×

অর্থ শিল্প বাণিজ্য

পুঁজিবাজার উন্নয়নে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দসহ ১২ দাবি

Icon

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৪, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

কাগজ প্রতিবেদক : পুঁজিরবাজারে অব্যাহত দরপতনের মধ্যে পড়ে প্রতিদিনই পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। দিন যত যাচ্ছে বাজার তত খাদের মধ্যে চলে যাচ্ছে। তাই পুঁজিরবাজারে পতন ঠেকানো ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আগামী বাজেটে ৫০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দসহ ১২ দফা দাবি জানায় পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী জাতীয় ঐক্য ফাউন্ডেশন (ক্যাপমিনাফ)।

গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি রুহুল আমিন আকন্দ। তিনি বলেন, দেশের শিল্পপতিরা পুঁজিবাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করে শিল্পের বিকাশ করছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে ও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। এছাড়া দেশের রাজস্ব আদায়ে অবদান রাখছে। কিন্তু আজ পুঁজিবাজার চরম হুমকির মুখে। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি হারাচ্ছে। অনেক বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যে বিনিয়োগ করে সর্বশান্ত হয়ে ‘পথে’ বসেছে। রুহুল আমিন আকন্দের অভিযোগ, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বর্তমান পর্ষদ দায়িত্ব নেয়ার পর নানা আশ্বাস ও আহ্বানে নতুন করে অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করে। কিন্তু অপরিপক্বতা ও দূরদর্শীতার অভাব, বিতর্কিত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় ও খারাপ কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদনের কারণে বাজার থেকে বেহিসাবি (বিশাল আকারের) অর্থ বের করে নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ দিন ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে।

পুঁজিবাজারে এই মন্দা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে ১২ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে আগামী বাজেটে ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। পুঁজিবাজার ভালো করতে আগামী এক বছর সব ধরনের আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখতে হবে। বর্তমান নেতিবাচক পুঁজিবাজারে টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের আইপিও দ্রুত বন্ধ করতে হবে। ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স আরোপ বন্ধ করতে হবে। বাইব্যাক আইন কার্যকর করতে হবে।

শেয়ারদর বৃদ্ধি পেলে যেমন কারণ দর্শানো হয়, তেমনি কমলেও যেন এর কারণ দর্শানোর নোটিসের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তনের ইস্যু দেখিয়ে যেসব কোম্পানির শেয়ারদর আকাশচুম্বী করা হয়েছে, সে সব কোম্পানির শেয়ার কারসাজি চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মিউচুয়াল ফান্ড উন্নয়নে দৃশ্যমান কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং আর্থিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ‘নো’ ডিভিডেন্ড দেয়া কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড বাজার উন্নয়নে ব্যবহার করতে হবে। পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা তহবিল গঠন করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশে স্মার্ট পুঁজিবাজার ও স্বচ্ছতা আনয়নে বিএসইসিতে বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধি রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। আসন্ন বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ নিঃশর্তভাবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App