণ কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ করতে তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা খাতে বরাদ্দ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪৭৪টি গবেষণা প্রকল্পে গবেষণা বরাদ্দ দেয়া হয় প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় গবেষকদের গবেষণাকর্ম উপস্থাপনের জন্য নানা সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তদরুপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক একটি স্মার্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নোবিপ্রবি গবেষণাকে খাতকে ত্বরান্বিত করতে নানা সময়ে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন লাইফ সায়েন্সেস, মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে। এসব সিম্পোজিয়ামে লাইফ সায়েন্স, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্লেনারি, ওরাল এবং পোস্টার সেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষকরা তাদের গবেষণাকর্ম উপস্থাপন করে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের দুটি লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, যার মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যেই অর্জিত হয়েছে। অন্যটি হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ তথা স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন অর্জন। সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতকে বেশ অগ্রাধিকার দিতে বলছে। সে লক্ষ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি তথা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবনী কাজে আগ্রহী করে তুলতে এখানকার বিভাগগুলোতে প্রতিমাসে নিয়মিত ‘পিএইচডি টক’-এর আয়েজন করা হয়। যেখানে শিক্ষকরা তাদের পিএইচডি ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের কাছে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে গবেষণা কী, কেন এবং কীভাবে করতে হয় এ নিয়ে সেমিনার আয়োজন করে নোবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণামুখী করতে সরকার, মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির প্রচেষ্টা চলমান। তারই অংশ হিসেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিস্টটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনায় বিশ্বমান অর্জনে সরকার বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল স্থাপন করেছে। এই কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক বিএনকিউএফের গাইডলাইনে আউটকাম বেজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ চলমান রেখেছে নোবিপ্রবি। ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সব অফিসকে ডি-নথি কার্যক্রমের আওতায় আনয়নে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে এ বছর জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডি-নথি যুগে পদার্পণ করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ডি-নথির এ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া প্রযুক্তি ও গবেষণার দিক দিয়ে আইসিটি এবং রিসার্চ সেলকে আরো বেগবান করেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মানোন্নয়নে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে নোবিপ্রবির শিক্ষা সমন্বয় কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। গবেষণায় পারস্পরিক সহায়তার জন্য ইউকে, জাপান, চেক রিপাবলিক, থাইল্যান্ড, তুরস্কের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া এ বছর আরো বিশ্বমানের ৩০-এর অধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ বছর ইরাসমাস মোবিলিটি প্রোগ্রাম ২০২৪-এর আওতায় তুরস্কের পামাক্কেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস রেক্টরসহ তিনজন অধ্যাপক নোবিপ্রবি সফর করেন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫ জন অধ্যাপক দুজন কর্মকর্তা ও একজন শিক্ষার্থী তুরস্ক সফর করেন। বর্তমানে নোবিপ্রবি বায়োটেকনোলজি বিভাগের স্নাতকোত্তরের একজন শিক্ষার্থী একই প্রোগ্রামের আওতায় তুরস্কের নিইদে ওমের হালিশদেমির বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। নোবিপ্রবির সর্বাঙ্গীণ কার্যক্রমকে প্রসারিত করার কাজটি সততা, মেধা ও নিষ্ঠার সঙ্গে যিনি পরিচালনা করছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. দিদার-উল-আলম। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের এগিয়ে যাওয়া শুধু প্রচলিত অর্থে শিক্ষাদান কিংবা পঠন-পাঠনে নয় বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন জ্ঞান ও গবেষণার উন্নয়ন করা। যার মাধ্যমে একটি উন্নত জাতি ও আত্মমর্যাদাশীল স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন পূরণ করা যায়।’ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চার সম্প্রসারণে তিনি গবেষণার পাশাপাশি ভৌত উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যৎ কর্মসূচি হিসেবে প্রস্তাবিত ‘শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সমুদ্র ও সামুদ্রিকসম্পদ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ এবং ‘ইনস্টিটিউট ফর ওশানোগ্রাফি অ্যান্ড মেরিন রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। অধিকন্তু সরকারের জ¦ালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ব্লু ইকোনমি সেলের কার্যপরিধি অনুসারে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন মেয়াদে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে নোয়াখালীর মেঘনা উপকূলবর্তী জু প্লাঙ্কটনের মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হবে। এছাড়া এ কর্মপরিকল্পনার আওতায় রয়েছে বিলুপ্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ মৎস্য নিয়ে গবেষণা প্রকল্প চালু করা এবং হাতিয়া ও নিঝুপ দ্বীপে হেবি মিনারেলসের ওপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা। ইফতেখার হোসাইন : সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ), নোবিপ্রবি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App